প্রাথমিকে শূন্যপদ পূরণের দাবিতে মানববন্ধন
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে ৪৫ হাজার প্রার্থীকে নিয়োগের কথা বলা হলেও পদসংখ্যা ৩২ হাজারই রাখা হচ্ছে। তবে সব শূন্যপদ পূরণ করলে নিয়োগ দেওয়া যাবে ৫৮ হাজারের মতো। সম্প্রতি ঘোষণা করা ৩২ হাজার ৫৭৭টি পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিল চেয়ে রোববার সাকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেছেন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২০ এর চাকরিপ্রত্যাশীরা।
এ সময় বক্তারা বলেন, প্রাথমিকের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৩ জনে ১ জন নিয়োগের কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। বিশাল সংখ্যক পদ খালি থাকার পরও নিয়োগে কোনো গুরুত্ব নেই। এমনিতেই করোনায় আমাদের ক্ষতিসাধন হয়েছে। আমরা দ্রুত শূন্যপদের বিপরীতে নিয়োগ নিশ্চিত চাই।
২০২০ এর চাকরিপ্রত্যাশীদের দাবিগুলো হলো- শূন্যপদের বিপরীতে সর্বোচ্চ সংখ্যক নিয়োগ দেয়া, বিদায়ী সচিব ৫৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কথা উল্লেখ করলেও তা বাস্তবায়িত না হওয়া, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ৪৫ হাজার জন নিয়োগের কথা বললেও তা বাস্তবায়িত না হওয়া, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৩ জনে ১ জন নিয়োগ দেয়া হলেও সেটি না মানা, ৬০ হাজারের বেশি শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ না দেয়া,২০২৩ সাল থেকে প্রাথমিকের বিদ্যালয় এক শিফটে চলবে। সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯-এর ৮ ধারার ২ নম্বর উপধারাতে (ঘ) বলা হয়েছে, ‘নির্ধারিত কোটার শিক্ষকদের মধ্যে প্রত্যেক ক্যাটাগরিতে (নারী ৬০ শতাংশ, পোষ্য ২০ শতাংশ ও অবশিষ্ট পুরুষ শতাংশ) অবশ্যই ২০ শতাংশ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তবে শর্ত থাকে, এভাবে ২০ শতাংশ কোটা পূরণ না হলে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া যাবে।’
বর্তমানে সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬৬টি। এসব বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষক আছেন প্রায় পৌনে চার লাখ। প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা তিন ধাপে নেওয়া হয়। প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৪০ হাজার ৮৬২, দ্বিতীয় ধাপে ৫৩ হাজার ৫৯৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৫৭ হাজার ৩৬৮ জন। তিন ধাপের মৌখিক পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন এবার তাদেরই চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে।
এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদেই নিয়োগ দেওয়া হবে। সে অনুসারে ৩২ হাজার ৫৭৭টি পদেই নিয়োগ দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদন করেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন। এরপর পদ বাড়িয়ে ৪৫ হাজার নিয়োগের কথা বলা হয়। করোনাসহ বিভিন্ন কারণে নিয়োগ কার্যক্রম দীর্ঘ দিন ধরে ঝুলে ছিল। এরই মধ্যে অবসরজনিত কারণে আরো ১০ হাজারেরও বেশি পদ শূন্য হয়। এই অবস্থায় ৫৮ হাজার পদে শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারেও প্রস্তাব করা গত অক্টোবরে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত হলো, ৩২ হাজার ৫৭৭ পদেই জনবল নিয়োগ দেওয়া।
প্রীতি / প্রীতি
চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপলব্ধি বাড়াতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় মানবিক তহবিল গঠন করছে গকসু
৭৯ হাজার শিক্ষার্থী পেল প্রাথমিক বৃত্তি, ট্যালেন্টপুল ৩২ হাজার ৯৬৫
আবহাওয়া দেখে এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী
প্রাথমিকে বৃত্তি পেল ৭৯ হাজার শিক্ষার্থী
প্রাথমিক বৃত্তির ফল আজ, জানা যাবে এসএমএস ও অনলাইনে
গণ বিশ্ববিদ্যালয় অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনুসরণীয়: শিক্ষামন্ত্রী
বর্ণাঢ্য আয়োজনে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
রোববার দুপুর ১২টায় প্রকাশ হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তির ফল
ছাত্রলীগের সেই সহ-সভাপতিই এখন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক
এইচআর ক্লাব পবিপ্রবির উদ্যোগে মৌসুমি ফল উৎসব অনুষ্ঠিত