ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

'ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি, বাস্তবায়ন হচ্ছে না বিধিমালা'


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪-১০-২০২৬ দুপুর ১১:৪৪

বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

তিনি বলেন, ২০২১ সালে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা প্রণয়ন করা হলেও পরিবেশ অধিদপ্তরের দক্ষতা ও সমন্বয়ের ঘাটতির কারণে তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক ই-বর্জ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে টিআইবি ও WEEE Society Bangladesh-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সুশাসন: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্ত নেই। ফলে এ খাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রতিটি জেলায় ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপনের অঙ্গীকার রয়েছে। পাশাপাশি সোলার সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হলেও এসব ব্যবস্থায় ব্যবহৃত পণ্যের বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের ৪১টি জেলায় প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নষ্ট অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এসব ইভিএমের ব্যবস্থাপনা বা পুনর্ব্যবহারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই।

আজ বুধবার বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক ই-বর্জ্য দিবস। এদিকে বিশ্বে দ্রুত বাড়ছে ইলেকট্রনিক বর্জ্যের পরিমাণ। জাতিসংঘের গ্লোবাল ই-ওয়েস্ট মনিটর ২০২৪ অনুযায়ী, ২০২২ সালে বিশ্বে ৬ কোটি ২০ লাখ টন ই-বর্জ্য তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশেও বাড়ছে পুরোনো ও অকেজো ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিমাণ।

দেশে বছরে কতটুকু ই-বর্জ্য তৈরি হচ্ছে, এবং সেগুলো কতটা নিরাপদে পুনর্ব্যবহার হচ্ছে আর কতটা পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ছে, তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব নেই। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১৬ সালে দেশে ই-বর্জ্যের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ১০ হাজার টন। ২০১৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লাখ টনে। ওই সমীক্ষায় বছরে প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধির হার ধরে ২০৩৫ সালে ই-বর্জ্যের পরিমাণ ৪৬ লাখ টনে পৌঁছানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে গবেষণা করে। ৩০ ডিসেম্বর প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, ভোক্তা পর্যায়ে ই-বর্জ্য সংগ্রহের প্রায় ৯৭ শতাংশ হয় অনানুষ্ঠানিক খাতে। এ খাতের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান মাত্র সাতটি।

aliul / aliul

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, বাদ কুমিরা স্টপেজ

উপকূলীয় তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

'ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি, বাস্তবায়ন হচ্ছে না বিধিমালা'

সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, অনিশ্চয়তায় ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী

সাবেক এমপি সালাউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে স্পিকারের শোক

রাজধানীর তিন অভিজাত হোটেল-বারে অভিযান, মিলল নানা অনিয়ম

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩০, মামলা ৪২

বিশ্ব মান দিবস আজ

দুই সমঝোতা স্মারক সই করল বাংলাদেশ-কিরগিজস্তান

আলজেরিয়াকে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান

মালয়েশিয়ায় ওয়ার্ক পারমিটের নামে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়, গ্রেপ্তার ১

নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় নিন্দা জানালো সরকার