বেলজিয়ামকে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন
বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ১৬ বছর পর সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। এর আগে ২০১০ সালে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল এবং ফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করে স্প্যানিশরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই দাপুটে ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। সেই সুবাদে এগিয়েও যায় ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে কিছুক্ষণ পরেই সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণ চললেও পুরো সময়ে গোল আসে একটি। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে সেই গোল করে স্পেন। তাতেই ২-১ গোল ব্যবধানে জয় নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।
ম্যাচের শুরুতে পেদ্রির পরিবর্তে আজ শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন ফাভিয়ান রুইজ। কোচের সেই আস্থার প্রতিদান দিতে বেশি সময় নেননি তিনি। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে চমৎকার এক দলীয় আক্রমণ থেকে স্পেনকে লিড এনে দেন এই মিডফিল্ডার।
ডি-বক্সের খুব কাছ থেকে দানি ওলমোর নেওয়া জোরালো শটটি বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া দুর্দান্তভাবে প্রতিহত করলেও পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি।
রিবাউন্ড থেকে ধেয়ে আসা বল লুফে নিতে কোনো ভুল করেননি রুইজ। তার নেওয়া শটটি বেলজিয়ান ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে সরাসরি জালে জড়িয়ে যায়। এতে এগিয়ে যায় স্পেন। তবে গোল হজমের পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে বেলজিয়াম। স্পেনের এতদিনের অভেদ্য রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে চমৎকার এক পাল্টা-আক্রমণ সাজায় তারা।
ম্যাচের ৪১তম মিনিটে নিখুঁত এক ফিনিশিংয়ে স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমনকে পরাস্ত করে বল জালের ঠিকানায় পাঠান চার্লস ডি কেটেলারা। চলতি বিশ্বকাপে এটিই স্পেনের জালে জড়ানো প্রথম গোল। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত একটি গোলও হজম না করা স্পেনের শক্তিশালী রক্ষণদুর্গ অবশেষে ভাঙতে সফল হয় বেলজিয়াম। ডি কেটেলারার এই গোলের পর ম্যাচে ১-১ সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে বড় ধরনের ধাক্কা খায় বেলজিয়াম। চোটের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। কোর্তোয়ার পরিবর্তে স্পেনের আক্রমণভাগকে আটকানোর কঠিন দায়িত্ব নিয়ে গোলপোস্টের নিচে বদলি হিসেবে নামেন তরুণ গোলরক্ষক সেনে ল্যামেন্স।
ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে বেলজিয়ামের ডি-বক্সের ভেতর সৃষ্টি হওয়া জটলা থেকে বল পেয়ে যান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। বল পাওয়া মাত্রই কোনো ভুল না করে ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শটে বল গোলপোস্টের একদম মাঝখান দিয়ে জালের ঠিকানায় পাঠান তিনি।
এরপর ম্যাচে আর কোনো গোল আসেনি। ফলে ২-১ গোল ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন স্পেন।
এমএসএম / এমএসএম
ইংলিশ পরীক্ষায় পাস করতে হালান্ডদের সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ
বেলজিয়ামকে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন
আর্জেন্টিনার ম্যাচে যে কারণে ইংলিশ রেফারি ‘নিষিদ্ধ’
ফ্রান্সের বিপক্ষে স্পেনকে স্বস্তি দিচ্ছে যে পরিসংখ্যান
দুর্বল রক্ষণভাগ নিয়ে বিব্রত আর্জেন্টিনা
ইংল্যান্ডে কি থামবে হালান্ডদের স্বপ্নযাত্রা
কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনার সামনে আরেক ‘ভোজিনহা’
বাংলাদেশ দলকে জরিমানা করল আইসিসি
মেসিকে ছাড়িয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে এমবাপে, আরও যত রেকর্ড
‘ফ্রান্সের খেলা মানসম্মত’, হার মানলেন মরক্কোর কোচ
সেই আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচের তারা এখনো আছেন
বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ