ঢাকা রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

অনেক বাধা-বিপত্তির পরও ভোটের পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছি : শেখ হাসিনা


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৭-১-২০২৪ সকাল ৯:১০

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন আমরা সুষ্ঠুভাবে করতে পারছি এজন্য আমি আমার দেশের মানুষের প্রতি, জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। অনেক বাধা-বিপত্তি ছিল, কিন্তু দেশের মানুষ তাদের ভোটের অধিকারের বিষয় সচেতন হয়েছে। পাঁচ বছর পর নির্বাচন আসে জনগণ ভোট দেবে, সে নির্বাচনের ভোট দেওয়ার পরিবেশ আমরা তৈরি করতে পেরেছি । যদিও এখানে বিএনপি-জামায়াত জোট জ্বালাও-পোড়াও অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে।

রোববার (৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর সিটি কলেজে ভোট দেওয়া পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ট্রেনে আগুন দেওয়ার থেকে শুরু করে মানুষ পুড়িয়ে মারা, বোমা হামলা, ককটেল মারা, এসব জঘন্য কাজগুলো তারা (বিএনপি-জামায়াত) করেছে। বিএনপি গণতন্ত্রের বিশ্বাস করে না। দেশপ্রেম নাই, মানুষের কল্যাণও চায় না। তারা গণতন্ত্রের ভালো চায় না। ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রয়েছে বলেই উন্নতি হয়েছে। আমাদের সামনে আরো কাজ আছে, আমরা সম্পন্ন করতে চাই। 

তিনি বলেন, আশা করি নৌকা মার্কা জয় লাভ হবে। আবার আমরা জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে, আমরা যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি তা বাস্তবায়ন করতে পারব। জনগণের ওপর আমার এ বিশ্বাস আছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, আমি আবারও বলবো, আজকে সুষ্ঠুভাবে ভোটকেন্দ্রে আসবেন, আপনার ভোটটা অনেক মূল্যবান। এ ভোটের অধিকারের জন্য অনেক সংগ্রাম করেছি। জেল, জুলুম, অত্যাচার, গ্রেনেড, অনেক কিছু আমাকে মোকাবিলা করতে হয়েছে। আজকে ভোটের অধিকার মানুষের হাতে ফিরিয়ে দিতে পেরেছি, আজকে সেই ভোটের অধিকার পেয়েছে। সেটা তারা সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ করতে পারবে। নির্বাচনটা অবাধ নিরপেক্ষ হবে। জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দিক, নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে হয় তার জন্য আমরা জনগণের সব ধরনের সহযোগিতা চাই।

বিএনপি একটা সন্ত্রাসী দল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা (বিএনপি) নির্বাচনে বিশ্বাস করে না। কাজেই এরা তো ভোট কারচুপি আর মানুষের ভোট কেড়ে নেওয়া; এটাই তাদের চরিত্র। ২০০৮ সালে নির্বাচনে ৩০০ সিটের মধ্যে মাত্র ৩০ সিট পেয়েছিল বিএনপি, আর আওয়ামী লীগ এককভাবে পেয়েছিল ২৩৩ সিট। এরপর থেকে বিএনপি নির্বাচনের বিরুদ্ধে। মানুষের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা; এটাই তাদের চরিত্র।

তিনি বলেন, তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে চায়, তারা মানুষ হত্যা করে, গাড়িতে আগুন দিয়ে, বাসে আগুন দিয়ে, তারা ভোট কেন্দ্র পুড়িয়ে, তারা মনে করে ওটাই তাদের রাজনীতি। এটা করার কারণে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আজকের যে ভোটের পরিবেশ সুন্দরভাবে হয়েছে, আমি আশা করি, দেশে সব মানুষ তারা ভোট দিতে আসবেন, ভোট দেবেন। আপনার অধিকার আপনি প্রতিষ্ঠিত করবেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখবেন। বাংলাদেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এগিয়ে নেবেন, এটাই আমি চাই।

এর আগে সকাল ৮টার ৩ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঢাকা-১০ আসনের ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানমন্ডি সুধাসদনের ঠিকানায় ভোটার হওয়ায় তিনি এ কেন্দ্রে ভোট দেন।

এ সময় বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, তার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, ঢাকা-১০ আসনের নৌকার প্রার্থী নায়ক ফেরদৌস আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এমএসএম / এমএসএম

গণতন্ত্র একটি সংস্কৃতি, যা নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধাপে ধাপে তৈরি হয়

আইপিইউ সম্মেলনে যোগ দিতে তাঞ্জানিয়া গেলেন স্পিকার

মালয়েশিয়ায় প্রশিক্ষিত শ্রমিক পাঠানোর ওপরই গুরুত্ব দেওয়া হবে: শ্রমমন্ত্রী

কমলা ৫৫০, মাল্টা ৪৫০ টাকা কেজি

‘ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি হোয়াইট হাউস থেকেই দেওয়া হয়েছে’

ক্রীড়া ভাতায় ৩১ জন বাদ, যুক্ত হচ্ছেন আরও ৯৫ ক্রীড়াবিদ

গুজব ও উসকানি নিয়ে সতর্ক থাকতে পূজা উদযাপন পরিষদকে আহ্বান এসপি মাসুদের

যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আমলাতন্ত্র সংস্কারবিরোধী, আমলারা রাজনৈতিক প্রভুদের অধী‌নে চল‌তে চায়

লালবাগে যুব মহিলা লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শারমিন গ্রেপ্তার

সরকারি সেবা পেতে মানুষ‌কে যেন দরজায় দরজায় ঘুরতে না হয়

সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৩, প্রতিদিন গড়ে ১৪ জন

বাংলা‌দেশ‌কে দাতা-গ্রহীতার দৃষ্টিকোণ থেকে দে‌খে না ইইউ : মাইকেল মিলার