ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

সীমান্ত সমস্যার একমাত্র সমাধান কাঁটাতারের বেড়া নয় : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮-৬-২০২৬ দুপুর ১২:৪০

সীমান্তে কেবল কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণকে সীমান্ত সমস্যার একমাত্র বা পূর্ণাঙ্গ সমাধান হিসেবে দেখা বাস্তবসম্মত নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, পুশ-ইন, সীমান্ত হত্যা, চোরাচালান ও অনুপ্রবেশের মতো স্পর্শকাতর ও জটিল সমস্যাগুলোর দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর সমাধানের জন্য একটি সমন্বিত জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন করা অপরিহার্য।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে আধুনিক প্রযুক্তি, পর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, সঠিক গোয়েন্দা তথ্য, আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি এবং পর্যাপ্ত জনবল দিয়ে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে।
তবে সীমান্ত সুরক্ষায় কেবল সামরিক বা প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণই যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিরাপত্তার পাশাপাশি সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যে সমস্ত সীমান্ত এলাকায় কর্মসংস্থানের সুনির্দিষ্ট সুযোগ নেই, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অপর্যাপ্ত এবং রাষ্ট্রীয় সেবার উপস্থিতি খুবই দুর্বল, সেখানে শুধু কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা অসম্ভব। সীমান্তবাসী যদি মৌলিক সুযোগ-সুবিধা ও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থাকে, তবে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কখনোই টেকসই হতে পারে না।
পোস্টে তিনি একটি শক্তিশালী সীমান্ত গড়ে তোলার জন্য তিনটি মূল ভিত্তির কথা উল্লেখ করেন— শক্তিশালী সীমান্তরক্ষী বাহিনী, আধুনিক জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং উন্নত সীমান্ত জনপদ। তিনি বলেন, সীমান্তবাসীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আধুনিক হাসপাতাল ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং তাদের পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। কারণ, সীমান্তের মানুষ কেবল ভৌগোলিকভাবেই নয়, বাস্তব অর্থেও রাষ্ট্রের প্রথম সারির প্রতিরক্ষা স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে।
তিনি আরও যোগ করেন, জাতীয় নিরাপত্তা কেবল কাঁটাতারের ওপর নির্ভরশীল নয়; এটি মূলত শক্তিশালী সীমান্তরক্ষী বাহিনী, কার্যকর রাষ্ট্রীয় উপস্থিতি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নাগরিক আস্থা এবং সীমান্তবাসীর মর্যাদার ওপর টিকে থাকে। একটি দূরদর্শী রাষ্ট্র সীমান্তকে কেবল নিরাপত্তার চোখ দিয়ে দেখে না, বরং একে উন্নয়ন, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় সংহতির একটি সমন্বিত প্রশ্ন হিসেবে বিবেচনা করে। তাই সীমান্ত সমস্যার টেকসই সমাধানের পথ হলো— শক্তিশালী সীমান্ত, শক্তিশালী সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং শক্তিশালী সীমান্ত জনপদ।

Aminur / Aminur

সৌদিতে নিহত মুফতি নাসরুল্লাহর পরিবারের পাশে এনসিপি, খোঁজ নিলেন নাহিদ

দুই পুলিশ সদস্যকে বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা

‘আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতিতে দেশে প্রতিনিয়ত হত্যাকাণ্ড ঘটছে’

ভারতীয় হাইকমিশনারকে বহিষ্কারের দাবিতে দূতাবাস ঘেরাওয়ের ঘোষণা

‘দীনেশ ত্রিবেদীর অবাধে চলাফেরা দেশের প্রশাসনিক স্বাধীনতার প্রতি অবমাননা’

মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে বিএনপি পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত : আবদুস সালাম

সংখ্যালঘুদের স্বার্থরক্ষা সরকার ও বিরোধী উভয় দলের দায়িত্ব: গোলাম পরওয়ার

সৌদিগামী যাত্রী ও প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যবস্থা নিন

'সারা পৃথিবী যাকে সম্মান করে, তাকে ন্যাক্কারজনকভাবে অপমান করা হয়েছে'

পলাতক ফ্যাসিস্টদের হুংকারে কাজ হবে না, চক্রান্ত ভেস্তে দেবে জনগণ: আমান

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের জানাজা অনুষ্ঠিত

ড. ইউনূসের সঙ্গে সন্ত্রাসীরা যে অপকর্ম করেছে, তার দায় শেখ হাসিনারই