নোবিপ্রবিতে বিএনসিসির পাশাপাশি পড়ালেখায়ও অনন্য দুই বিএনসিসি ক্যাডেট
জ্ঞান, শৃঙ্খলা ও স্বেচ্ছাসেবী- এ তিন মূলমন্ত্রকে ধারণ করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর সংক্ষেপে বিএনসিসি দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাজ করে যাচ্ছে। পরিশ্রমী ও দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত এ আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে নিজেদের নিয়োজিত রাখেন। দেশের যে কোনো ক্রান্তিলগ্নে দেশমাতৃকার সেবায় সর্বদায় প্রস্তুত বিএনসিসির ক্যাডেটবৃন্দ।
বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মধ্যেও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি প্লাটুনের দুজন ক্যাডেট অর্নাস শিক্ষাজীবনের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অনন্য ফলাফল অর্জন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের বাংলাদেশ ও মুক্তিযোদ্ধ স্ট্যাডি বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান (প্রথম স্থান) এবং একই শিক্ষাবর্ষের ফুড টেকনোলজি ও নিউট্রিশন বিভাগের মলুয়া আক্তার মলি (তৃতীয় স্থান) অর্জন করেন। নুসরাত জাহান বিএনসিসিতে ক্যাডেট আন্ডার অফিসার (সিইউও) ও মলুয়া আক্তার মলি ক্যাডেট সার্জেট হিসেবে নোবিপ্রবি বিএনসিসিতে দায়িত্ব পালন করছেন।
পড়াশোনার পাশাপাশি কিভাবে বিএনসিসি কার্যক্রমে যুক্ত থাকতেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে সিইউও নুসরাত জাহান বলেন, বিএনসিসিতে আমি দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময়ে সময় প্রদান করতাম। কিন্তু দিনের বাকি সময় একাডেমিক পড়াশোনা গুরুত্ব পেয়েছে আমার কাছে। তাছাড়া যখনই সমস্যায় পড়েছি, তখনই বিএনসিসি প্লাটুনের কাছ থেকে সাহায্য পেয়েছি।
একই প্রশ্নের উত্তরে ক্যাডেট সার্জেট মলুয়া আক্তার মলি বলেন, বিএনসিসিতে কাজ করার জন্য কখনো বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেনি। সেমিস্টার পরীক্ষাগুলোর সময় প্লাটুনের সবাই মিলে ভাগাভাগি করে সুশৃঙ্খলভাবে কাজ করায় কখনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি।
বিএনসিসি কার্যক্রমের জন্য পারিবারিক ও ডিপার্টমেন্ট থেকে সাহায্য কেমন পেয়েছেন- এমন প্রশ্নে মলি বলেন, প্রথম দিকে পরিবার থেকে তেমন কোনো সার্পোট না পেলেও বিএনসিসি কার্যক্রম জানার পর আমাকে উৎসাহ ও সাহায্য করেছে। পরিবারেরও ইচ্ছা ছিল আমি যেন বিএনসিসি মাধ্যমে দেশের সেবা করতে পারি। আর আমার ডিপার্টমেন্টের প্রতিটি শিক্ষকই আমার এই কার্যকমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং সামগ্রিকভাবে সহযোগিতা করেছেন।
বিএনসিসি কার্যক্রমের জন্য পারিবারিক ও ডিপার্ট্মেন্ট থেকে সাহায্য নিয়ে সিইউও নুসরাত জাহান বলেন, পরিবার থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা পেয়েছিলাম আমি। আমার আব্বা পড়াশোনার পাশাপাশি আমার বিএনসিসির কার্যক্রম সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর নেন। বিএনসিসি বিদেশ সফরের সব পরীক্ষায় সময় আমার বড় ভাই আমার সাথে গিয়েছিলেন। পাশাপাশি ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকবৃন্দ সব সময় ইতিবাচক ধারণা পোষণ করতেন এবং উৎসাহ প্রদান করতেন।
বিএনসিসিসহ বিভিন্ন সহ-শিক্ষা সংগঠনে যুক্ত থেকেও ভালো ফলাফল অর্জনের বিষয়ে ক্যাডেট সার্জেট মলি বলেন, স্বেচ্ছাসেবী ও সহ-শিক্ষা সংগঠনগুলো একজন শিক্ষার্থীকে পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতিকূল পরিবেশে নিজেকে কিভাবে খাপ খাওয়াতে পারে তা সম্পর্কে শিক্ষা দেয়। সেজন্য আমার মনে হয়নি আমার নিয়মিত লেখাপড়ায় তেমন কোনো সমস্যা হয়েছে। তাই মনের ভালোলাগা ও উৎসাহ থেকে কিছু করলে সেটা লেখাপড়ার কোনো সমস্যার সৃষ্টি করবে না। তাছাড়া ভারসাম্য বজায় রাখা কিন্তু আমাদের জন্য শেখার বিষয়। তাই সব বিষয়েই ভারসাম্য করা শিখতে হবে।
একই প্রশ্নের উত্তরে সিইউও নুসরাত জাহান বলেন, একাডেমিক শিক্ষা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি সহ-শিক্ষা কার্যক্রমগুলো ব্যক্তিগত দক্ষতা ও পারদর্শিতা অর্জনের পথকে উন্মুক্ত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনি নিজেকে মেলে ধরার সবটুকু সুযোগই পাবেন। কিন্তু আপনাকে ভারসাম্য বজায় রেখে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। একাডেমিক প্রথম কয়েকটি সেমিস্টারে ভালো ফলাফল অর্জন করলেই পরবর্তীতে সংগঠন ও পড়াশোনায় ভারসাম্য বজায় রেখে ভালো ফলাফল অর্জনে সহযোগিতা করে।
এমএসএম / জামান
ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমার পদত্যাগের ঘোষণা
শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে বড়লেখায় শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
সায়েন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার
ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে শেকৃবি ছাত্রদল নেতার খাবার বিতরণ
জকসুর ২৩ কেন্দ্রের ফল, ফের ভিপি-জিএস-এজিএসেে এগিয়ে শিবির
জকসুর ৮ কেন্দ্রের ফল প্রকাশ, ভিপি পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
প্রধান শিক্ষককে অবৈধভাবে সাময়িক বহিষ্কারসহ অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
শেষ হলো জকসু নির্বাচন, শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ছাড়ার নির্দেশ
জকসু নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী শিক্ষার্থীরা
জকসুর ভোটগ্রহণ শুরু
নতুন বইয়ে উচ্ছ্বাস প্রাথমিকের শিশুদের, অপেক্ষায় মাধ্যমিক শিক্ষার্থীরা
Link Copied