ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬

উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি, জবিতে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা


ইউছুব ওসমান, জবি  photo ইউছুব ওসমান, জবি
প্রকাশিত: ১৮-১-২০২২ রাত ৮:০
মহামারী করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়ান্ট ওমিক্রন এর প্রাদুর্ভাব বাড়লেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উদাসীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করোনা প্রতিরোধে বিশেষ সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে নির্দেশনা প্রদান করলেও তা উপেক্ষা করে চলছেন তারা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে দিনে দিনে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।
 
সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওমিক্রন সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে নির্দেশ জারির পরও অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মধ্যেই তা মানার ক্ষেত্রে উদাসীনতা বিদ্যমান। মাস্ক পরিধান না করেই যত্রতত্র জটলা করে আড্ডা দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মাইকিং করে স্বাস্থ্যবিধি মানা ও মাস্ক পরিধানের জন্য অনুরোধ করা হলেও তা মানছেন না তারা। এতে দিনে দিনে করোনা ঝুঁকিতে পড়ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও।
 
ইতোমধ্যেই বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ২৫ জন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এরমধ্যে প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সাতজন শিক্ষার্থী। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। 
 
এছাড়াও সংগীত বিভাগের এখন পর্যন্ত ১০ জন করোনা পজিটিভের খবর পাওয়া গেছে। এ কারণে বন্ধ রয়েছে বিভাগের সব ক্লাস। আক্রান্তদের মধ্যে সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান, একজন শিক্ষক ও কর্মকর্তাও রয়েছেন। এছাড়া অনেকে টেস্ট দিয়েছে এখনও রিপোর্ট পায়নি।
 
এদিকে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের মোট ছয়জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বিভাগ সূত্রে জানা যায়, একজন শিক্ষক, দুইজন কর্মচারী ও তিনজন শিক্ষার্থীর করোনা পজিটিভ এসেছে।
 
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। মাইকিং করেও সচেতন করা হচ্ছে। মাস্ক ছাড়া দেখলে আমিও তাদের মাস্ক পড়তে নির্দেশ দিচ্ছি। এখন শিক্ষার্থীরা যদি সচেতন না হয়, সেক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে যায়। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে। তা না হলে করোনা ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে। তখন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় আবারও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করতে হবে।
 
উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছরের ৭ অক্টোবর সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া হয়। বেশ কয়েকটি বিভাগের দুই সেমিস্টারের পরীক্ষা শেষ হলেও এখনও অনেক বিভাগেই তা চলমান রয়েছে। এর মধ্যে সমাজবিজ্ঞান, বাংলা, ফিন্যান্স সহ বেশ কয়েকটি বিভাগ সশরীরে ক্লাস গ্রহণ কার্যক্রমও শুরু করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ওমিক্রন সহ করোনা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় গত ১৬ জানুয়ারি বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান সহ স্বাস্থ্যবিধি মানতে বিশেষ নির্দেশনা জারি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেই সাথে সশরীরে ক্লাস-পরীক্ষা চালু রাখারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এমএসএম / এমএসএম

রমজানের সংযমে ঈদের আনন্দ: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক রইস উদ্দিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম

লটারি বাতিল, স্কুলে ভর্তি করা হবে পরীক্ষার ভিত্তিতে

কৃষি বাণিজ্য ও আগ্রোইকোলজি নিয়ে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের দুই বই উন্মোচন

জবি ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে এগিয়ে কে এম মাহমুদ হাসান

প্রশংসায় ভাসছেন পরিবহন প্রশাসক ড. তারেক বিন আতিক: জবিতে ৭ বিভাগে স্পেশাল ঈদ বাস সার্ভিস

পবিপ্রবিতে রেজিস্ট্রারকে ইউট্যাবের ব্যাখ্যাতলব

পবিপ্রবিতে রেজিস্ট্রারকে ইউট্যাবের ব্যাখ্যাতলব

পবিপ্রবিতে ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে জিয়া পরিষদের ব্যাখ্যাতলব

নারী হেনস্তার অভিযোগে ৩ ঢাবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার

পবিপ্রবির বরিশাল ক্যাম্পাসে মেইন গেট নির্মাণে অনিয়ম, পিলারের কাঠামোগত ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন

টানা ১৭ দিনের ঈদের ছুটিতে যাচ্ছে পবিপ্রবি