ঢাকা বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

বিএনপির বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ জয়ের


সকালের সময় ডেস্ক photo সকালের সময় ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫-২-২০২২ সকাল ৮:২০

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবার বিএনপির বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের অর্থপাচারের অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে কয়েকটি বৈশ্বিক সংস্থার প্রকাশিত তথ্যকে ভিত্তি করে তৈরি এক ভিডিও পোস্ট করে এই দাবি জানান তিনি।

‘কে, কিভাবে, কখন এবং কোথায় অর্থপাচার করেছে বাংলাদেশ থেকে’ এমন প্রশ্ন করে তিনি বিএনপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, ২০০১-৬ সালে ক্ষমতায় থাকাকালে বিএনপি বড় অঙ্কের অর্থপাচার করেছে।

সিঙ্গাপুরের সিটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক জিয়া তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের অ্যাকাউন্টে ২০ কোটি টাকা প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় এফবিআই’র এক কর্মকর্তা তারেক জিয়ার অর্থ পাচার মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।

খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান (কোকো) ২০০১-৬ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে সিঙ্গাপুরে বড় অঙ্কের অর্থ পাচার করেছেন। তার মাধ্যমে পাচার হওয়া অর্থের মধ্য থেকে তিন ধাপে ৩০ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার ফেরত আনতে সক্ষম হয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তার দুর্নীতির তথ্য এফবিআই ওয়েব সাইটেও রয়েছে বলে মন্তব্য করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। প্যারাডাইজ পেপারেও অসংখ্য বিএনপি নেতার নাম এসেছে বলে জানান তিনি।।

তাদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা আব্দুল আওয়াল মিন্টু এবং তার স্ত্রীসহ তিন ছেলের নাম রয়েছে। সজীব ওয়াজেদ বলেন, বিশ্বের যেখানেই দুর্নীতি নিয়ে কোন তদন্ত হয়েছে সেখানেই বিএনপি নেতাদের নাম উঠে এসেছে।

ফাঁস হওয়া পানামা পেপারসে অর্থ পাচার করা ৩৪ বাংলাদেশি ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে একজন বিএনপির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খান এবং তার ছেলে ফাইসাল মোর্শেদ খান। তারা ৪ কোটি মার্কিন ডলার এবং ১ কোটি হংকং ডলার পাচার করেছে হংকং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে। শ্রীলঙ্কার আমানা ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুসারে ফাইসাল মোর্শেদের অধীনে একাধিক নামের অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেখানে এবি ব্যাংকের ১৮ কোটি শেয়ার রয়েছে। বিদেশে এভাবেই হাজার হাজার কোটি টাকা সংরক্ষণ করেছে ফাইসাল মোর্শেদ। সে বিভিন্ন বেনামি প্রতিষ্ঠানের নামে বিদেশে অর্থ পাচার করেছে যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দুর্নীতি বিরোধী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সজীব ওয়াজেদ বলেন, এই বৈশ্বিক অনুসন্ধানকারীদের আসলে কে ক্ষমতায় আছে তাতে কিছু যায় আসে না। তারা আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একই রকম দুর্নীতির তথ্য পেলে এভাবেই প্রচার করবে। কিন্তু তেমন কিছু তারা করেনি।

সম্প্রতি সময়ে প্যান্ডোরা পেপারস ফাঁস হওয়ার পর সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে ১.২ কোটির বেশি গোপন নথি সেখানে রয়েছে। কিন্তু পানামা পেপারস বা প্যান্ডোরা পেপারস কোনটিতেই দুর্নীতি অনুসন্ধানে আওয়ামী লীগের শীর্ষ কোন নেতৃত্বের নাম উঠে আসেনি। কিন্তু প্রতিটি পেপারসে মিলেছে বিএনপি নেতাদের নাম। বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ভেবে দেখার মত বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

জামান / জামান

নদী শাসনে আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণালব্ধ অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর তাগিদ

মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনে ভাসমান দোকান উচ্ছেদ

ফ্রান্সের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ-ইইউর এফটিএ দ্রুত করার তাগিদ জার্মান রাষ্ট্রদূতের

একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

প্রতিটি বড় বিনিয়োগে জলবায়ু ঝুঁকি বিবেচনার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর

নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের সুপারিশ

বাংলাদেশে তৈরি প্রবাসীদের ভোটিং মডেলে আকৃষ্ট নেপাল

দরিদ্র-সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসা কার্যক্রম বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

অ-মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিতে চুলচেরা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে

প্রাথমিকে শূন্য পদে দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশ সংসদীয় কমিটির

বিক্রম মিশ্রির সঙ্গে হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহর বিদায়ী সাক্ষাৎ

গুলশান-বারিধারার লেকের পানি ঠিক না করতে পারলে দেশ কীভাবে ঠিক করব?