ঢাকা সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

সংসদে প্রধানমন্ত্রী

৭ লাখ ৪১ হাজার বুস্টার ডোজ দেয়া হয়েছে


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৬-১-২০২২ দুপুর ১২:২২

২০২১ সালের ২৮ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৭ লাখ ৪১ হাজার ২৬৫ জনকে বুস্টার ডোজ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) একাদশ জাতীয় সংসদের ষোড়শ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলামের (টিটু) লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বজুড়ে করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পরপরই সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে বিনামূল্যে টিকা দেয়ার বিষয়টি আমার সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। এ লক্ষ্যে করোনা টিকা আবিষ্কার ও ব্যবহারের অনুমতি পাওয়ার আগে থেকেই আমরা টিকা সংগ্রহ ও টিকা দেয়ার বিষয়ে সব উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তারই ফল হিসেবে দেশব্যাপী ২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি কোভিড টিকা বিনামূল্যে দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়, যা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী ভ্যাকসিন দেয়া কার্যক্রমের আওতায় ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ৮ কোটি ৯১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৭৮ জনকে প্রশম ডোজ এবং ৫ কোটি ৭০ লাখ ২০ হাজার ৮৩৪ জনকে দ্বিতীয় ডোজসহ সর্বমোট ১৪ কোটি ৬১ লাখ ৮৪ হাজার ৮১২ জনকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বের মতো দেশের কোভিড-১৯ মহামারী পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাংলাদেশ সরকারও চলমান কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় বুস্টার ডোজ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে ন্যাশনাল ইম্যুনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ, বাংলাদেশ (NITAG, B)-এর সুপারিশ অনুযায়ী এবং করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে দেশব্যাপী ২০২১ সালের ২৮ ডিসেম্বর থেকে বুস্টার ডোজ দেয়া শুরু হয়েছে। বর্তমানে দেশে ষাটোর্ধ্ব জনগোষ্ঠী, সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মী ও বিদেশগামী কর্মীদের বুস্টার ডোজ দেয়া হচ্ছে।

তিনি ‍আরো বলেন, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার পর যাদের ৬ মাস অতিক্রম হয়েছে তাদের বুস্টার ডোজ দেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জনগোষ্ঠীকেও বুস্টার ডোজের আওতায় আনা হবে। ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৭ লাখ ৪১ হাজার ২৬৫ জনকে বুস্টার ডোজ দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, মহামারী করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা ও সংক্রমণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে সরকার দেশের সব মানুষকে টিকার আওতায় আনতে বর্তমানে দেশব্যাপী প্রায় ৭১৮টি স্থায়ী কেন্দ্রে, ৬ হাজার ৫৮টি অস্থায়ী/ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে এবং ১৩ হাজার ৯৬৭টি কমিউনিটি ক্লিনিকে (ক্যাম্পেইন চলাকালে) কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। মার্চ ২০২২ নাগাদ শতকরা ৮০ শতাংশ মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার লক্ষ্যে বর্তমানে ওয়ার্ড পর্যায়ে ভ্যাকসিন দেয়ার কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

শাফিন / জামান

প্রতি মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুতে বছরে ৫ কোটি টাকার বেশি সাশ্রয়

সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

প্রতিবন্ধীদের জনসম্পদে পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন

ঢাকার নতুন বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা

লন্ডনের আদলে শিক্ষা ও দরিদ্রবান্ধব বাজেট, এটি স্মরণকালের ইতিহাস

৬২১ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমোদন বাতিলের উদ্যোগ

হঠাৎ মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পারসো পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

১২ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, কিছুটা কমতে পারে ঢাকার গরম

সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু, যেসব শিশু পাবে এই ক্যাপসুল

বাজারে চালসহ সব দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল: সংসদে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে