ঢাকা বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬

এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা মান্নার


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১-১-২০২৬ দুপুর ১১:৫২

বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা না হওয়ায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)-এর পর এবার মাহমুদুর রহমান মান্নার দল নাগরিক ঐক্যও এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে জেএসডি বিএনপির কাছ থেকে ছাড় না পেয়ে আলাদা নির্বাচন করার ঘোষণা দেয়। এবার একই কারণে বিএনপির দীর্ঘদিনের মিত্র নাগরিক ঐক্যও সেই পথেই হাঁটল।
এই বিভক্তির মূল কারণ মান্নার নির্বাচনী এলাকা বগুড়া-২ আসন। এই আসনে বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে নিজেদের নেতা শাহে আলমকে মনোনয়ন দেয় এবং শেষ পর্যন্ত তা প্রত্যাহার না করায় নাগরিক ঐক্যের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়।
এ বিষয়ে সমাধানের জন্য মাহমুদুর রহমান মান্না একাধিকবার বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো ফল হয়নি। পরে গত সোমবার তিনি জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ঢাকা-১৮ ও বগুড়া-২—এই দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ছাড়া আরও ১০টি আসনে দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১০ জন নেতার নাম প্রকাশ করে তাদের সঙ্গে আসন সমঝোতার কথা বলেছিলেন। ওই তালিকায় মাহমুদুর রহমান মান্নার নামও ছিল। কিন্তু পরে বিএনপি বগুড়া-২ আসনে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতা শাহে আলমকে ধানের শীষ প্রতীক দেয় এবং তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।
এ প্রসঙ্গে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, তিনি ভেবেছিলেন সমঝোতার ভিত্তিতে বিএনপি তার আসনে প্রার্থী দেবে না। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। তার ভাষায়, বিএনপি তাদের প্রার্থী রেখে তাকে উপেক্ষা করেছে। এখন আর সমাধানের কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, রাজনীতি করবেন বলেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলেও তা পাওয়া যায়নি।
এর আগে জেএসডিও বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা না হওয়ায় এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দেয়। গত ২৬ ডিসেম্বর দলটি এই সিদ্ধান্ত জানায়। জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। ২০১৮ সালেও তিনি ওই আসনে জোটের প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু এবার বিএনপি আসনটি ছাড়তে রাজি না হওয়ায় জেএসডি আলাদা নির্বাচনের পথে যায়।
২০১৩ সালের পর থেকে বিভিন্ন সরকারবিরোধী আন্দোলনে মাহমুদুর রহমান মান্নার সঙ্গে বিএনপির রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা স্পষ্ট হয়। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক ছিল নাগরিক ঐক্য। সে সময় দলটি জোটের প্রার্থী হিসেবে পাঁচটি আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে। এর মধ্যে বগুড়া-২ আসনে নিজেই প্রার্থী ছিলেন মান্না। তবে নির্বাচনের পর ঐক্যফ্রন্ট তেমন কার্যকর থাকেনি।
২০২২ সালের আগস্টে জেএসডি, নাগরিক ঐক্যসহ ছয়টি দল নিয়ে গঠিত হয় গণতন্ত্র মঞ্চ। এই জোটকে সঙ্গে রেখেই বিএনপি সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়। তখন বিএনপি আশ্বাস দিয়েছিল, সমমনা মিত্র দলগুলোর যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরও একই আশ্বাস দেওয়া হয়।
বিএনপির দাবি, আরপিও অনুযায়ী প্রতিটি দলকে নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে এবং ধানের শীষ প্রতীকে অন্য দলগুলোর প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। তবে এরপরও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও নাগরিক ঐক্যকে মোট আটটি আসন ছাড় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নাগরিক ঐক্যের একমাত্র আসনেও বিএনপি নিজ দলের প্রার্থী দেয়।

Aminur / Aminur

ফুটবল প্রতীক পেলেন তাসনিম জারা

এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা মান্নার

ধানের শীষ পেলেন নবী উল্লা, দাঁড়িপাল্লা পেলেন মোহাম্মদ কামাল হোসেন

কড়াইল বস্তির বাসিন্দাদের ফ্ল্যাট দেওয়ার আশ্বাস তারেক রহমানের

ক্ষমতায় গেলে শুধু দল নয়, যোগ্য লোকদের মন্ত্রী বানাবে জামায়াত : ডা. তাহের

অতীতে বাংলাদেশকে যারা স্বীকার করে নাই, তারাই সবচেয়ে বেশি দুষ্টামি করছে

‘বিভাজন নয়, ঐক্যই হবে রাজনীতির ভিত্তি’

আশ্বস্ত হয়ে ইসি ছাড়ল ছাত্রদল

ব্যবসায়ীরা নয়, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চাই : আসিফ মাহমুদ

নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রয়েছে বিএনপির : মির্জা ফখরুল

সব ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন মুশফিকুর রহমান

প্রশাসন বিএনপির দিকে হেলে পড়লে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে: জামায়াত

জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা ডিপার্টমেন্ট তৈরি করব : তারেক রহমান