ঢাকা বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

প্রাথমিকে শূন্যপদ পূরণের দাবিতে মানববন্ধন


আব্দুর রব সুজন photo আব্দুর রব সুজন
প্রকাশিত: ২৭-১১-২০২২ রাত ৮:৫৯

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে ৪৫ হাজার প্রার্থীকে নিয়োগের কথা বলা হলেও পদসংখ্যা ৩২ হাজারই রাখা হচ্ছে। তবে সব শূন্যপদ পূরণ করলে নিয়োগ দেওয়া যাবে ৫৮ হাজারের মতো। সম্প্রতি ঘোষণা করা ৩২ হাজার ৫৭৭টি পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিল চেয়ে রোববার সাকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেছেন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২০ এর চাকরিপ্রত্যাশীরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, প্রাথমিকের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৩ জনে ১ জন নিয়োগের কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। বিশাল সংখ্যক পদ খালি থাকার পরও নিয়োগে কোনো গুরুত্ব নেই। এমনিতেই করোনায় আমাদের ক্ষতিসাধন হয়েছে। আমরা দ্রুত শূন্যপদের বিপরীতে নিয়োগ নিশ্চিত চাই।

২০২০ এর চাকরিপ্রত্যাশীদের দাবিগুলো হলো- শূন্যপদের বিপরীতে সর্বোচ্চ সংখ্যক নিয়োগ দেয়া, বিদায়ী সচিব ৫৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কথা উল্লেখ করলেও তা বাস্তবায়িত না হওয়া, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ৪৫ হাজার জন নিয়োগের কথা বললেও তা বাস্তবায়িত না হওয়া, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৩ জনে ১ জন নিয়োগ দেয়া হলেও সেটি না মানা, ৬০ হাজারের বেশি শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ না দেয়া,২০২৩ সাল থেকে প্রাথমিকের বিদ্যালয় এক শিফটে চলবে। সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯-এর ৮ ধারার ২ নম্বর উপধারাতে (ঘ) বলা হয়েছে, ‘নির্ধারিত কোটার শিক্ষকদের মধ্যে প্রত্যেক ক্যাটাগরিতে (নারী ৬০ শতাংশ, পোষ্য ২০ শতাংশ ও অবশিষ্ট পুরুষ শতাংশ) অবশ্যই ২০ শতাংশ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তবে শর্ত থাকে, এভাবে ২০ শতাংশ কোটা পূরণ না হলে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া যাবে।’

বর্তমানে সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬৬টি। এসব বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষক আছেন প্রায় পৌনে চার লাখ। প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা তিন ধাপে নেওয়া হয়। প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৪০ হাজার ৮৬২, দ্বিতীয় ধাপে ৫৩ হাজার ৫৯৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৫৭ হাজার ৩৬৮ জন। তিন ধাপের মৌখিক পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন এবার তাদেরই চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে।

এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদেই নিয়োগ দেওয়া হবে। সে অনুসারে ৩২ হাজার ৫৭৭টি পদেই নিয়োগ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদন করেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন। এরপর পদ বাড়িয়ে ৪৫ হাজার নিয়োগের কথা বলা হয়। করোনাসহ বিভিন্ন কারণে নিয়োগ কার্যক্রম দীর্ঘ দিন ধরে ঝুলে ছিল। এরই মধ্যে অবসরজনিত কারণে আরো ১০ হাজারেরও বেশি পদ শূন্য হয়। এই অবস্থায় ৫৮ হাজার পদে শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারেও প্রস্তাব করা গত অক্টোবরে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত হলো, ৩২ হাজার ৫৭৭ পদেই জনবল নিয়োগ দেওয়া।

প্রীতি / প্রীতি

গবির অন্তঃক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতা শেষ, বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৯ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে গণ বিশ্ববিদ্যালয়

বর্ণিল আয়োজনে গবির আইন বিভাগে বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন

বাকৃবিতে ইন্টারন্যাশনাল গেস্ট হাউস কনফারেন্স হলের উদ্বোধন

ডিআইইউতে প্রশাসনিক রদবদল: নতুন ডিন ও প্রক্টর নিয়োগ

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে উত্তরবঙ্গের কৃষি শিক্ষার মডেল হিসাবে তৈরি করাতে চান উপাচার্য

পোল্ট্রি শিল্পের টেকসই উন্নয়নে বাকৃবিতে দিনব্যাপী কর্মশালা

ছাত্র অধিকার পরিষদ গোবিপ্রবি’র নতুন নেতৃত্বে সাইদুর-সাব্বির

ইবি'র দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নবনিযুক্ত ভিসি ড. মতিনুর রহমান

গ্রিকালচারাল অলিম্পিয়াডে শেকৃবির শিক্ষার্থীদের সাফল্য

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার অঙ্গীকারে শেকৃবিসাসের নিউজ পোর্টাল উদ্বোধন ও বর্ষসেরা সাংবাদিক সম্মাননা প্রদান

পবিপ্রবিতে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের আন্দোলনে হামলা, নেপথ্যে ভিসি-প্রোভিসি দ্বন্দ্ব ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ইবি'র ১৫তম ভিসি হলেন প্রফে:ড. মতিনুর রহমান