ঢাকা সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬

গঠনতন্ত্রে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সংযোজন করে ইকসু'র দাবি


ইবি প্রতিনিধি photo ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৫-৯-২০২৫ দুপুর ৩:৩১

ইকসু নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত অংশগ্রহণ ও নিয়মিত শিক্ষার্থীদের গঠনতন্ত্রে যুক্ত করে নেতৃত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মৌলিক গঠনতন্ত্রে ৭ টি প্রস্তাবনা সংযুক্তিকরণের দাবি জানান তারা।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনে উপাচার্য কার্যালয়ে প্রস্তাবিত ধারার স্মরকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা।

তাদের দাবি— ইকসু নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করার জন্য কিছু মৌলিক ধারা গঠনতন্ত্রে সংযোজন করা একান্ত জরুরি। অতীতে দেখা গেছে, অছাত্র, দীর্ঘমেয়াদি এমফিল ও পিএইচডি শিক্ষার্থী এবং বহিরাগতদের সম্পৃক্ততায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতি বিকৃত হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ইকসু হবে কেবলমাত্র নিয়মিত শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের মঞ্চ।

প্রস্তাবিত দাবিসমূহ— অছাত্র নিষিদ্ধকরণ: বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের ব্যক্তি বা অছাত্র কোনোভাবেই ইকসুর প্রার্থী বা ভোটার হতে পারবে না। মাস্টার্সের ফল প্রকাশ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী স্বয়ংক্রিয়ভাবে অযোগ্য হিসেবে গণ্য হবে। এমফিল ও পিএইচডি সীমাবদ্ধতা: এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রার্থী কিংবা ভোটার হতে পারবে না, কারণ তারা তাদের নিয়মিত কোর্স (অনার্স-মাস্টার্স) সমাপ্ত করেছে।শুধুমাত্র নিয়মিত শিক্ষার্থী যোগ্য: কেবলমাত্র স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত নিয়মিত শিক্ষার্থীরাই ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে এবং প্রার্থী হতে পারবে। যাচাই ব্যবস্থা: প্রতিটি প্রার্থীর বয়স, একাডেমিক রেজিস্ট্রেশন, বৈধ শিক্ষার্থী পরিচয়পত্র ও ভর্তি সনদ যথাযথভাবে যাচাই করতে হবে।মাদকমুক্ত প্রার্থী নিশ্চিতকরণ: সকল প্রার্থীকে নির্বাচনের পূর্বে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে ডোপ টেস্ট করাতে হবে এবং সনদ জমা দিতে হবে।

পরিশেষে, আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি যে, উপরিউক্ত প্রস্তাবিত ধারা সমূহ ইকসুর গঠনতন্ত্রে অবিলম্বে সংযোজন করা হোক। এতে একটি মেধাভিত্তিক, মাদকমুক্ত ও শিক্ষার্থীবান্ধব নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকবে।

স্মারকলিপি উপস্থাপনের সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, এ বিষয়গুলো নিয়ে সকল ছাত্র সংগঠন একমত। গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটিকে পাঠিয়ে দিয়ে ড্রাফট দ্রুত হলে প্রকাশ করা হবে। তোমাদের সাথে শেয়ার করা হবে কারণ তোমরাই মেইন স্টেকহোল্ডার। তারপরে ফাইনালাইজ জন্য মিটিং দেয়া হবে। এর পরে সিন্ডিকেট করে দিবো।

নির্দিষ্ট সময়ে ইকসু নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি প্রতিনিয়ত খোঁজ নিচ্ছি, গঠনতন্ত্রে ড্রাফট হয়ে গেছে। আগামীকাল একাডেমিক কাউন্সিল আছে। আইনী সদস্য যারা আছেন তারাও আগামীকাল আসবেন। তাদের সাথে করে একটা মিটিং হবে। ইউজিসি চেয়ারম্যান স্যার বলেছেন দ্রুত পাঠাতে। চিফ এডভাইজারে অফিস থেকে অনুমোদন আছে দ্রুত প্রসেস করার জন্য।

এমএসএম / এমএসএম

জকসুর ২৩ কেন্দ্রের ফল, ফের ভিপি-জিএস-এজিএসেে এগিয়ে শিবির

জকসুর ৮ কেন্দ্রের ফল প্রকাশ, ভিপি পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

প্রধান শিক্ষককে অবৈধভাবে সাময়িক বহিষ্কারসহ অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

শেষ হলো জকসু নির্বাচন, শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ছাড়ার নির্দেশ

জকসু নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী শিক্ষার্থীরা

জকসুর ভোটগ্রহণ শুরু

নতুন বইয়ে উচ্ছ্বাস প্রাথমিকের শিশুদের, অপেক্ষায় মাধ্যমিক শিক্ষার্থীরা

শেকৃবিতে নিয়োগের সিন্ডিকেট সভা ঘিরে মারামারি

বুধবারের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা স্থগিত, নতুন তারিখ ৫ জানুয়ারি

জকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বাকৃবিতে আহকাবের উদ্যোক্তাবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

জকসু নির্বাচন: ভোটকেন্দ্রে ছাত্র সংগঠনের নেতাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

সারাদেশে স্কুল-মাদ্রাসার একযোগে বৃত্তি পরীক্ষা শুরু