ঢাকা সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

‘বাংলাদেশ আমাদের দুম্বার মতো মেরেছে, ভয় হচ্ছে সহযোগী দেশ হয়ে যাই কি না’


স্পোর্টস ডেস্ক  photo স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২-৩-২০২৬ দুপুর ৪:১৫

বছরের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমে বড় ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে তারা পাকিস্তানকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে। নাহিদ রানা ও মেহেদী হাসান মিরাজের বোলিং তোপে মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারী শাহিন শাহ আফ্রিদির দল। পরবর্তীতে লক্ষ্য তাড়ায় ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৫.১ ওভারে টাইগাররা জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। যা নিয়ে কাটাছেঁড়া বিশ্লেষণ করেছেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে সেই বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছেন বাঁ–হাতি এই পেসার। যেখানে তিনি বাংলাদেশ ‘সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নে’ পাকিস্তানকে আটকে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন আমির। এ ছাড়া এমন পারফরম্যান্স তার দেশকে ‘সহযোগী সদস্যে’র কাতারে নামিয়ে দেয় কি না তিনি সেই শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন। পাকিস্তানি ব্যাটারদের দুর্বলতা চিহ্নিত এবং নির্বাচকদের ক্রিকেটার নির্বাচনেরও সমালোচনা করেন আমির।

তিনি বলেন, ‘মিরপুরে স্পিন উইকেট হবে বলে ভেবেছিল পাকিস্তান, কিন্তু বাংলাদেশ ঘাসে ঢাকা বাউন্সি উইকেট বানিয়ে চমকে দিয়েছে। এখানে বাংলাদেশ খুব স্মার্টলি খেলেছে। আমরা টার্নিং উইকেটের কথা ভাবছিলাম; কিন্তু ওরা বানিয়ে দিল গতির উইকেট। ঠিক যেন “আউট অব সিলেবাস” প্রশ্ন চলে এসেছে। আর আমাদের ব্যাটসম্যানরা ১৪০ প্লাস গতির বোলার দেখলেই লাফালাফি শুরু করে দেয়। নাহিদ রানা ও মেহেদী মিরাজ চমৎকার বল করেছে। বিশেষ করে নাহিদ ১৪০ এর বেশি গতিতে বল করছিল।’

ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের বিপর্যয়ের পেছনে অনুশীলনে ঘাটতি এবং নির্বাচকদের খেলোয়াড় বাছাইয়েও দুর্বলতা দেখছেন আমির, ‘উপর থেকে বল ছুড়ে দেওয়ার পর আপনি খেলছেন (অনুশীলন), এটি পাওয়ার হিটিং বা ডিফেন্স নয়। আসল পেসের বিপক্ষে খেলার সামর্থ্য থাকতে হবে। মাজ সাদাকাত বা শামিল হোসেনদের মতো তরুণদের টেকনিকে অনেক ভুল আছে। তারা শুধু মিড-উইকেটে খেলতে চায়, অফ স্টাম্পের বল বোঝে না। আমরা এখন বাংলাদেশের কাছেও হারতে শুরু করেছি। আমার ভয় লাগছে, শেষ পর্যন্ত আমরা অ্যাসোসিয়েট দল না হয়ে যাই। ৫-৬ জন সিনিয়রকে বাদ দিয়ে শুধু তরুণদের দিয়ে দল হয় না। দলে সিনিয়র-জুনিয়রদের ভারসাম্য থাকতে হবে।’

পাকিস্তান দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমির বলেন, ‘আমরা এখন বাংলাদেশের কাছেও হারছি। আমার ভয় হচ্ছে আমরা কি তবে সহযোগী দেশের মানে নেমে যাচ্ছি? সিনিয়রদের বাদ দিয়ে শুধু তরুণদের দিয়ে দল চলে না, তাদের সঠিক নির্দেশনার জন্য অভিজ্ঞ খেলোয়াড় প্রয়োজন। কামরান গুলাম ও ইরফান খান নিয়াজির মতো পারফর্মারদের সুযোগ পায়নি।’

বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করার পাশাপাশি সিরিজ জিততে একইরকম উইকেট রাখা হবে বলেও ধারণা সাবেক এই পাকিস্তানি পেসারের, ‘তারা আমাদের দুম্বার মতো মেরেছে, যেন তারাও অনেক মজা পাচ্ছিল। যে উইকেটে আমরা ১১৪ রান করলাম, সেই উইকেটে তারা ১০-১২ (মূলত ১৫.১) ওভারে রান তাড়া করে ফেলেছে। আমি আপনাদের বলছি– বাংলাদেশ আপনাদের কোনো স্পিন ট্র্যাক দেবে না। তারা এমন উইকেটই দেবে। তাদের তিনজন ফাস্ট বোলারই শক্তিশালী,  যারা ১৩৫-১৪০ গতিতে বল করে, বিশেষ করে নাহিদ রানা। তারা সিরিজ জেতার জন্য এই সুযোগটাই নেবে।’

এমএসএম / এমএসএম

আনচেলত্তির ব্রাজিলের আসল পরীক্ষা আজ

বিশ্বকাপের মহারণ আজ: ব্রাজিল বনাম জাপান, কার হাসি ফুটবে শেষ পর্যন্ত?

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, হৃদয়-অমিতের অভিষেক

গ্রুপ পর্ব শেষ, নক আউটে উঠলো কারা

মেসির রেকর্ড গোলে নকআউটের আগে শতভাগ জয় আর্জেন্টিনার

বিশ্বরেকর্ড করলেন লিওনেল মেসি

অনলাইনে যেভাবে দেখবেন আর্জেন্টিনা-জর্ডানের ম্যাচ

দেম্বেলের এমন হ্যাটট্রিক ৩২ বছর পর প্রথম

গোল উদযাপনেও কেন শান্ত থাকেন, জানালেন স্কালোনি

ভাগ্যের কাছে আটকে গেল ইরান, নকআউটে খেলার সমীকরণ কী?

বিশ্বকাপের শহরে বাংলাদেশের অধিনায়ক

যে যাদুতে বিশ্বকাপে সাফল্য পাচ্ছে ব্রাজিল

মিডফিল্ডার হয়েও কেন ২ নম্বর জার্সি পরেন নরওয়ের ফুটবলার