ওমিক্রনে হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি ডেল্টার তিন ভাগের একভাগ : গবেষণা
করোনাভাইরাসের অতিসংক্রামক ধরন ডেল্টার তুলনায় এই ভাইরাসটির নতুন রূপান্তরিত ধরন ওমিক্রনে আক্রান্তদের গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি বেশ কম, তিন ভাগের একভাগ। যুক্তরাজ্যে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। শুক্রবার যুক্তরাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা ইউকে হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সির (ইউকেএইচএসকে) ওয়েবসাইটে ছাপা হয়েছে এই গবেষণা প্রবন্ধ।
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এমআরসি বায়োস্ট্যাটিকটিক্স বিভাগ যুক্তরাজ্যের ১০ লাখেরও বেশি করোনা রোগীর তথ্য পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। এই রোগীদের মধ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫ লাখ ২৮ হাজার ১৭৬ জন এবং ডেল্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৭৩ হাজার ১২ জন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০ লাখেরও বেশি করোনা রোগীর তথ্য পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানীরা। এই রোগীদের একাংশ ওমিক্রন এবং বাকিরা ডেল্টায় আক্রান্ত।
গবেষণায় আরও জানা গেছে, ওমিক্রন ঠেকাতে করোনা টিকা বেশ ভালোভাবেই কার্যকর। এ প্রসঙ্গে গবেষণা প্রবন্ধে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা বলেন, যারা করোনাটিকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন, ওমিক্রনে আক্রান্ত হলে তাদের হাসপাতালে ভর্তির ঝুঁকি টিকা না নেওয়া লোকজনের তুলনায় অন্তত ৮১ শতাংশ কম।
ইউকেএইচএসকের শীর্ষ মেডিকেল কর্মকর্তা সুসান হপকিন্স রয়টার্সকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সাম্প্রতিক এই গবেষণা প্রতিবেদন বেশ আশাব্যাঞ্জক, তবে বর্তমানে যুক্তরাজ্যে ওমিক্রন সংক্রমণের যে বাড়বাড়ন্ত, তাতে রীতিমতো ধুঁকছে দেশটির স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা।
রয়টার্সকে তিনি বলেন, গত শতকের ষাটের দশকে ইংল্যান্ডে যে জনসংখ্যা ছিল, যুক্তরাজ্যে বর্তমানে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত মানুষের সংখ্যা তার চেয়েও বেশি। এ কারণে আমি এখনই আশাবাদী হতে পারছি না। এটা সত্য যে, এখনও দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগীর ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা উপচে পড়া অবস্থায় পৌঁছায়নি, তবে বর্তমানে যে গতিতে এই ভাইরাসটি ছড়াচ্ছে, তাতে সামনের সপ্তাহগুলোতে দেশের হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।’
করোনাভাইরাসের সবচেয়ে সংক্রামক ধরনের স্বীকৃতি পাওয়া ওমিক্রনের প্রভাবে যুক্তরাজ্যে প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত রোগী সংখ্যা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার দেশটিতে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৪৬ জন, যা মহামারির দুই বছরে যুক্তরাজ্যে একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণের রেকর্ড। প্রতিদিনই বিপুলসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই হাসপাতালে রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। তবে সরকারের পক্ষ ইতোমধ্যে জনগণকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে- ওমিক্রন ভাইরাসটি ডেল্টা ভাইরাসের চেয়ে কম প্রাণঘাতী।
জামান / জামান
আজও ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৯৬
ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২০৮৯
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে মৃত্যু ছাড়ালো ১১০০
ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৪৩২
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৮ জনের মৃত্যু
স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে চিকিৎসক নেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
হাম উপসর্গে আরও ৫ জন সহ মোট মৃত্যু ১০৮১
একদিনেই হাম উপসর্গে ১১ জনের মৃত্যু
চলতি বছরে সর্বোচ্চ ১৮৭২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি, মৃত্যু ৫
ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পাশে চায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
হামের শিকার ১০ শিশুর প্রায় ৬ জনই সংক্রমিত হয়েছে হাসপাতালে
বিগত বছরের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত বেশি