ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজের দেহদান করবেন ঋতুপর্ণা


বিনোদন ডেস্ক photo বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০-৮-২০২৪ দুপুর ১:৫১

পশ্চিমবঙ্গের সদ্য প্রয়াত সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দেহদান দেখে টলিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনিও তার দেহদান করবেন। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) না ফেরার দেশে চলে যান বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। জীবদ্দশায় নিজের দেহদান করে দেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক এই মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতার সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানানোর পর মরদেহ দাহের পরিবর্তে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানকার নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। 
এরপরই ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ঋতু। বুদ্ধদেবের মতো নিজেও দেহদানের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমার ফুপু, ফুপা একই পথের পথিক। আমিও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর (বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য) পথেই হাঁটব। দাহ করার বদলে দেহ দান করে গেলে আমার দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হয়তো কোনো মৃত্যুপথযাত্রীকে জীবনের পথে ফেরাতে পারবে। তার মধ্যে দিয়ে আমিও বেঁচে থাকব চিরকাল।’
মুখ্যমন্ত্রীর শেষ যাত্রায় ছুটে গিয়েছিলেন ঋতুপর্ণা। সে বর্ণনা দিয়ে নায়িকা বলেন, ‘আমি যখন পৌঁছেছি, তখন আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে দলীয় অফিসের কার্যালয় থেকে দেহ নীলরতন সরকার হাসপাতালের পথে। আমার জন্য শববাহী গাড়ি কয়েক মুহূর্তের জন্য থামানো হয়েছিল। জনস্রোতে ভাসতে ভাসতে ওনার গাড়ির কাছে পৌঁছালাম।’
বুদ্ধদেব সম্পর্কে অভিনেত্রী বলেন, ‘ভীষণ বুদ্ধিদীপ্ত। আর প্রচণ্ড রসিক। কথায় কথায় বেশ মজা করতেন। ওনার আমলে বেশ কয়েকবার মুখোমুখি হয়েছি। যতবার সামনাসামনি হয়েছি, হাসিমুখে কথা বলেছেন।’

Aminur / Aminur

বোকা আমি নাকি এই মন : তমা মির্জা

শুটিংয়ের শুরুতেই বিপাকে সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক ‘দাদা’

আবারও স্থগিত কাভিশের কনসার্ট

‘ঐশ্বরিয়া’ অধ্যায় ভুলে সালমানের পাশে বিবেক ওবেরয়

বিয়েতে অহেতুক খরচ না করে সেই টাকা অসহায়দের দিন : শ্রুতি হাসান

বাংলাদেশ বেতারের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে উপস্থাপনা বিভাগে অসংগতির অবসান চান উপস্থাপক-উপস্থাপিকারা

মেকআপ ছাড়া ছবির সঙ্গে যা লিখলেন সাদিয়া আয়মান

ফের ভিকির সিরিজে তৌসিফ, সঙ্গে নতুন মুখ

‘গানের পথে দেখা’ হলো রূপঙ্কর ও জয়ের

নীল জলরাশির প্রেমে পারশা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত ইয়ামি গৌতম

স্ত্রীকে রেখে ‘তরুণী’ সঙ্গিনীকে নিয়ে ফ্রেমবন্দী গোবিন্দ

জাতীয় পুরস্কার পেয়ে কার্তিক বললেন—যাত্রাটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক ছিল