মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের নিন্দা ইআরডিএফবি'র
সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস একটি বিশেষ রাজনৈতিক পক্ষের স্বার্থ সিদ্ধির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন যা পক্ষপাতদুষ্ট ও উদ্বেগজনক। প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় যে, গত ১৪ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মান্যবর রাষ্ট্রদূত বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠন সমর্থিত 'মায়ের ডাক" একটি সংগঠনের আহ্বানে ২০১৩ সালে একজন ব্যক্তির নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগে ঢাকা শহরের একটি বাড়িতে উপস্থিত হন। একই খবরে মায়ের কান্না' নামক সংগঠনের কর্মীরা তাদের মানবাধিকার লংঘনের বিষয়টি তাঁকে অবহিত করার জন্য একটি স্মারকলিপি প্রদানের চেষ্টা করেন।
উল্লেখ্য যে, 'মায়ের কান্না' নামক সংগঠনটি। সামরিক স্বৈরাচার জেনারেল জিয়া ১৯৭৭-৭৮ সালে বিচারের নামে হত্যা ও গুমের ঘটনা ঘটেছে। এতে যারা স্বজন হারিয়েছেন তাদের মানবাধিকার রক্ষার আবেদন নিয়ে রাষ্ট্রদূতের স্মরণাপন্ন হয়েছিলো। মার্কিন রাষ্ট্রদূতে এদের কথা শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এমন দ্বৈত আচরণের বহিঃপ্রকাশ অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক।
বাংলাদেশের মানুষের জন্য এই দিনটি শোকে ও বেদনার। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের প্রাক্কালে এ দেশকে বুদ্ধিজীবী শূন্য করতে একাত্তরের পরাজিত শক্তি গুম ও খুনের খেলায় মেতে উঠেছিল। সেই অশুভ শক্তিকে অস্ত্র-অর্থ দিয়ে শুধু সহযোগিতাই নয়, জাতিসংঘকে দিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে নস্যাৎ করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল মানবাধিকারের বিরুদ্ধে। সুতরাং, যুক্তরাষ্ট্র এবং দেশটির রাষ্ট্রদূত যখন বাংলাদেশকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত করেন, তখন সেটকে হাস্যকর মনে হয়। পশ্চিমা দেশগুলো আমাদেরকে বিভিন্ন সময়ে মানবাধিকারের কথা বলেন। অথচ তারাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের স্বঘোষিত খুনী ও একাত্তরের বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছেন।
এডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (ইআরডিএফবি) যেকোনো ধরনের মানবাধিকার লংঘনের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রণীতযশা শিক্ষক এবং গবেষকসহ শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিকল্পিত হত্যার ঘটনা, ৭১-এর গণহত্যা ও মানবাধিকার লংঘন, এবং বিভিন্ন সামরিক শাসনামলে হত্যা ও গুমের যে ঘটনা ঘটেছিল আমরা সেসব বিষয়েও মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ যারা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষার দাবি করেন তাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য ও বিচারের ব্যাপারে ভূমিকা রাখার দাবি জানাচ্ছে ইআরডিএফবি।
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। লাখো শহীদের প্রাণ ও অগনিত নির্যাতিতা মা-বোনদের ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। কারো দয়ায় নয়। তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সকল দূতাবাসকে বাংলাদেশের মর্যাদার পরিপন্থী কোনো কাজ না করার আহ্বান জানাচ্ছে ইআরডিএফবি । সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়' নীতিতে চলা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সারা বিশ্বেই সমাদৃত। বাংলাদেশের জনগণের এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সকল বন্ধু প্রতিম এবং উন্নয়ন সহযোগী রাষ্ট্রসমূহের দূতাবাস শ্রদ্ধাশীল থাকবে বলে ইআরডিএফবি দৃঢ়ভাবে করে। একইসাথে দেশের মানুষকে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ বিরোধী অপপ্রচার ও তৎপরতার বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানাচ্ছে।
এমএসএম / এমএসএম
ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করলো বিশ্বের বৃহৎ মুসলিম দেশ
ডিএমপির নতুন কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন
দুই দিনের সফরে ঢাকায় কাতারের শ্রমমন্ত্রী
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমানের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
ট্রেনে ঈদ যাত্রার শেষ দিনের টিকিট বিক্রি আজ
রাষ্ট্র ও সমাজকে মেরামত করতে হবে : তথ্যমন্ত্রী
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য অনেক বেশি বরাদ্দ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
পশ্চিমাঞ্চলের সব আসন শেষ, আধঘণ্টায় এক কোটি ২৭ লাখ হিট
ট্রেনে ঈদ যাত্রার ২৬ মে’র টিকিট বিক্রি আজ
বরুড়ায় প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত সভামঞ্চ
জ্বালানি নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত সমঝোতা সই
বিআরটিসির অগ্রিম টিকিট রোববার থেকে