ঢাকা শনিবার, ২ মে, ২০২৬

অক্টোবরে ছাত্রী হলে উঠা হচ্ছেনা জবি শিক্ষার্থীদের


ইউছুব ওসমান, জবি  photo ইউছুব ওসমান, জবি
প্রকাশিত: ১৩-৯-২০২১ বিকাল ৭:৩২
আগামী ৭ অক্টোবর থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সশরীরে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত হলেও অক্টোবর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত একমাত্র ছাত্রী হল বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে উঠা হচ্ছেনা বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্রীদের। বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরি খুলে দিলে তবেই ছাত্রীরা হলে উঠতে পারবেন। সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দৈনিক সকালের সময়ের সাথে ফোনালাপে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামীমা বেগম।
 
তিনি বলেন, অক্টোবরের ৭ তারিখ থেকে তো শুধু পরীক্ষা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় তো আর খুলে দিচ্ছেনা। উপাচার্য মহোদয় বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় যখন খুলে দিবে তখন ছাত্রীরা হলে উঠবে। এখন তো শুধু পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তো আর হয়নি। তাই যখন বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে, একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হবে তখন ছাত্রীরা হলে উঠবেন। এখনও হলের  অল্প কিছু কাজ বাকি আছে, আমরা সেটা দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করছি।
 
এছাড়াও আগামী সপ্তাহ থেকে ছাত্রী হলে সিট বরাদ্দের জন্য অনলাইনে আবেদন শুরু হবে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, হলের নীতিমালায় কিছু সংশোধনের প্রয়োজন ছিল। সিন্ডিকেটে তা সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছিল। আমরা আজ সব কাজ শেষ করেছি। উপাচার্য মহোদয়ের স্বাক্ষর নিয়ে আগামীকালই আইটি দপ্তরে পাঠাবো। দুই-তিন দিনের   মধ্যেই সব কাজ শেষ হয়ে যাবে। আশা করি আগামী সপ্তাহ থেকেই অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে।
 
হলে ছাত্রী তুলার ব্যাপারে ঢাকার বাইরের শিক্ষার্থীদের দূরত্ব ও মেধাকে অগ্রাধীকার দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। এবিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকার বাইরের যেসব ছাত্রী অনেকটা দূরের তাদেরকে অগ্রাধীকার দেওয়া হবে। মেধার ভিত্তিতেও মূল্যায়ন করা হবে। আর ছাত্রীদের সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রতি বর্ষ অনুসারে আমরা সিটের বরাদ্দ করেছি। মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা বেশি সিট বরাদ্দ পাবে, এর পর অনার্স চতুর্থ বর্ষের, এরপর তৃতীয় বর্ষের। এভাবে বর্ষ অনুসারে সিট বরাদ্দ কমবে। আমরা প্রতিটি বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্যই সিট বরাদ্দ রেখেছি।
 
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হলটির নির্মাণের প্রথম দফায় মেয়াদ ছিল ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত। কাজ শেষ না হলে বাড়ে দ্বিতীয় মেয়াদ ২০১৩ সালের জুন থেকে ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত। এরপর তৃতীয় দফায় মেয়াদ ২০১৬ সালের জুন থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে ২০১৮ সালের জুন থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ মেয়াদ আরও বৃদ্ধি করায় বর্তমানে ফিনিশিং এর কাজ চলমান রয়েছে। কাজ বাকি থাকতেই গতবছরের ২০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে হলের উদ্বোধন করে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।

এমএসএম / এমএসএম

গোবিপ্রবি ও ঢাবির উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের মধ্যে গবেষণা সহায়তা চুক্তি

জাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে বামপন্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসে তরুণদের প্রতিনিধি রাবি শিক্ষার্থী

সার্ক শক্তিশালী হলেই, শক্তিশালী হবে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি

ইবিতে হযরত ফাতেমা (রাঃ) কে নিয়ে কটুক্তি

ডিআইইউ-তে ল’ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি ঘোষণা

প্রাণিস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেটেরিনারি দিবসে গবির শিক্ষার্থীদের ব্যস্ত দিন

শেকৃবিতে তিন দিনে ভর্তি ৪১৪ শিক্ষার্থী, ফাঁকা ২৯১ আসন

কৃষি গবেষণা ও প্রযুক্তি বিনিময়ে শেকৃবি-হকৃবি’র সমঝোতা চুক্তি

চবিতে চালু হলো অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম

রাবিসাসের নতুন কমিটি গঠন, নেতৃত্বে কাদির-মাহবুব

ইবির সঙ্গে রেললাইন সংযোগ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে - আইন মন্ত্রী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা