ঢাকা শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

জাতিসংঘে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা বিষয়ক বাংলাদেশের প্রস্তাব গৃহীত


ডেস্ক রিপোর্ট  photo ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২৪-৭-২০২১ দুপুর ৩:২৬

প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্বের শিকার বিশ্বের ১১০ কোটি মানুষকে ২০৩০ সালের মধ্যে চক্ষু স্বাস্থ্য সেবার সুযোগ করে দেবে জাতিসংঘ। এই অঙ্গীকার নিয়েই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য বাংলাদেশের উত্থাপিত একটি রেজুলেশন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৩ জুলাই) 'ফ্রেন্ডস অব ভিশন'-এর পক্ষে রেজুলেশনটি সাধারণ পরিষদে উত্থাপন করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। রেজুলেশনটি উত্থাপনের সময় বাংলাদেশের সাথে যোগ দেয় গ্রুপটির অপর দুই সহ-সভাপতি ‘এন্টিগুয়া ও বারবাডোস’ এবং আয়ারল্যান্ড। এতে সর্বমোট ১১৫টি দেশ সহ-পৃষ্ঠপোষকতা করে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব নিরাময়ে সর্বসম্মতভাবে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাল। বিভিন্ন পর্যায়ের দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতার শিকার বিশ্বের ২০০ কোটিরও বেশি মানুষের চক্ষু স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমে সুযোগের নিশ্চিতে জাতিসংঘে অনানুষ্ঠানিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে দৃষ্টি বা ভিশন বিষয়ক এই ফ্রেন্ডস অব ভিশন।

সাধারণ পরিষদে প্রদত্ত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত রাবার ফাতিমা রেজুলেশনটিকে বিশ্বের সব দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য উৎসর্গ করেন। তিনি সব দেশের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে দেশগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের সব জনগণকে চক্ষু স্বাস্থ্য সেবায় পূর্ণ প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, আজকের এই রেজুলেশনটি চক্ষু সেবার বৈশ্বিক প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। রেজুলেশনটিতে নেতৃত্ব দিতে পেরে বাংলাদেশ সম্মানিত বোধ করছে।

বৈশ্বিকভাবে পরিচালিত একটি জরিপের উদাহরণ টেনে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা এবং অন্ধত্বজনিত কারণে মানুষের উৎপাদনশীলতা হারানোর ক্ষতির হিসেব অনুযায়ী সারাবিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হচ্ছে যা একটি বিশাল বৈশ্বিক আর্থিক বোঝা।

চক্ষু স্বাস্থ্য সেবার সুযোগ শুধু শিক্ষা থেকে শিশুদের ঝরে পড়ার হার ৪৪% হ্রাস করে না বরং এটি বেতনভুক্ত চাকরি পাবার সুযোগ ১০% বাড়িয়ে দেয়। অন্ধত্বের ক্ষেত্রে লিঙ্গসমতাও একটি ইস্যু, কারণ দেখা গেছে ৫৫% অন্ধ মানুষ মহিলা বা বালিকা; পুরুষদের তুলনায় তাদের অন্ধ হওয়ার সম্ভাবনাও ৮% বেশি।

যথাযথ চক্ষু স্বাস্থ্য সেবায় প্রবেশাধিকার নেই এমন মানুষগুলোর প্রায় ৯০ ভাগ বাস করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে। ২০১৮ সালের এক হিসেব মতে বাংলাদেশে ৩০ ও তদূর্ধ্ব বয়সের অন্ধ মানুষের সংখ্যা প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার এবং ৬০ লাখেরও বেশি মানুষের চশমা পরিধান বা অন্য কোনও উপায়ে দৃষ্টিজনিত সমস্যা সমাধানের প্রয়োজন হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে গৃহীত ‘ভিশন-২০২০’ শীর্ষক বৈশ্বিক পদক্ষেপ স্বাক্ষরকারী দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।

জামান / জামান

বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি

৬ দিনের সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রওনা হবেন রোববার

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬০ হাজার ৫৮৮ হাজি, সৌদিতে মৃত্যু ৫৪ বাংলাদেশির

দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কতা

প্রস্তাবিত বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নেবে : আইনমন্ত্রী

নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

ফলের বিকল্প ব্যবহারে কাজ করছে সরকার, তৈরি হচ্ছে কাঁঠালের সিঙাড়া-কাবাব: কৃষিমন্ত্রী

সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৫৮ হাজার ৬৩৯ হাজি

আমাদের প্রান্তিক কৃষক হবেন ক্ষমতায়িত উদ্যোক্তা : প্রধানমন্ত্রী

ডিসেম্বরের আগেই জলাবদ্ধতাসহ সিডিএ-এর তিন প্রকল্প শেষ হবে