ছেলে ভারতের মন্ত্রী, বাবা-মা এখনও দিনমজুর
ছেলে ড. এল মুরুগান ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীপরিষদের সদস্য হলেও তার বাবা-মা এখনও অন্যের ক্ষেতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বাবা-মাকে নিজের সঙ্গে রাখতে চাইলেও বাবা লোগানাথন (৬৮) ও মা এল ভারদাম্মাল (৫৯) ছেলে সঙ্গে থাকতে রাজি না। আধুনিক জীবনধারার সঙ্গে তারা মানিয়ে উঠতে পারেন না। এ জন্য ছেলের সঙ্গে চারদিন থাকার পর নিজেদের গ্রামে চলে এসেছেন। আবার অন্যের ক্ষেতে কাজ শুরু করেছেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তামিলনাড়ুর নামাক্কাল জেলার কোনুর গ্রামে ছোট্ট ঘরে বসবাস করেন লোগানাথন এল ভারদাম্মাল। তারা দু’জনেই দিনমজুর। সঙ্গীদের সঙ্গে কাজ করেন। যেখানে কাজ পান, সেখানেই চলে যান। তাদের সন্তান ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী-এর কোনো প্রভাবই নেই তাদের জীবনে। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে যখন এই খুশির খবর শুনেছেন, তখন তাদের খুব আনন্দ হওয়ার কথা। কিন্তু খবর শোনার পরও তারা মাঠের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কাজ বন্ধ করেননি।
মুরুগানকে ২০২০ সালের মার্চে তামিলনাড়ু রাজ্যে বিজেপির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। এরপর বাবা-মার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কোনুর গ্রামে গিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন ভক্তরা। ছিল পুলিশি নিরাপত্তা। কিন্তু মুরুগানকে কোনো বাহুল্য না দেখিয়ে তারা শান্তভাবে গ্রহণ করেন। যদিও তাদের সন্তানের অর্জনের জন্য গর্বিত, তবু একরোখাভাবে তারা স্বনির্ভর অর্থাৎ নিজেরা ছেলে বা অন্যের ওপর নির্ভর করেন না। পাঁচ বছর আগে তাদের ছোট ছেলে মারা যান। এর পর থেকে তারা সেই পুত্রবধূ ও তার সন্তানদের দেখাশোনা করছেন।
প্রীতি / প্রীতি
ইমরান খানের সমর্থকদের লং মার্চ প্রত্যাহারের আহ্বান শেহবাজ শরিফের
বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, শতশত স্কুলে শিক্ষার্থীদের ব্লকেড
ওমান উপকূলে ট্যাংকারে হামলা, ১১ ভারতীয় ক্রু আহত
ফ্লাইদুবাইয়ের সেই বিমানটি ভূপাতিত করার প্রস্তুতি নিয়েছিল ইসরায়েল
সৌদির আভা বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়ল হুথিরা
পদার্থে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হেলজেন
ইরানি সেনাবাহিনীর কাছে নতুন সরঞ্জামের বিশাল মজুদ রয়েছে : মুখপাত্র
ইসরায়েলের ২৭ জন কূটনীতিকে সপরিবারে বহিষ্কারের হুমকি যুক্তরাজ্যের
হুথিদের হটিয়ে বাব আল-মান্দেব প্রণালি, মোচা দখলের দাবি ইয়েমেনি বাহিনীর
পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা হবে আজ
নাইজেরিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, ৩২ জন যাত্রী-ক্রু’র সবাই নিহত
অবশেষে সক্রিয় মক্কা চুক্তি : সৌদিতে সেনা পাঠাচ্ছে পাকিস্তান, তুরস্ক