শিশুর ডায়াবেটিস! করণীয় কি?
শিশুর জন্মের পর যে কোনো সময় হতে পারে ডায়াবেটিস। সাধারণ অনেকের ধারণা, ডায়াবেটিস বড়দের অসুখ। সে কারণে ছোটদের ডায়াবেটিস এর বিষয়ে মানুষ তেমন সতর্কতা অবলম্বন করে না। অনেক সময় সামাজিক সচেতনতার অভাবে দেখা যায়, ডায়াবেটিস হওয়ার পরেও ছোটরা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছে না, কারণ বাবা মা বুঝে উঠতে পারেন না যে, সন্তানের ডায়াবেটিস হয়েছে। বর্তমানে দেশে ৭০ লাখেরও বেশি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, এর মধ্যে রয়েছে ২০ হাজারের মতো শিশু, যাদের বিভিন্ন মাত্রার ডায়াবেটিস আছে। প্রতিদিন আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। ফলে শিশুদের ডায়াবেটিস বিষয়ে এখন থেকেই সচেতন হওয়া দরকার এবং এই বিষয়ে বেশি সচেতন হওয়া দরকার শিশুর মা ও বাবার। শিশু সন্তানের ডায়াবেটিস হলে মা ও বাবার করণীয় কি? কখন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া জরুরী? এসব বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন গুলশানের ইয়র্ক হাসপাতালের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এনামুল হক।
তিনি জানিয়েছেন- শিশুর ডায়াবেটিস যদি জন্মগতভাবে হয়, তাহলে চিকিৎসার ভাষায় সেটিকে বলা হয় টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস। কিভাবে জানবেন সন্তানের ডায়াবেটিস হয়েছে এবং সেটি টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস? আপনার সন্তান যদি বারবার পানি খেতে চায়, ঘনঘন প্রস্রাব করে, কখনো সখনো প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারে, এছাড়া শিশুর ওজন যদি কমতে থাকে, ওজন যদি অতি দ্রুত কমে, শিশু যদি বেশি ক্লান্ত থাকে, বেশি চ্যাঁচামেচি করে, কান্নাকাটি বেশি করে এবং শান্ত না থাকে, সবকিছুতে যদি শিশু বিরক্ত হয়, শিশুর প্রস্রাবে যদি ফলজাতীয় গন্ধ আসে, ইত্যাদি উপসর্গের সবগুলো অথবা যে কোনো একটি যখন কোনো শিশুর মধ্যে দেখা যাবে, অনুমান করতে হবে শিশু টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।
মনে রাখতে হবে, শিশুর টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস হওয়া কতগুলো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। তারমধ্যে আগে যদি পরিবারের সদস্যদের কারও এই ধরনের ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকে, তাহলে তা বংশানুক্রমে শিশুর ডায়াবেটিস হতে পারে। বর্তমান সময়ে অনেক বাবা মা শিশুদের ফার্স্টফুড খেতে দেন। শিশুরা চিপস, চানাচুর, চকটেল, কোমল পানীয় জাতীয় খাবার বেশি খেতে পছন্দ করে। এসব খাবার শিশুদের কম দিতে হবে। আমাদের শহরে শিশুদের খেলার জায়গা তেমন নেই। শিশু যাতে মুক্ত পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। শিশু বেশি সময় ধরে যদি ঘরে বসে কম্পিউটার বা মোবাইলে গেম খেলে, তাহলে তা শারিরীক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয়। এর জন্য বাবা মাকে একটু সতর্ক থাকতে হবে, যাতে শিশুরা বেড়ে ওঠার জন্য সঠিক পরিবেশ পায়। প্রাকৃতিক পরিবেশ বা বেড়ে ওঠার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ শিশুর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সহযোগিতা করবে।
এমএসএম / এমএসএম
স্বল্প টাকার এক কিটেই বদলে যেতে পারে হাম মোকাবিলা
মন্ত্রীর পেছনে টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
আমরা হাসপাতাল বন্ধ করেছি কিন্তু মেডিকেল কলেজ বন্ধ করিনি
আদ্-দ্বীনের শিক্ষা কার্যক্রম অন্য হাসপাতালে চালাতে হবে
আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজ : ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব না দিলে লাইসেন্স বাতিল
হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, উপসর্গ শনাক্ত ১১৫১: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
রিদম গ্রুপ ও মানিপল হসপিটালসের চুক্তিতে বাংলাদেশ-ভারত ট্যুরিজমে নতুন গতি
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য হলেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম
এপ্রিলে প্রতিদিন গড়ে হাম শনাক্তের হার ৩৫%, ল্যাবে বাড়ছে চাপ
হঠাৎ হামের প্রকোপ, ৩০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি
পবিত্র ঈদ উল ফিতরের ছুটির মাঝে বিএমইউ’র বহির্বিভাগে পরীক্ষানিরীক্ষা সেবাসহ ৬শত ৮৫ রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ কিডনী ডিজিস এ্যান্ড ইউরোলজিতে বিশ্ব কিডনী দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত