এখনই উঠছে না র্যাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা, সময় লাগবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র্যাব-এর উপর দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এখনই উঠছে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য দীর্ঘ প্রক্রিয়া পার হতে হবে। স্থানীয় সময় সোমবার (৪ এপ্রিল) ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা ওদের প্রসেস আছে। এটা আমাদের কমপ্লিট করতে হবে।
তিনি বলেন, এই দেশে প্রায় জিনিসেরই দেয়ার আর মেনি প্রসেসেস। ওই কমিটির ওই লোকগুলোকে সন্তুষ্ট করতে হবে। এটাতে সময় লাগবে। সুইচের মত না যে একদিনে অন আর অফ করতে পারবে।
বাংলাদেশে অনেক কিছু ‘সহজে’ করা গেলেও যুক্তরাষ্ট্রে সেভাবে করা যায় না মন্তব্য করে মোমেন বলেন, আমাদের দেশের সরকার ইয়েস বললে ইয়েস হয়ে গেল। এখানে অনেক সময় চাইলেও পারে না। যেমন ট্যারিফ প্রত্যাহারের জন্য ২৩টা কমিটিতে অনুমোদন লাগে। তারপর প্রেসিডেন্ট সেটার উপর রেসপন্স দিতে পারেন। এর আগে প্রেসিডেন্ট কিছু বলতে পারেন না। এখানে একজিকিউভের যথেষ্ট আটকা, সে কারণে এটা সহজে বলতে পারবে না। আপনাকে প্রসেসের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে বাংলাদেশের তরফ থেকে তোলা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল র্যাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রসঙ্গ। ‘গুরুতর’ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক, বর্তমান পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমদসহ বাহিনীর সাত কর্মকর্তার ওপর গত বছর ১০ ডিসেম্বর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে ওই নিষেধাজ্ঞার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল ঢাকা। ১৫ ডিসেম্বর ব্লিংকেনের সঙ্গে টেলিফোনেও এ বিষয়ে আলাপ হয় মোমেনের। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরে বৈঠকে র্যাব গঠন এবং নিষেধাজ্ঞা পরবর্তী চার মাসে এ এলিট ফোর্সের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরেন মোমেন।
এ বিষয়ে বৈঠক শেষে তিনি বলেন, আমি বললাম, র্যাবটা আমাদের দেশে এমন সময়ে তৈরি হয়েছিল, যখন আমাদের দেশে সন্ত্রাস, জিহাদি- এগুলোর উৎপাত খুব বেশি ছিল। একদিনে ৪৯৫টা বোমাবাজি হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়, যার ফলে ২৪ জন লোক মারা যায়, ৩৭০ জন আহত হয়। সারাদেশে মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক ছিল, ওই সময়ে তৈরি হয়েছিল।
র্যাব হয়ত কখনো কখনো ‘অতিরিক্ত বা বেশি কিছু করে’ ফেলেছে- এমন বক্তব্য বৈঠকে দেওয়ার কথা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তবে ইনবিল্ট সিস্টেম আছে জবাবদিহিতার এবং অনেকের শাস্তি হয়েছে। এমনকি লাইফ একজিকিউশনও হয়েছে। সুতরাং এখানে জবাবদিহিতা আছে।’
‘বলেছি, আপনাদের রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টিই বলেছিলেন, র্যাব ইজ দ্য এফবিআই অব বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটির উপরে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় আমার তরুণরা ওখানে কাজ করায় নিরুৎসাহিত হবে। আমি খুব খুশি হব, আপনি যদি এটা পুনর্বিবেচনা করেন।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিংকেন জবাবে কী বলেছেন, সে বিষয়ে ধারণা দিয়ে মোমেন বলেন, উনি বললেন যে, ‘এটার প্রসেস আছে, সেই প্রসেসে হবে। তবে আমাদের জবাবদিহিতা দরকার। আমরা এ ব্যাপারে বেশ সোচ্চার। আমি বললাম, আমরা সব ধরনের প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি। তখন বললেন যে, ‘গত চার মাসে কেউ মারা যায়নি’। আর ডিএসএ-তেও আমাদের ট্র্যাক রেকর্ড গুড। গত চার মাসে একজনও অ্যারেস্ট হয়নি। উনি বললেন, ‘এটা ভালো’।
জামান / জামান
দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাটের কারণে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে
ডিজেলের বদলে সৌর পাম্পে বাঁচতে পারে ২৫ হাজার কোটি টাকা
অধ্যাদেশ থেকে আইনে রূপ নিলো ২১ বিল
সংসদের অধিবেশন থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট
সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেম মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে শত কোটি টাকার অনিয়ম!
বাংলাদেশে আর কোনো মানিক-খায়রুল চাই না: আইনমন্ত্রী
মানবাধিকার কমিশন ‘বিরোধী দল দমন কমিশন’: হাসনাত আবদুল্লাহ
মধ্যপ্রাচ্যে আটকেপড়াদের সরকারি খরচে ফিরিয়ে আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী
ঢামেক চিকিৎসক-শিক্ষার্থী মারামারি : সমস্যা সমাধানে বৈঠকে বসেছে সবপক্ষ
ঢাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢামেক চিকিৎসকদের হাতাহাতি, বন্ধ জরুরি বিভাগ
বিশ্বে মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশই বাংলাদেশে : প্রতিমন্ত্রী
কিছু নির্বাচিত বিদ্যালয়ে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালু হতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী