ঢাকা শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬

আজ বিশ্ব মশা দিবস : নেই তেমন কোনো ‍আয়োজন


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০-৮-২০২১ দুপুর ১০:৪০

আজ ২০ ‍আগস্ট, বিশ্ব মশা দিবস। দেশে করোনা মহামারী পরিস্থিতির মধ্যেই এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে শত শত লোক হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মশা দিবসের গুরুত্ব থাকলেও মশাবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের হারে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও দিবসটি পালনে তেমন কোনো কর্মসূচি দিতেও দেখা যায়নি। দেশে একপ্রকার অবহেলিত মশা দিবস। গবেষকরা বলছেন, প্রতি বছর বাংলাদেশে লক্ষাধিক মানুষ মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

কীটতত্ত্ববিদরা বলছেন, মশাবাহিত রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য হলেও দিবসটি পালন করা দরকার। কীটতত্ত্ববীদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে প্রায় ৩০০ মানুষ। ডেঙ্গুর পাশাপাশি চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া ও জাপানিজ এনকেফালাইটিস মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয় বাংলাদেশের মানুষ। কিন্তু দিবসটি পালন নিয়ে কারো তেমন কোনো কর্মসূচি নেই।

জানা যায়, ১৯৩০ সাল থেকে প্রতি বছর ২০ আগস্ট দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে। ব্রিটিশ চিকিত্সক রোনাল্ড রস ১৮৯৭ সালের ২০ আগস্ট ম্যালেরিয়া রোগের কারণ যে, মশা সেটি আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কারের জন্য তিনি পরে চিকিত্সাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার পান। তার সম্মানে যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন দিবসটি পালন শুরু করে। এর পর থেকে পৃথিবীর অনেক দেশেই এই দিবস পালিত হয়ে আসছে। এ বছর মশা দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘ম্যালেরিয়া শূন্য লক্ষ্য অর্জন’।

উষ্ণ-আর্দ্র আবহাওয়া, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা ও মানুষের অসচেতনতার কারণে বাংলাদেশ মশার প্রজননের উপযুক্ত ক্ষেত্র হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ১২৩ প্রজাতির মশা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমান ঢাকায় রয়েছে ১৪ প্রজাতির মশা। মশা নিয়ন্ত্রণ ও মশাবাহিত রোগের চিকিত্সায় ব্যয় হচ্ছে প্রায় হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশে মশাবাহিত রোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া ও জাপানিজ এনকেফালাইটিস।

২০০০ সালে প্রথম বাংলাদেশে ডেঙ্গু শনাক্ত হয় এবং পাঁচ হাজার ৫০০ মানুষ আক্রান্ত হয়। এরপর প্রতি বছরই কমবেশি ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব হয়েছে, তবে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ২০১৯ সালে। ঐ বছর সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয় এবং ১৭৯ জন মারা যায়। আর ২০২১ সালে চলতি মাসের ১৮ তারিখ পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিত্সা নিয়েছে এবং ২৬ জন মারা গেছে। ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঘটায় ডেঙ্গু ভাইরাস বহনকারী এডিস মশার দুটি প্রজাতি। যার একটি হলো এডিস ইজিপ্টি, আরেকটি হলো অ্যালবোপিকটাস। এডিস ইজিপ্টিকে শহুরে মশা বা নগরের মশা অথবা গৃহপালিত মশা বলা হয়; আর অ্যালবোপিকটাসকে বলা হয় এশিয়ান টাইগার মশা অথবা গ্রামের মশা। এডিস মশা পাত্রে জমা পানিতে জন্মায় এবং বর্ষাকালে এর ঘনত্ব বেশি হয়। তাই ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব এ সময় বেড়ে যায়।

২০০৮ সালে বাংলাদেশে প্রথম চিকুনগুনিয়া ধরা পড়ে। এরপর ২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রায় প্রতি বছর চিকুনগুনিয়া রোগ শনাক্ত হয়। অ্যানোফিলিস মশার সাতটি প্রজাতি বাংলাদেশে ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়। বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা ও বর্ডার এরিয়ার মোট ১৩ জেলার ৭২টি উপজেলায় ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। ২০০৮ সালে ৮৪ হাজার ৬৯০ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয় এবং ১৫৪ জন মারা যায়।

জামান / জামান

'জুলাই বার্তাবীর' অ্যাওয়ার্ড পেলেন স্টার নিউজের ইমরান

ইসিতে চলছে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে শেষ দিনের আপিল

পাবনা–১ ও ২ আসনের নির্বাচন স্থগিত

যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের শুল্ক কমানোর প্রস্তাব

এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতির ধর্মঘট প্রত্যাহার

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির খসড়া তৈরি হয়েছে : আসিফ নজরুল

চীনা নাগরিকের হাত ধরে ঢাকায় অবৈধ আইফোন কারখানা

মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ৫ দফা দাবি

এবার কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

‘নিজ দেশের নাগরিক হত্যা, তাদের গণকবর—সভ্য রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না’

নির্বাচনী ট্রেন সচল করতে যন্ত্রাংশ বদলে গতি ফেরানোর চেষ্টা ইসির

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ