জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ পেলেন শেকৃবি'র ২৩৬ জন শিক্ষার্থী
সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (এনএসটি) ফেলোশিপ পাচ্ছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ২৩৬ জন মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। ফেলোশিপ প্রাপ্তদের তালিকা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবাসাইটেও প্রকাশিত হয়েছে।
খাদ্য ও কৃষিবিজ্ঞান গ্রুপে এ বছর মোট ১৩৫৭ জন মাস্টার্সের শিক্ষার্থীকে গবেষণা বাবদ এ ফেলোশিপ প্রদান হয়। এর মধ্যে শেকৃবি থেকে ২৩৬ জন মাস্টার্সের শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।
ফেলোশিপপ্রাপ্তরা এমএসসি ক্যাটাগরিতে প্রত্যেকে ৫৪ হাজার টাকা, এমফিল ক্যাটাগরিতে ৯৯ হাজার টাকা ও পিএইচডি ক্যাটাগরিতে ৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৭-৭৮ অর্থবছর থেকে গবেষণা কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে ভৌত বিজ্ঞান, জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান, খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান এই তিনটি ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। তিন ক্যাটাগরির নির্ধারিত কমিটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত ও গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি, পোস্ট-ডক্টরাল শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এই ফেলোশিপ প্রদান করে থাকে।
সুজন / সুজন
বাকৃবিতে প্রথম বারের মতো ক্যাট শো অনুষ্ঠিত
গোবিপ্রবিতে গুচ্ছ “এ” ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন
গোবিপ্রবিতে গুচ্ছ এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষার্থী সংগঠন
ইবিথানায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান হতে ৫৩ হাজার ৬৯ আবেদন
মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ বাঙলা কলেজের আবাসিক শিক্ষার্থীরা, কলেজ প্রশাসনের নেই কার্যকর উদ্যোগ
ইবিতে শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তথ্য আহবানে গণবিজ্ঞপ্তি
পবিপ্রবি ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে রেদওয়ান ও আশিকুর
গোবিপ্রবি’তে জিএসটি গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন
অষ্টম দিনে গড়াল পবিপ্রবির ডিভিএম শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী আলোচনায় সমাধানহীন সংকট
আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তিতে ধানের পোকা দমনে নতুন প্রযুক্তি: বছরে শত শত কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা