ব্রাজিল সমর্থক হয়েও মেসির হাতে কাপ দেখছি
আমি মনে করি সব দিক মিলিয়ে আর্জেন্টিনাই এই বিশ্বকাপের ফেভারিট দল। শেষ ৩৫ ম্যাচ ধরে ওরা হারে না। আর আমিও গত কয়েকটা ম্যাচে দেখলাম, ওরা সবাই লিওনেল মেসির জন্য সর্বস্ব দিয়ে খেলছে। আর্জেন্টিনার এবার তাই খুব ভালো সুযোগ। তারপর ব্রাজিল, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন—ওরা তো সব সময়ের ফেভারিট। দলগুলোও এখন খুব কাছাকাছি মানের।
এবার এটাও মনে হচ্ছে, একটা ছোট দল চমক দেখাবে। গত বিশ্বকাপ দেখুন, ক্রোয়েশিয়া কত দূর উঠে এসেছিল, যা কেউ ভাবতে পারেনি। এবারও এমন কিছু একটা হতে পারে। এটা কেন হতে পারে বলি, একটা উদাহরণ দিচ্ছি। ডেনমার্ক এখন র্যাংকিংয়ে ১০ নম্বরে আছে। কিন্তু সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞেস করে দেখুন, ওরা কিন্তু জানে না ডেনমার্ক এত ওপরে আছে।
ওদেরকে ছোট দল হিসেবেই সবাই জানে। ছোট দল একদিকে হয়তো ঠিক, সেভাবে বড় সাফল্য নেই। কিন্তু ওরা খুব ভালো দল। এই মুহূর্তে পারফরম্যান্সের দিক দিয়েও শীর্ষ পর্যায়ে আছে। এ রকম বেশ কিছু দলই আছে যারা পারফরম্যান্সের দিক দিয়ে এই সময়ে বেশ এগিয়ে, কিন্তু তাদের ফেভারিট ধরা হয় না। বেলজিয়াম অবশ্য কয়েক বছর ধরে প্রত্যাশা তৈরি করেছে। দল হিসেবে ওরা খুব শক্তিশালী। বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই সব বড় বড় ক্লাবে খেলে। এবারের বিশ্বকাপ তাই ওরাও জিততে পারে।
বিশ্বকাপ সব সময়ই আসলে অনেক রোমাঞ্চ নিয়ে অপেক্ষা করে আমাদের জন্য। আমি নিজেও অধীর হয়ে আছি—কখন শুরু হবে টুর্নামেন্টটা। যদিও একই সময়ে আমাদের ঘরোয়া ফুটবলে খেলা থাকবে। আমাদের হয়তো প্রতিদিনই ম্যাচ থাকবে। ইচ্ছা আছে, বিশ্বকাপের সবগুলো ম্যাচই দেখা। কতগুলো দেখতে পারি দেখা যাক। আমি তো মাঠে বসেই খেলা দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ঘরোয়া ফুটবলের সূচি দিয়ে দিল। আমাদের খেলা না থাকলে অবশ্যই আমি কাতারে গিয়ে কিছু ম্যাচ দেখতাম। অনেকেই বলেছিল, চলো যাই। কিন্তু সম্ভব হচ্ছে না আসলে।
একটা কথা পরিষ্কার করা দরকার। এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা কেন বেশি দেখছি? তাতে অনেকে ভাবতে পারেন আমি আর্জেন্টিনার সমর্থকও। না, আমি আসলে ব্রাজিলের ভক্ত। সঙ্গে ডেনমার্ক। তবু আর্জেন্টিনার কথা বলছি, সব কিছু দেখে ওদের আসলে জোরালো ফেভারিট মনে হচ্ছে। ওহ, চমক দেখাতে পারে এমন আরেকটা দল আছে—উরুগুয়ে, যেখানে (ফেদেরিকো) ভালভের্দে খেলে। ওদেরও বিশ্বকাপে কিছু করে দেখানোর মতো ভালো স্কোয়াড আছে।
আর্জেন্টিনার পাল্লা ভারী হয়েছে, কারণ ওরা এবারের কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন। প্রতিটি পজিশনে অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে। রক্ষণভাগ, মাঝমাঠ, আক্রমণভাগ—প্রতিটি বিভাগ যথেষ্ট শক্তিশালী। ওদের গোলরক্ষক অনেক ভালো খেলছে। তাই আর্জেন্টিনাকে ফেভারিট না বলে উপায় নেই। আর সবাই যেভাবে মেসির জন্য লড়াই করছে, এটাও ওদের একটা বড় শক্তি। মেসির এই সতীর্থরাও কিন্তু একেকজন বড় মাপের খেলোয়াড়, নামিদামি ক্লাবে খেলে।
হ্যাঁ, মেসি বা আর্জেন্টিনার এমন দল আগের বিশ্বকাপগুলোতে ছিল, দলটির সম্ভাবনার কথাও বলেছেন অনেকে। তবে এবার আমার কাছে ব্যাপারটা ভিন্ন মনে হচ্ছে, কারণ এটা হতে পারে মেসির শেষ বিশ্বকাপ। বিষয়টা নিশ্চয় তাঁর সতীর্থদের মাথায়ও আছে। তারা হয়তো মেসিকে এই ট্রফিটা উপহার দিতে চায়। আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানোর জন্য মেসি তো কম লড়াই করেননি। অনেক ম্যাচ জিতিয়েছেনও, আনন্দ দিয়েছেন আর্জেন্টাইনদের। আর শুধু আন্তর্জাতিক ফুটবলই না, ক্লাব ফুটবলেও মেসির ভক্ত অনেক। সবাই চায় মেসি এই বিশ্বকাপটা জিতুন।
মেসি নিজেও এই বিশ্বকাপের আগে তাঁর সেরা ফর্মে আছেন বলেই আমার মনে হয়েছে। সবশেষ ম্যাচগুলোতে দেখেছি, তিনি যা করতে চেয়েছেন, পেরেছেন। বিশ্বকাপে এভাবেই সব ঠিকঠাক হয়ে গেলে আর্জেন্টিনার অপেক্ষা ফুরাতে পারে এবারই। যদিও অপেক্ষায় আছে এমন আরো অনেক দলই। এখনো পর্যন্ত কোনো ট্রফি না জেতা দলগুলো তো আছেই।
প্রীতি / প্রীতি
স্পেনের বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার মিশনেও থাকবেন দে লা ফুয়েন্তে
দ্বিতীয় টেস্টের আগে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ, এখনই জয়ের ভাবনা নেই শান্ত’র
ম্যাকাইতে কেমন উইকেট পাচ্ছে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া, ইঙ্গিত দিলেন কিউরেটর
বাংলাদেশকে হারাতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া, একাধিক পরিবর্তন আসছে একাদশে
আলভারেজকে না পেলে বার্সার সামনে যে বিকল্প
লাল বল থেকে কিছু স্মৃতি নিয়ে যেতে চান মুশফিক
তিন দিনে দুবার ম্যাচের মাঝপথে জ্ঞান হারিয়ে মাঠ ছাড়লেন মুসিয়ালা
এবার ফিফা সভাপতির প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করল ইসরায়েলও
বিক্রি শেষ ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিনের সব টিকিট
‘স্বপ্নের’ ক্লাব বার্সেলোনায় পা রাখলেন রদ্রি
১০ সেকেন্ডের ভুলে মাঠের বাইরে নেইমার!
এটাই আমাদের মানদণ্ড, মৌসুমের প্রথম শিরোপা জিতে আর্সেনাল কোচ