ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ প্রকোপ হতে পারে


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৪-৮-২০২৫ বিকাল ৭:৩৯

সেপ্টেম্বর মাসে উচ্চ আর্দ্রতা ও অবিরাম বৃষ্টিপাত মশার বিস্তারকে সহজতর করবে। ফলে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তির কারণে ডিএনসিসি ও ঢাকা শহরের হাসপাতালগুলো ভারী চাপের মধ্যে থাকবে বলে ধারণা করা হয়েছে ডেঙ্গু পরিস্থিতির পূর্বাভাস প্রতিবেদনে।
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুরে গুলশান-২-এ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কনফারেন্স রুমে ‘ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া সংলাপ আগস্ট ২০২৫: প্রতিরোধ, প্রস্তুতি ও নিরসন’-বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতির পূর্বাভাস প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
আগস্ট থেকে অক্টোবরের ডেঙ্গু পরিস্থিতির পূর্বাভাস প্রতিবেদন বলা হয়েছে, আগস্টে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়বে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা। এতে হাসপাতালগুলোতে ভর্তির চাপও বাড়তে পারে।
এ ছাড়া বিগত বছরের অভিজ্ঞতা অনুসারে, সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। উচ্চ আর্দ্রতা ও অবিরাম বৃষ্টিপাতে মশার বিস্তার বাড়বে, ফলে ঢাকা শহরের হাসপাতালগুলোতে ভারী চাপের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে অক্টোবর মাসে বর্ষা শেষে সংক্রমণ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও সুপ্ত কেস ও দ্বিতীয় দফায় প্রাদুর্ভাব চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এ সময়ও লার্ভিসাইডিং ও স্যানিটেশন কার্যক্রম জোরদার রাখার ওপর প্রতিবেদনে জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞেরা।
সভায় মশক নিয়ন্ত্রণে প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে বলা হয়েছে, জনগণের সচেতনতার অভাব, সঠিকভাবে কীটনাশক প্রয়োগ না করা ও অপর্যাপ্ত সরকারি উদ্যোগ। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, পানি নিষ্কাশন সমস্যা ও আবহাওয়ার প্রভাব মশার বংশবিস্তার বাড়াচ্ছে। বাসাবাড়িতে প্রবেশে বাধা ও কীটনাশকের প্রতি মশার প্রতিরোধ ক্ষমতাও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ব্যাহত করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতা ও ফগিংনির্ভর ভ্রান্ত ধারণা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
সভায় ডেঙ্গু রোধে কিছু সুপারিশ করা হয়েছে, বর্ধিত ভেক্টর নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিদিন লার্ভা ধ্বংস অভিযান চালানো, বিশেষ করে, ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডে। জনসমাগম ও নির্মাণস্থলে বিশেষ অভিযান ও ফেলে দেওয়া পাত্রের যথাযথ নিষ্কাশন নিশ্চিত করা। এসএমএস, সামাজিক ও স্থানীয় গণমাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানো। নির্মাণস্থলে পানি জমা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কঠোর আইন প্রয়োগ ও জরিমানা আরোপ করা। প্রতি সপ্তাহে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো।
তা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজউক, সিভিল অ্যাভিয়েশন, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডসহ সংস্থাগুলোর সমন্বয় জোরদার করা। প্রাদুর্ভাব এলাকায় দ্রুত সাড়া দিতে ডিজিটাল রিপোর্টিং সিস্টেম চালু করা। হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ডেঙ্গু ওয়ার্ড, পর্যাপ্ত সরঞ্জাম, প্রশিক্ষিত কর্মী ও দক্ষ ট্রাইএজ সিস্টেম নিশ্চিত করে জাতীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া।
সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলা শুধু সিটি করপোরেশন বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একক দায়িত্ব নয়, সবাইকে মিলেই কাজ করতে হবে। তিনি জানান, ঢাকায় হকার ও অনিয়ন্ত্রিত বাজারের কারণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হচ্ছে, যা মশার প্রজননে সহায়ক। তাই মশা নিধনের পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
মোহাম্মদ এজাজ আরও বলেন, সামনে আসা ডেঙ্গুর ঢেউকে গুরুত্ব দিয়ে মনিটরিং ও মোকাবিলা করা হবে। সবকিছু নিখুঁত না হলেও ধীরে ধীরে উন্নতির চেষ্টা চলছে। আগে কর্মীরা শুধু সই করে চলে যেতেন, এখন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মনিটরিং হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।

 

Aminur / Aminur

দোসরদের ধরতে গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

পারমিটের বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকলে আরোপ হতে পারে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা

বিশ্ব পর্যটন দিবস : ১৩ ক্যাটাগরিতে দেওয়া হবে ‘বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার’

মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় যুবককে কুপিয়ে জখম

মালয়েশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরেছেন চিফ হুইপ

কাটছে নিম্নচাপের প্রভাব, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাক্ষাৎ

দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

জাতিসংঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

আট বিভাগেই বৃষ্টির আভাস

‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে দরকার জনসচেতনতা’

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সুসংহত করতে সই কর‌লো বাংলাদেশ-ত্রিনিদাদ ও টোবাগো

মিছিলে ব্যবহারের জন্য মুখোশ ও ককটেল সংগ্রহ করেছিলেন যুবলীগ নেতা ইমন