ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইরানে উত্তেজনা প্রশমনে পেজেশকিয়ানকে কি পরামর্শ দিলেন পুতিন?


আন্তর্জাতিক ডেস্ক  photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭-১-২০২৬ দুপুর ১১:১১

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যার পর পেজেশকিয়ানকে ফোন করেন পুতিন।
গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ইরানে বিক্ষোভ শুরুর পর এই প্রথম দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে টেলিফোনে কথা হলো। এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর ক্রেমলিন থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “টেলিফোনে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং উত্তেজনা প্রশমনের মাধ্যমে দেশকে স্বাভাবিক রাখতে সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টা সম্পর্কে সংক্ষেপে প্রেসিডেন্ট পুতিনকে অবহিত করেন।”
“বিক্ষোভের জেরে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যে উত্তেজনা দেখা দেখা দিয়েছে— তা যত দ্রুত সম্ভব হ্রাস করা এবং কেবলমাত্র রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে যে কোনো উদীয়মান সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে উভয় প্রেসিডেন্ট সম্মত হয়েছেন।”
“সেই সঙ্গে কৌশলগত বিভিন্ন খাতে ইরান এবং রাশিয়ার মধ্যে যে পারস্পরিক প্রতিশ্রুতিমূলক সম্পর্ক— তা আরও এগিয়ে নিতে একমত হয়েছেন তারা।”
গত প্রায় ২০ দিন ধরে দেশজুড়ে তীব্র সরকারবিরোধী বিক্ষোভের জেরে রীতিমতো কেঁপে উঠেছে ইরান। ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লাবের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসীন হওয়া ইসলামি প্রজাতন্ত্রি সরকার তাদের শাসনামলের ৪৭ বছরে এত বড় মাত্রার বিক্ষোভ-আন্দোলন প্রত্যক্ষ করেনি।
এই আন্দোলন-বিক্ষোভ উস্কে ওঠার প্রাথমিক কারণ দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতি । বছরে পর বছর ধরে অবমূল্যায়নের জেরে ইরানের মুদ্রা ইরানি রিয়েল বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রার স্বীকৃতি পেয়েছে। বর্তমানে ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়েলের মান ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৫৫। অর্থাৎ ইরানে এখন এক ডলারের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৫৫ ইরানি রিয়েল।
বছরে পর বছর ধরে অবমূল্যায়নের জেরে ইরানের মুদ্রা ইরানি রিয়েল বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রার স্বীকৃতি পেয়েছে। বর্তমানে ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়েলের মান ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৫৫। অর্থাৎ ইরানে এখন এক ডলারের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৫৫ ইরানি রিয়েল।
জাতীয় মুদ্রার এই দুরাবস্থার ফলে দীর্ঘদিন ধরে ভয়াবহ মূল্যস্ফীতি চলছে ইরানে। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসার মতো মৌলিক চাহিদাগুলো মেটাতে রীতিমতো হিমসিম খাচ্ছেন ইরানের সাধারণ জনগণ।
এই পরিস্থিতিতে গত গত ২৮ ডিসেম্বর মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক দেন রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন বাজারের পাইকারি ও খুচারা ব্যবসায়ীরা। সেই ধর্মঘট থেকেই বিক্ষোভের সূত্রপাত।
এরপর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের ৩১টি প্রদেশের প্রায় সবগুলো শহর-গ্রামে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভ এবং দিনকে দিন বিক্ষোভের তীব্রতা বাড়তে থাকে। বর্তমানে পুরো দেশকে কার্যত অচল করে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভ দমনে ইতোমধ্যে ইন্টারনেট-মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করেছে ইরান, সেই সঙ্গে দেশজুড়ে মোতায়েনপুলিশ-নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি মোতায়েন করেছে সেনাবাহিনী। জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংখাতে ইতোমধ্যে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সেই সঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন আরও হাজার হাজার বিক্ষোভকারী।
বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে ইরান।

সূত্র : আরটি

 

এমএসএম / এমএসএম

ইউক্রেনের ড্রোন হামলার মধ্যেই পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়ের পথে পুতিনের দল

ইয়েমেনের মারিবে ভয়াবহ সেনা-হুথি সংঘাত, ৮০ জনের বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত

জ্বালানির বাড়তি কর বাতিলের দাবিতে পাকিস্তান জামায়াতের ট্রেন মার্চ

লাহোরে ইমরান খানের বোন আলিমা গ্রেপ্তার

সৌদির পক্ষে যুদ্ধ নামতে প্রস্তুত তুরস্ক

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া

আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে নেতানিয়াহু, করলেন প্রার্থনা

অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত, হুথিদের ওপর হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের শর্ত না মানা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে

মস্কোতে ইউক্রেনের বিশাল ড্রোন হামলা

আলাদা ইসলামিক দেশ গঠনের আগ পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা থাই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সতর্কতা জারি, অবকাশ থেকে আকস্মিক ফিরে এলেন ট্রাম্প

বাব এল-মান্দেব প্রণালি পরিদর্শন করল ইরানের বিপ্লবী গার্ড