ঢাকা সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬

বিএসইসি ও সিএসইর যৌথ উদ্যোগে 'এএমএল/সিএফটি কমপ্লায়েন্স' বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত


প্রেস বিজ্ঞপ্তি photo প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশিত: ৩-১১-২০২৫ বিকাল ৫:২৬

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই)-এর উদ্যোগে আজ ২ নভেম্বর রোজ রবিবার সিএসইর চট্টগ্রামস্থ প্রধান কার্যালয়ে “এএমএল/সিএফটি কমপ্লায়েন্স এন্ড রিস্ক বেসড সুপেরভিশন” বিষয়ক একদিন ব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। সিএসই-র এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এক্সচেঞ্জের সংশ্লিষ্ট সকল স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির কমিশনার মোঃ সাইফুদ্দিন, সিএফএ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিএসইসি-র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (ইডি), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর, মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, মোঃ আশরাফুল হাসান এবং সিএসইর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, এম সাইফুর রহমান মজুমদার, এফসিএ, এফসিএমএ, চীফ রেগুলেটরী অফিসার (সিআরও) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, সিএফএ সহ সিএসইর বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানরা।

সূচনা বক্তব্যে সিএসই-র চীফ রেগুলেটরী অফিসার মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, সিএফএ বলেন, অপ্রদর্শিত আয়কে লুকানোর যে প্রচেষ্টা তাকে মানি লন্ডারিং বলা হয়। এই কনসেপ্ট থেকে আজকের মানি লন্ডারিং শব্দটির প্রচলন। ব্যাংকের লেনদেনের সাথে এএমটি সরাসরি যুক্ত এবং পুঁজিবাজারের সাথে সম্পর্কও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, কমোডিটি মার্কেট নিয়ে সিএসইর কাজ চলছে, সেখানে এই প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিএসইসির কমিশনার মোঃ সাইফুদ্দিন, সিএফএ বলেন, মানি লন্ডারিং / কাউন্টারিং দি ফিনান্সিং অফ টেরোরিজম হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্লোবাল বিষয়। গ্লোবালি বাজার যত বেশী ইন্টিগ্রেটেড হয়, এই বিষয়টির গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ এখনও ফ্রন্টিয়ার মার্কেট পর্যায়ে আছে, এই অবস্থা থেকে উত্তরিত হয়ে এমারজিং মার্কেটে উন্নিত হতে হলে এই বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। তিনি CAMLCO বা BAMLCO-এর কাজগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এবং (know your customers/clients) বা “KYC” বা ‘আপনার ক্লায়েন্টকে জানুন’ পদ্ধতিটি কার্যকর বলে মত দেন। তিনি বলেন, প্লাম্বিং অর্থাৎ ট্রাস্ট এবং কাস্টোডিয়ান প্লাম্বিংকে ঠিক রাখতে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো জানতে হবে এবং টোটাল ইনফ্লো ও আউটফ্লো দেখতে হবে। মূল বিষয় হচ্ছে, পুঁজিবাজারে সিকিউরিটি বা টাকা যা ই লেনদেন হচ্ছে তার মাধ্যমে এই আইনগুলোর কোনো ব্যত্যয় হচ্ছে কিনা তা দেখা হলো এন্টি মানি লন্ডারিং আইন এর মূল বিষয়। সাইফুদ্দিন আরও বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ স্থাপন চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ-এর জন্য একটি নতুন দিগন্তের উন্মোচন হতে পারে। চিটাগং এর মার্কেন্টাইল ইতিহাসের ঐতিহ্যবাহী খাতুনগঞ্জের ডিও ব্যবসা, যা সবার কাছে অতি পরিচিত, তার পরিশুদ্ধ এবং আধুনিক রূপ হচ্ছে কমোডিটি ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জ। কমিশন এই ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি কমিশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ও পুঁজিবাজার এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে যেখানে ট্রান্সপারেন্সি, একান্টিবিলিটি এবং গভর্নেন্স হচ্ছে টেকসই উন্নয়নের জন্য মূল চালিকাশক্তি। পুঁজিবাজারের আস্থা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হলে একটি শক্তিশালী এএমএল সিএফটি কমপ্লায়েন্স কালচার গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরী। তিনি উল্লেখ করেন, অর্থ পাচার, জালিয়াতি এবং সন্ত্রাসী তহবিল সংগ্রহ আন্তর্জাতিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং এর প্রভাব থেকে আমাদের পুঁজিবাজার সম্পূর্ণ মুক্ত নয়। এ কারণে বিএসইসি এএমএল/সিএফটি বিষয়ক আইন কানুন বিধিমালা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তিনি জানান, এটি হলো ২০২৫ সালে আয়োজিত মোট ০৪টি ব্যাচের মধ্যে একটি এবং শুরু থেকে এই পর্যন্ত মোট ১০টি কর্মশালার সফল আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। আজকের কর্মশালা ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা’ ২০১৯ এর ৩২(৮) বিধি অনুসারে আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিটি CAMLCO এবং মধ্যেস্ততাকারী কর্মকর্তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ এবং আমাদের প্রত্যক্ষ তদারকি, সঠিক যাচাই বাছাইকরণ, সঠিক রিপোর্টিং এবং সন্দেহজনক লেনদেন সনাক্তকরণ-এর মাধ্যমে এই বিধিমালার লক্ষ্য বাস্তবায়নের কার্যকারিতা নির্ভর করে।

এরপর কমিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মোহাম্মদ নুরুজ্জামান এবং মোঃ আশরাফুল হাসান “এএমএল/সিএফটি কমপ্লায়েন্স এন্ড রিস্ক বেসড সুপেরভিশন” এর উপর বিশদ উপস্থাপনা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে সিএসই-র ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এম সাইফুর রহমান মজুমদার, এফসিএ, এফসিএমএ, বলেন- পুঁজিবাজারে সম্পৃক্ত সকল স্টেকহোল্ডারদেরই মানি লন্ডারিং ও টেররিস্ট ফিনান্সিং এর কমপ্লায়েন্স পরিপালনের বিষয়ে কাঠামোগতভাবে দায়-দায়িত্ব রয়েছে। তিনি বলেন, এক দেশ থেকে আরেক দেশে যে লেনদেনসমূহ হয়, তার একটি নির্দিষ্ট মানদন্ড থাকে, আর কোনো দেশের আইনগত কাঠামো কত স্বচ্ছ তার উপর ঐ দেশের কান্ট্রি গ্রেডিং নির্ভর করে। তিনি বলেন, রিপোটিং প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই আইন পরিপালনকে বারডেন হিসেবে না দেখে নিজেকে সব সময় প্রস্তুত রাখতে হবে এবং নিয়মিত ট্রেনিং এর মাধ্যমে নিজেকে উন্নত করতে হবে। তিনি উপস্থিত সকলকে কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সকল নিয়মাবলী মেনে পুজিঁবাজারের ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য অনুরোধ জানান এবং সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অনুষ্ঠানটি শেষ করেন।

এমএসএম / এমএসএম

বৈজ্ঞানিক গবেষণা, উচ্চশিক্ষা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন জোরদারে দেশি–বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্ব বিকাশ প্রশিক্ষণ কোর্স উদ্বোধন

অনুষ্ঠিত হলো আইইউবিএটি’র ৯ম সমাবর্তন

ঢাকা ব্যাংক ও বায়ার ক্রপসায়েন্স লিমিটেডের মধ্যে ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সেবা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর

নগদ ওয়ালেটে বৈদেশিক রেমিট্যান্স বিতরণে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ও নগদ এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ২০২৬ সালের ব্যবস্থাপক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৪৫১তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

এনআরবিসি ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন ‘বিজকন ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

মানোন্নয়নের পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষাকে কর্মমুখী করতে কাজ করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ঃভাইস-চ্যান্সেলর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ঢাকা বিভাগের ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি’র উদ্যোগে ব্যামেলকো কনফারেন্স-২০২৬ অনুষ্ঠিত

ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের বগুড়া শাখার উদ্বোধন

ট্রাস্ট ব্যাংকের ম্যানেজার্স কনফারেন্স ২০২৬ অনুষ্ঠিত