ঢাকা সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

নিউমার্কেটে সংঘর্ষ : নাহিদের পর চলে গেলেন মোরসালিনও


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১-৪-২০২২ দুপুর ১০:৪

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেট এলাকার দোকান কর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষের সময় আহত মোরসালিন (২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন। এই নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হলো। বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) ভোর ৫টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় মোরসালিন নামে এক যুবক আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

নিহত মোরসালিনের বড় ভাই নূর মোহাম্মদ জানান, আমার ভাই মার্কেটে একটি রেডিমেড দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করত। মঙ্গলবার সকালে সংঘর্ষের সময় সে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে জরুরি বিভাগে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে সেখান থেকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। আজ ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার ভাই মারা যায়। সে কামরাঙ্গীরচর থানার পশ্চিম রসুলপুর এলাকায় থাকত।

এর আগে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত নাহিদ (১৮) নামে এক তরুণ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে মারা যান। তিনি একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মী ছিলেন। এছাড়া ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি আছেন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে।

গত সোমবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে কয়েকজন শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এ সময় আহত হন বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যও।

মঙ্গলবার সকালে আবারো সংঘর্ষে জড়ান শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে তারা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। ছাত্রদের অনেকে হেলমেট পরে এবং লাঠি হাতে নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান। ব্যবসায়ী-কর্মচারীরাও লাঠিসোঁটা ও লোহার রড নিয়ে ছাত্রদের ওপর হামলা চালান।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ সংঘর্ষ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে গোটা নিউমার্কেট ও সায়েন্সল্যাব এলাকায়। থেমে থেমে সারাদিন চলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী এবং প্রায় অর্ধশত ব্যবসায়ী-কর্মচারী আহত হন। দুই শিক্ষার্থীসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।

সংঘর্ষের রেশ চলে বুধবার দিনভর। দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন ব্যবসায়ীরা। বিকেলে ব্যবসায়ীদের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামেন। এরপর রাতে তারা সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ ভূমিকায় সংশ্লিষ্ট ডিসি, এডিসি ও নিউমার্কেট থানার ওসির প্রত্যাহারসহ ১০ দফা দাবি জানান।

জামান / জামান

ঈদের সাত দিনের ছুটি শেষে মঙ্গলবার খুলছে ব্যাংক-অফিস-আদালত

পরিবেশ রক্ষায় সৈকতকে স্থাপনামুক্ত রাখতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, শনিবার ঈদ

শেষ সময়ে ঈদের কেনাকাটা : ফুটপাত থেকে শপিংমল সর্বত্র ক্রেতার ঢল

দেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি

গরুর মাংস ৮৫০, ব্রয়লার ২৩০

ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা

ঘরমুখো মানুষের ঢল কমলাপুরে, ভিড় থাকলেও নেই শিডিউল বিপর্যয়

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই যানজট

ট্রেনে উঠতে না পারার শঙ্কা : আগেভাগেই স্টেশনে যাত্রীরা

ঈদযাত্রায় সাভারে সড়কে মানুষের ঢল, বেড়েছে গণপরিবহনের চাপ

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত ‘যমুনা’