ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দুই চিঠির রহস্যে আবারও আলোচনায় চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৭-৬-২০২৬ দুপুর ১:২

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একই দিনে একই স্মারক নম্বর ব্যবহার করে জারি করা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দুটি পৃথক চিঠিকে কেন্দ্র করে বন্দর অঙ্গনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এক চিঠিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চলমান আলোচনা এগিয়ে নেওয়া অথবা অনাগ্রহ থাকলে পুরো প্রক্রিয়া বাতিলের কথা বলা হয়েছে। অন্য চিঠিতে আবার একই প্রকল্পে আলোচনা অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন-১ অধিশাখা থেকে জারি করা দুটি চিঠির ভাষ্য সামনে আসার পর এনসিটি ইস্যুতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। 

প্রথম চিঠিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চলমান নেগোসিয়েশন এগিয়ে নেওয়া অথবা তা বাতিলের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। কিছুক্ষণ পর জারি হওয়া আরেকটি চিঠিতে মন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নেগোসিয়েশন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এদিকে বিষয়টি সামনে আসতেই আবারও সরব হয়েছেন বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীরা। তাদের অবস্থান আগের মতোই অপরিবর্তিত। তারা বলছেন, বিদেশি বিনিয়োগের বিরোধিতা নয়, আপত্তি রয়েছে একটি সচল ও লাভজনক টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগে।

আন্দোলনকারীদের দাবি, বে-টার্মিনালের তিনটি টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়ার উদ্যোগে তারা আপত্তি করেননি। একইভাবে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়েকে দেওয়ার সময়ও কোনো আন্দোলন হয়নি। কারণ সেখানে বন্দরের নিজস্ব আধুনিক যন্ত্রপাতি ছিল না। কিন্তু এনসিটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতা। এটি বন্দরের নিজস্ব ইকুইপমেন্ট ও জনবল দিয়ে পরিচালিত একটি পূর্ণাঙ্গ এবং লাভজনক টার্মিনাল।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এনসিটিতে চট্টগ্রাম বন্দরের মোট কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের প্রায় ৪৪ শতাংশ সম্পন্ন হয়। বন্দরের ১৮টি কি-গ্যান্ট্রি ক্রেনের মধ্যে ১৪টিই এই টার্মিনালে স্থাপিত। ফলে এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি অপারেটরের হাতে গেলে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের একটি বড় অংশের কার্যক্রম তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে।

এর আগে উচ্চ আদালতে এনসিটি বিদেশি অপারেটরের কাছে দেওয়ার প্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জ করে করা রিট খারিজ হওয়ার পর বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীরা আন্দোলনে নামেন। পরে সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক দুটি চিঠির পর আবারও আলোচনায় এসেছে এনসিটির ভবিষ্যৎ এবং ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সরকারের চলমান আলোচনা।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার বিরোধিতা করে বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খোকন জানান, এ বিষয়ে নৌ মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক দুটি চিঠি তাদের বিস্মিত করেছে। তার দাবি, অন্তর্বর্তী সরকার আন্দোলনের মুখে এ উদ্যোগ থেকে সরে এলেও বর্তমান সরকার কেন আবার বিষয়টি সামনে আনছে তা বোধগম্য নয়। এনসিটি দেশের মোট কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের প্রায় ৪৫ শতাংশ পরিচালনা করে এবং এর আয়ও রেকর্ড পরিমাণ। 

দেশীয় ব্যবস্থাপনাই সফলভাবে টার্মিনাল পরিচালনা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তরের কোনো প্রয়োজন নেই। এ বিষয়ে তাদের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে বলে জানান তিনি।

এমএসএম / এমএসএম

কারিগরি ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষায় জোর দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রতিটি জেলা-উপজেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করবে সরকার

বছরজুড়ে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নজরদারি জোরদার হবে

বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস রাষ্ট্রপতির

ডিএমপির মিরপুর ও লালবাগ বিভাগে নতুন দুই উপ-পুলিশ কমিশনার

জাতীয় তিন দেশে নতুন কনস্যুলেট খুলছে সরকার

তেলের দাম বৃদ্ধি, চুক্তি দর সমন্বয় চান বন্দরের বার্থ অপারেটররা

সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

মোহাম্মদপুর-কেরানীগঞ্জের চিহ্নিত চাঁদাবাজ কাইল্ল্যা ফারুক গ্রেপ্তার

হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩০৫

গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

পালানোর অভিযোগে চাকরি গেল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তার

যুক্তরাজ্যে ৯৯.৮ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্য পাবে শুল্কমুক্ত সুবিধা