ট্রেনে ঈদযাত্রা : চতুর্থ দিনেও কমলাপুরে উপচেপড়া ভিড়
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে গত কয়েক দিন ধরে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে নগরবাসী। ঈদ যাত্রার চতুর্থ দিনে শনিবার (৩০ এপ্রিল) ধূমকেতু এক্সপ্রেস ৪০ মিনিট এবং নীলসাগর এক্সপ্রেস ৪৫ মিনিট দেরিতে ছেড়ে যায়। তবে বাকি ট্রেনগুলো কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে সঠিক সময়েই ছেড়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই হাজারো ঘরমুখো মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেশন। এর আগে বুধবার থেকে এবারের ঈদযাত্রা শুরু করে রেলওয়ে। তবে প্রথম দুইদিন (বুধ ও বৃহস্পতিবার) যাত্রীর চাপ স্বাভাবিক হলেও শুক্রবার থেকে তা বেড়েছে।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা যায়, এদিন ভোর থেকেই সবগুলো প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের ভিড়। একেতে গরম, এরপর আবার অধিক লোকসমাগমের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষারত যাত্রীদের। গরমে শিশুদের কিছুটা প্রশান্তি দিতে অনেক অভিভাবককে হাত পাখা দিয়ে তার সন্তানদের বাতাস করতে দেখা যায়।
যাত্রীরা ভোগান্তি এড়াতে ট্রেন ছাড়ার এক থেকে দুই ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছান। ভোরের ট্রেন ধরতে অনেকেই আবার সেহরির পর পরই স্টেশনে চলে এসেছেন। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বিনা টিকিটে কেউ প্রবেশ করতে পারছেন না, মেইন গেটে টিকিট প্রদর্শন করেই প্রবেশের অনুমিত মিলছে। যারা টিকিট পাননি, তারাও নিতে পারছেন স্ট্যান্ডিং টিকিট।
ঈদযাত্রার প্রথম দুদিন বুধ ও বৃহস্পতিবার স্বাভাবিক ভিড় থাকলেও শুক্রবার সকাল থেকেই বেড়েছে যাত্রীর চাপ। কমলাপুর স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে তিল ধারনের জায়গা ছিল না শুক্রবার, আজও একই অবস্থা।
রাজশাহী অভিমুখী ধূমকেতু এক্সপ্রেসের যাত্রী তাসনিন তাবাচ্ছুম জানান, ঈদযাত্রা মানে ছেলেবেলাকে মনে পড়ে। ছাত্রাবস্থায় যেভাবে বাড়ি ফিরেছি এখনও ট্রেনযোগে সেভাবেই বাড়ি ফিরি। ঘরের এ আনন্দ অন্যরকম। যদিও ৪০ মিনিট দেরিতে ট্রেন ছাড়লো তবুও আনন্দ লাগছে বহুদিন পর বাড়ি যাবো এটা ভেবে।
এগারো সিন্দুর প্রভাতীর যাত্রী নূর ওয়াহেদ জানান, আমাদের রেল ব্যবস্থাপনা ভালো হলে ঈদের আনন্দ আরও বেড়ে যেতো। হাজার হাজার মানুষের টিকিট পেতে ২৪ ঘণ্টার অপেক্ষা দেখেছি, যা কাম্য না। বিশ্বের অন্য কোনো দেশে এমনটা নেই। আমাদের সেবাকে আরও আধুনিক করার দরকার। তবে এতো কষ্টের মধ্যেও বাড়ি ফিরছি এটাই বড় আনন্দ। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করবো এটাই আনন্দের।
রেলওয়ের ঈদযাত্রার চতুর্থ দিনে ধূমকেতু ৪০ মিনিট এবং নীলসাগর ৪৫ মিনিট দেরিতে ছাড়লেও বাকি ট্রেনগুলো ছেড়েছে সঠিক সময়েই। ধূমকেতু সকাল ৬টায় ছেড়ে যাবার কথা থাকলেও সেটি স্টেশন ছাড়ে ৬টা ৪০ মিনিটে। আর ৬টা ৪০ মিনিটে নীলসাগর স্টেশন ছাড়ার কথা থাকলেও সেটি স্টেশন ছেড়েছে ৭টা ২৫ মিনিটে।
এদিকে, ঈদযাত্রা শেষে ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১ মে থেকে। এবারের ঈদযাত্রার সুবিধার্থে ছয় জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত শনিবার (২৩ এপ্রিল) থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়।
জামান / জামান
ঈদের সাত দিনের ছুটি শেষে মঙ্গলবার খুলছে ব্যাংক-অফিস-আদালত
পরিবেশ রক্ষায় সৈকতকে স্থাপনামুক্ত রাখতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : প্রধানমন্ত্রী
শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, শনিবার ঈদ
শেষ সময়ে ঈদের কেনাকাটা : ফুটপাত থেকে শপিংমল সর্বত্র ক্রেতার ঢল
দেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি
গরুর মাংস ৮৫০, ব্রয়লার ২৩০
ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা
ঘরমুখো মানুষের ঢল কমলাপুরে, ভিড় থাকলেও নেই শিডিউল বিপর্যয়
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই যানজট
ট্রেনে উঠতে না পারার শঙ্কা : আগেভাগেই স্টেশনে যাত্রীরা
ঈদযাত্রায় সাভারে সড়কে মানুষের ঢল, বেড়েছে গণপরিবহনের চাপ