জুলাই আন্দোলনে জবি সহিংসতা গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েও অভিযুক্তদের নাম মিলছে না, আছে ‘আস্থার সংকট’
গত বছরের ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাস ও এর আশপাশের এলাকায় একাধিক সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একাধিকবার গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে সংশ্লিষ্টদের নাম চেয়েছে।
তবে একাধিকবার গণবিজ্ঞপ্তি দিলেও মাত্র ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে তারা সবাই নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, প্রমাণসহ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না দিলে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। ফলে এ গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যথাযথ তথ্য না দিলে এ দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের না।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আমাদের আস্থা কম: ছাত্রদল
• ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কোনো ভ্যালিড তথ্য নেই: ছাত্র অধিকার
• গণশুনানিতে সব উল্লেখ করেছি, লিখিত দিইনি: বৈষম্যবিরোধী
জবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দুর্বলতা আছে এবং তাদের প্রতি আমাদের আস্থা কম। এজন্য আমরা ছাত্রলীগের নাম দিইনি। আগেও অভিযুক্তদের নাম দেওয়া হয়েছে, ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন উপায়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
ছাত্র অধিকার পরিষদের জবি শাখা সভাপতি এ কে এম রাকিব বলেন, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে কোনো ভ্যালিড তথ্য নেই, তাই কারও নাম দেইনি। আমি একজন শিক্ষার্থী হিসেবে অনুসন্ধান করে নাম দেওয়ার সময় বা দায়িত্ব রাখি না, এটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনেরই কাজ। তারা চাইলে প্রতিটি বিভাগে খোঁজ নিয়ে দেখতে পারে কারা ছাত্রলীগের পদধারী ছিল এবং কারা এখনো পজিশনে আছে।
শাখা শিবিরের সভাপতি মো. রিয়াজুল ইসলাম জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেহেতু গোপনীয়ভাবে নাম চেয়েছে, আমরা সেভাবেই নাম দিয়েছি। এখানে সংগঠনের প্যাডে কিছু দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। প্রশাসন গোপনীয় তদন্ত করবে বলেছে, আমরাও সেটা অনুসরণ করেছি। কাদের নামে অভিযোগ দিয়েছি এটা বলতে চাচ্ছি না।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের শাখা সভাপতি ইভান তাহসিভ বলেন, গণশুনানিতে আমরা সব উল্লেখ করেছি। ফলে লিখিত দেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জবির আহ্বায়ক মাসুদ রানা বলেন, গণশুনানিতে আমরা সব উল্লেখ করেছি। এজন্য লিখিত দিইনি।
এ বিষয়ে জানতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের জবি শাখার সভাপতি আব্দুল ওয়াহিদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ায় বিলম্বের কারণ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, তদন্ত শেষ না হওয়ায় অভিযুক্তদের শনাক্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে
জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া বলেন, কোনো সংগঠনের পক্ষ থেকে অফিসিয়ালি কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও সাংবাদিকদের কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে।তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। সম্ভবত আরও মাসখানেক সময় লাগবে। তাই এখনই সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না অভিযুক্ত কতজন’- বলেন তিনি।
এমএসএম / এমএসএম
অষ্টম দিনে গড়াল পবিপ্রবির ডিভিএম শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী আলোচনায় সমাধানহীন সংকট
আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তিতে ধানের পোকা দমনে নতুন প্রযুক্তি: বছরে শত শত কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা
চবির ১ম বর্ষের ক্লাস শুরু ৩ মে
চবিতে নতুন ২ সহকারী প্রক্টর নিয়োগ
চাকসু সম্পাদকের ওপর হামলায় ঘটনায় গ্রেফতার ১
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হতে পারে ৭ জুন, থাকবে অভিন্ন প্রশ্নপত্র
রমজানের সংযমে ঈদের আনন্দ: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক রইস উদ্দিন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম
লটারি বাতিল, স্কুলে ভর্তি করা হবে পরীক্ষার ভিত্তিতে
কৃষি বাণিজ্য ও আগ্রোইকোলজি নিয়ে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের দুই বই উন্মোচন
জবি ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে এগিয়ে কে এম মাহমুদ হাসান