ঢাকা বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করছে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা


রাফিকুল ইসলাম রাফি photo রাফিকুল ইসলাম রাফি
প্রকাশিত: ২১-২-২০২৩ রাত ১০:৩৬
আজ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করছে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত সর্বস্তরের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। ভাষা শহীদদের স্মরণে দিনব্যাপী দেশ ও বিদেশের নানা প্রান্তে বাঙালিরা শহীদ মিনারে পুষ্প অর্পনের মধ্য দিয়ে পালন করেছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস। বাঙালির ইতিহাস, ঐতিহ্য কিংবা চেতনার ধারক-বাহক অমর একুশে ফেব্রুয়ারি। বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিনের স্মৃতির স্মরণে পুস্পমাল্য অর্পন করেছে দিল্লিতে অবস্থিত দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া একঝাঁক বাংলাদেশী শিক্ষার্থী। এসময় উপস্থিত ছিলেন দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান সহ দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। প্রভাতফেরীতে দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন এবং প্রভাত ফেরি শেষে হাইকমিশনে অবস্থিত শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে সকলে শ্রদ্ধা জানায়। এ-যেন বিদেশের মাটিতে এক টুকরো বাংলাদেশ, যেখানে বাঙালি, বাংলাদেশীয়দের স্পর্শ। ভারতের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আইন, সমাজবিজ্ঞান, প্রকৌশল, কম্পিউটার সাইন্স, ইলেকট্রনিক সাইন্স, ন্যাচারাল সাইন্স, ব্যবস্থাপনা, চারুকলা, সংগীত, সাংবাদিকতাসহ অন্তত পাঁচশ’ কোর্সে বাংলাদেশীয় শিক্ষার্থী প্রতিবছরই লেখাপড়া করতে আসে।
 
১৯৭১ পরবর্তী ফারাক্কা বাধ, সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যা , চটগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চলের বিচ্ছনতাবাদিদের ভারতীয় সাহায্য সহ বিভিন্ন বিষয়ে উল্লেখযোগ্য দুরত্ব থাকলেও বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক সার্বিক দিক দিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ। দুটি দেশই একই সাথে সার্ক, বিমসটেক, আইওরা এবং কমনওয়েলথের সাধারণ সদস্য। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের ভূমিকা ভোলার কোনো সুযোগ নেই বাংলাদেশের। তখন বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক ভয়ংকর দানবীয় আক্রমণের মধ্যে পতিত হয়েছিল। সে সময় ভারত ছিল বাংলাদেশের মানুষের জন্য বড় ভরসা। ভারতেই মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার গঠিত হয়েছিল। অবশ্য সেই সরকার পরিচালনা খুব সহজ ছিল না। ভারত রাষ্ট্রের অনেক হিসাব-নিকাশের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে ওই সরকার অনেক রকম জটিলতায় পড়েছিল। রাষ্ট্রের এসব হিসাব-নিকাশের জন্য অপেক্ষায় না থেকে বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি শরণার্থীর পাশে ভারতের মানুষ, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়সহ বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ যেভাবে নিঃস্বার্থভাবে দাঁড়িয়েছিলেন, তা অবশ্যই অবিস্মরণীয় ঘটনা। বাংলাদেশ সব সময়ই তাদের সেই অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।
 
ভারতীয়রা বাংলাদেশের সংস্কৃতির ইতিহাসের স্বাক্ষী। একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার আন্দোলন নিয়ে ভারতীয়রা বাংলাদেশের জনগণের ইচ্ছার সমার্থক। বাংলাদেশে ভারত সম্পর্কে মানুষের মধ্যে যেসব বিষয়ে যুক্তিযুক্ত ক্ষোভ আছে, সেগুলো ভারতের মানুষের কাছে কখনই পরিষ্কার করা হয় না। বাংলাদেশ ভারত সম্পর্কে যতটা জানে, সেই তুলনায় ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কে জানেন অনেক কম। বাংলাদেশ ভারত থেকে বই পায়, প্রায় সবগুলো টিভি চ্যানেল দেখে। কিন্তু ভারতের মানুষ সহজে বাংলাদেশের টিভি দেখতে পারেন না, বাংলাদেশের বইপত্রও ভারতে যায় খুব কম। ভারতে মিডিয়ায় বাংলাদেশ সম্পর্কে সেসব খবরই গুরুত্ব পায় যাতে মনে হয় বাংলাদেশ ‘মৌলবাদ জঙ্গি’ অধ্যুষিত দেশ। কিন্তু এর বিরুদ্ধে লড়াই ও চিন্তার খবর ভারতে খুব কমই পৌছায়, ভারতের দিক থেকে ট্রানজিটের অর্থনৈতিক যুক্তি খুবই শক্তিশালী। কিন্তু এর ফলাফল বাংলাদেশে কি হবে সেদিকটি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে ভারতে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করে গোপনীয়তা ও বৈরিতার মাধ্যমে এর বাস্তবায়ন যেকোনোভাবেই টেকসই হবে না তা বলাই বাহুল্য।

এমএসএম / এমএসএম

ইরানকে সহযোগিতা : ৩৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

হিশামের বিষয়ে পুলিশকে আগেই সতর্ক করেছিল পরিবার

ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে গেল আমিরাত

ট্রাম্পকে শান্তি পুরস্কার দেওয়ায় ফিফার সমালোচনা, পদক বাতিলের দাবি

ইরানের নতুন প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে ইরানকে বড় ধরনের ছাড় দিতে হবে: ফ্রান্স

ইরানের নতুন প্রস্তাবে খুশি নন ট্রাম্প

৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান

শান্তি আলোচনা থেমে যাওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে

নৈশভোজে হামলাকারীর ‘লক্ষ্যবস্তু’ ছিলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রতিনিধি দলের পাকিস্তান সফর বাতিল করলেন ট্রাম্প

প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব বিপজ্জনক, আমি উদ্বিগ্ন কিন্তু খুব বেশি শঙ্কিত না

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে গভীর সংশয় ইরানের