ঢাকা রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

বৃহস্পতিবার ৬.৭৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট পেশ


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৮-৬-২০২২ দুপুর ১০:১২

আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বিকেলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ করতে যাচ্ছেন। ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’ স্লোগানে এটি আওয়ামী লীগ সরকারের ২২তম ও বাংলাদেশের ৫১তম বাজেট। এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য থাকবে সক্ষমতার উন্নয়ন, বৈশ্বিক ঝুঁকি কাটিয়ে অর্থনীতির স্থিতিশীলতার সঙ্গে জনজীবনে স্বস্তি ফেরানো।

২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যেখানে আয় ও ব্যয়ের বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে সরকারকে। আসন্ন প্রস্তাবিত বাজেট চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় ৭৪ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা বেশি। আর সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৮৪ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ছিল ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। যদিও সংশোধিত বাজেটের আকার বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে বড় ব্যয়ের বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের আয়ের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা হতে যাচ্ছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৭১ কোটি টাকা, যেখানে বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতির আকার ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। অনুদানসহ ঘাটতি থাকবে ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা যাই থাকুক না কেন, সংশোধিত বাজেট প্রস্তাবিত বাজেটের আকারের চেয়ে কম হয়ে থাকে। আর বাস্তবায়নের হার হয় আরো কম। সেখানে কিভাবে প্রশাসনযন্ত্রের দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে নির্দেশনা থাকা দরকার। বাজেটে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে- একদিকে মুদ্রাস্ফীতি ও বৈদেশিক রিজার্ভের ওপর চাপ, অন্যদিকে টাকার মান কমে যাচ্ছে, তা কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করি। অন্যদিকে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে  নিম্ন শ্রেণির মানুষের সুরক্ষা কিভাবে ‍দেয়া যায় তার নির্দেশনা বাজেটে থাকা উচিত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে না পারলে ব্যয় বাড়ানো কঠিন। কিন্তু বাস্তবতা হলো- এবার অনেক ক্ষেত্রেই ব্যয় বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। এরমধ্যে অবকাঠামো, জ্বালানি এবং সামাজিক নিরাপত্তা অন্যতম। যেহেতু আমরা বাজেট ঘাটতি ৫ শতাংশের মধ্যে রাখতে চাইছি, সে কারণে রাজস্ব না বাড়লে ব্যয় বাড়ানো সম্ভব হয় না। তাই রাজস্ব বাড়ানোর একটি দিকনির্দেশনা বাজেটে থাকতে হবে।

এ অর্থনীতিবিদ আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতি বলা হচ্ছে সাড়ে ৬ শতাংশের মতো। বাস্তবে এ হার অনেক বেশি। ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা বাজেটে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে মূল্যস্ফীতির পেছনে কিছু আন্তর্জাতিক কারণ রয়েছে। এরমধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারাবিশ্বে খাদ্য সরবরাহ কমে গেছে। এরপর জ্বালানির দাম বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি কতটুকু কমানো যাবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ, বিশ্ববাজারের ওপর আমাদের কোনো হাত নেই।

জামান / জামান

১২ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, কিছুটা কমতে পারে ঢাকার গরম

সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু, যেসব শিশু পাবে এই ক্যাপসুল

বাজারে চালসহ সব দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল: সংসদে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে

কাঁটাবনে বহুতল ভবনে আগুনে ২ জনের মৃত্যু

মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

আনসার একাডেমিতে শুরু হলো ৯ম জাতীয় বেসবল টুর্নামেন্ট

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময়

হোসেনি দালান থেকে শুরু হয়েছে তাজিয়া মিছিল

আশুরা স্মরণ করিয়ে দেয় ইসলামের মূল শিক্ষা শান্তি : প্রধানমন্ত্রী

বেইজিংয়ে গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর