ঢাকা বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

কারাগারে নেই মানসিক ডাক্তার


মো. বাকী বিল্লাহ photo মো. বাকী বিল্লাহ
প্রকাশিত: ২৯-৪-২০২৩ বিকাল ৫:৪৭

দেশের কারাগারগুলোতে বন্দীদের এক-তৃতীয়াংশই মাদক মামলার আসামি। আর তাদের অধিকাংশই মাদকাসক্ত রোগী। মাদকের বিস্তার ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ধৃত আসামি মাদকসেবী ও মাদক কারবারি একই সেলে থাকছে কারাগারে। ফলে তাদের মধ্যে সহজেই বন্ধুত্ব হওয়ার সুযোগে এর ঝুঁকি আরো বাড়ছে। এছাড়া বন্দীদের মানসিক বিকাশ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে কারাগারে নেই প্রয়োজনীয় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।

কারা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সিভিল সার্জন থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কাশিমপুর ও নারায়ণগঞ্জ কারাগারের হাসপাতালে ৪ জন সহকারী সার্জন নিয়োগ থাকলেও মাদকরোগীর চিকিৎসায় নেই মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডাক্তার ও নার্স । অথচ দেশের ৬৮ কারাগারে প্রতিদিন আটক থাকে ৭৫ থেকে ৮০ হাজার আসামি। এর মধ্যে মাদক মামলার আসামিই প্রায় ২৪ হাজার। অবশ্য মাদক মামলার এসব আসামিদের বড় অংশই মাদকরোগী।

কারাগারে মাদক মামলায় বন্দীদের চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার বজলুর রশিদ সকালের সময়কে মুঠোফোনে বলেন, এ কারাগারে ৬শ বন্দীর মধ্যে প্রায় ২শ আসামিই মাদক মামলায় আটক। মাদক মামলার নতুন আসামিদের মাদকসেবী চিহ্নিত করতে প্রথমে আলাদা সেলে রাখা হয়। পরে নেশার উপসর্গ বা লক্ষণ দেখা দিলে কারারক্ষী ও কয়েদিরা তাদের অভিজ্ঞতায় সেবা দেয়ার চেষ্টা করে।

তিনি বলেন, এদের চিকিৎসা প্রয়োজন হলে কারা হাসপাতালের চিকিৎসক জেনারেল চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। তবে দেশের কারা হাসপাতালগুলোতে নেই মনোরোগ চিকিৎসক, মাদকরোগীর চিকিৎসায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ খুবই প্রয়োজন। কারণ মাদকসেবীর নেশা ওঠলে অনেক সময় একজন অপরজনকে আঘাত করাসহ নানান রকম  আত্মঘাতি আচরণ করে থাকে।

এছাড়া হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মতিয়ার রহমান সকালের সময়কে মুঠোফোনে বলেন, আমাদের জেলা কারাগারে ৮৮৬ জন বন্দীর মধ্যে ২শ এর বেশি  মাদক মামলার আসামি। মাদকাসক্ত বন্দী অনেক সময় নেশার চাহিদায় অজ্ঞান হয়, মানসিক উত্তেজনায় অস্বাভাবিক আচরণ করে থাকে। তখন নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে মাদক মামলার এসব বন্দীদের নার্সিং করি ও কারা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা করি। এদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে জেলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি আরো বলেন, মাদকাসক্তরোগীকে সুস্থ্যজীবনে ফেরাতে মানসিক সুস্থ্যতায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন, যা কারাগারে নেই।
বন্দী মাদকরোগীদের চিকিৎসায় কারাগারে প্রশিক্ষিত লোকবল নেই এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব মো. জিয়াউল হক সকালের সময়কে বলেন, কারাগারে বন্দীদের জেনারেল চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। মাদকরোগীর চিকিৎসায় আলাদা প্রশিক্ষিত লোকবলের ব্যবস্থা এখনো নেই। তবে প্রয়োজনীয় লোকবলের চাহিদা কাঠামো প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে। প্রস্তাবিত চাহিদা অনুমোদন হলে এ বিষয়ে নিয়োগ দিবেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) আজিজুল ইসলাম বলেন, দেশের ৬৮টি কারাগারে মাদক মামলার আসামিদের সচেতন করতে ২০১৯ সাল থেকে নিয়মিত মাদকবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। মাদক নিরোধে ও বন্দীদের সচেতন করতে কারাগারগুলোতে ২০২২ সালে ১শ সেমিনার করলেও এবছর গত তিন মাসেই ৬৪টি সচেতনতামূলক প্রচারণা করেছে অধিদপ্তর। 

 

এমএসএম / এমএসএম

বর্ষাকালের অসুখ-বিসুখ

স্বল্প টাকার এক কিটেই বদলে যেতে পারে হাম মোকাবিলা

মন্ত্রীর পেছনে টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

আমরা হাসপাতাল বন্ধ করেছি কিন্তু মেডিকেল কলেজ বন্ধ করিনি

আদ্-দ্বীনের শিক্ষা কার্যক্রম অন্য হাসপাতালে চালাতে হবে

আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজ : ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব না দিলে লাইসেন্স বাতিল

হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, উপসর্গ শনাক্ত ১১৫১: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

রিদম গ্রুপ ও মানিপল হসপিটালসের চুক্তিতে বাংলাদেশ-ভারত ট্যুরিজমে নতুন গতি

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য হলেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম

এপ্রিলে প্রতিদিন গড়ে হাম শনাক্তের হার ৩৫%, ল্যাবে বাড়ছে চাপ

হঠাৎ হামের প্রকোপ, ৩০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

পবিত্র ঈদ উল ফিতরের ছুটির মাঝে বিএমইউ’র বহির্বিভাগে ‎পরীক্ষানিরীক্ষা সেবাসহ ৬শত ৮৫ রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান

ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ কিডনী ডিজিস এ্যান্ড ইউরোলজিতে বিশ্ব কিডনী দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত