নোবিপ্রবিতে বিভাগীয় চেয়ারম্যানের অব্যাহতির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
শিক্ষার্থীদের আর্থিক অবস্থা নিয়ে কটূক্তি ও ব্যক্তিগত আক্রোশের জেরে মার্ক টেম্পারিংসহ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মিম্মা তাবাসসুমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও প্রশাসনিক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন পরিসংখ্যান বিভাগের মাস্টার্স ২০২০-২১ বর্ষে শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে অভিযুক্ত শিক্ষকের অব্যাহতি এবং ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে নোবিপ্রবির উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, গত ১২ অক্টোবর অনুষদের ডিন বরাবর উনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়ার পর থেকে উনি ও উনার হাজব্যান্ড এবং কলিগ আমাদের ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যক্তিগতভাবে ফোন দিয়ে এই অভিযোগ উঠিয়ে নেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন৷ আমাদের জুনিয়র ব্যাচের ছাত্রদের আমাদের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে আমাদের অভিযোগগুলোকে মিথ্যা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ৫ দফা দাবি ঘোষণা করেন। দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে আরো কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো-
১) অভিযুক্ত বিভাগীয় চেয়ারম্যান মিম্মা তাবাসসুমকে অবিলম্বে তার পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করতে হবে।
২) অভিযুক্ত শিক্ষক ও তার সহকর্মী এবং সহধর্মী ইফতেখার পারভেজকে আমাদের চলমান সেমিস্টারে এবং পরবর্তী সেমিস্টারে একাডেমিক কাজকর্ম থেকে বিরত রাখতে হবে।
৩) নোবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা সেল গঠন করতে হবে।
৪) মার্ক টেম্পারিং রোধে উত্তরপত্র থেকে রোল নম্বর বাদ দিতে হবে।
৫) পাঠদানে আগ্রহী করে তুলতে শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি পুনরায় চালু।
অভিযুক্ত পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মিম্মা তাবাসসুম সাথে প্রতিবেদক মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মিম্মা তাবাসসুমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ দৈনিক সকালের সময়কে বলেন, ডিন অফিস থেকে বিভাগীয় চেয়ারম্যান মিম্মা তাবাসসুমকে শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে সমাধান করতে বলা হলেও তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করেননি। ডিন অফিস থেকে উপাচার্য অফিসে এ বিষয়ে মন্তব্য ও রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। উপাচার্য মহাদয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।
এ বিষয়ে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার-উল-আলম বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আমার সাথে দেখা করেছে। তাদের দাবি-দাওয়া আমার কাছে উপস্থাপন করেছে। সামনে একাডেমিক মিটিংয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এমএসএম / জামান
রমজানের সংযমে ঈদের আনন্দ: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক রইস উদ্দিন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম
লটারি বাতিল, স্কুলে ভর্তি করা হবে পরীক্ষার ভিত্তিতে
কৃষি বাণিজ্য ও আগ্রোইকোলজি নিয়ে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের দুই বই উন্মোচন
জবি ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে এগিয়ে কে এম মাহমুদ হাসান
প্রশংসায় ভাসছেন পরিবহন প্রশাসক ড. তারেক বিন আতিক: জবিতে ৭ বিভাগে স্পেশাল ঈদ বাস সার্ভিস
পবিপ্রবিতে রেজিস্ট্রারকে ইউট্যাবের ব্যাখ্যাতলব
পবিপ্রবিতে রেজিস্ট্রারকে ইউট্যাবের ব্যাখ্যাতলব
পবিপ্রবিতে ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে জিয়া পরিষদের ব্যাখ্যাতলব
নারী হেনস্তার অভিযোগে ৩ ঢাবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার
পবিপ্রবির বরিশাল ক্যাম্পাসে মেইন গেট নির্মাণে অনিয়ম, পিলারের কাঠামোগত ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন