ঢাবির ছাত্র আবু বকর হত্যার পুনঃবিচার দাবি
মধুপুরে মানববন্ধন ও ছাত্র-শিক্ষক-জনতার সমাবেশ
২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের অন্তর্দ্বন্দ্বের সংঘর্ষে নিহত মেধাবী শিক্ষার্থী শহীদ আবু বকর হত্যার পুনঃবিচাররের দাবি উঠেছে টাঙ্গাইলের মধুপুরে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে। ওই মানববন্ধনে ছাত্র-শিক্ষক-জনতার সমাবেশ ঘটে। ঢাবির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী নিহত আবু বকর সিদ্দিক মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী ইউনিয়নের গোলাবাড়ী গ্রামের দরিদ্র রুস্তম আলীর ছেলে।
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডে ছাত্র-শিক্ষক সমাবেশ ও মানববন্ধনে এমন দাবি করা হয়েছে। শহীদ আবু বকর স্মৃতি সংসদ এ কর্মসূচির আয়োজন করে। স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিক সমাজ এতে অংশ নেন।
কর্মসূচিতে আবুবকর হত্যার প্রহসনের বিচার প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে পুনরায় বিচারকার্য শুরুর দাবি করে সামনে আরো কর্মসূচি ঘোষণা দেয়া হয়েছে ওই কর্মসূচিতে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে।
কর্মসূচিতে শহীদ আবু বকরের বাবা রুস্তম আলী, বড় ভাই আব্বাস আলী, ছোট ভাই ভাসানী বিশ্বিবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক ছাড়াও শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিতাই চন্দ্র কর, সাবেক অধ্যক্ষ বজলুর রশীদ খান, মধুপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোন্তাজ আলী, ঢাবির একই বিভাগের ও মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র আনোয়ার হোসেন, শহীদ স্মৃতির সাবেক ছাত্র আব্দুল লতিফ পান্না, সাংবাদিক এসএম শহীদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা এসএম সবুজ, ইকরামুল হক অনিক, ঢাবিয়ান শুভ্র প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
বক্তাদের বক্তব্য ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের অন্তর্দ্বন্দ্বের সংঘর্ষে স্যার এ এফ রহমান হলের আবাসিক ছাত্র আবু বকর নিজ কক্ষে অবস্থানকালে গুলিবিদ্ধ হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান।
ওই ঘটনায় আরও ৩০ জন আহত হন। আহত ঢাবির আইন বিভাগের ছাত্র ওমর ফারুক এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর নামে মামলা করলে প্রায় আট বছর মামলা চলে। বাদীর পক্ষে সরকারি কৌঁসুলি মামলা পরিচালনা করেন। ২২ স্বাক্ষীর ১১ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ২০১৭ সালের মধ্যভাগে (সম্ভবত জুন মাসে) বাদী ও আবুবকরের পরিবারের অজান্তে মামলার রায়ে ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মীকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।
রায়ে আবু বকরের হত্যায় দায়ী তা নিশ্চিত হয়নি। এ দিকে ঢাকার চতুর্থ অতরিক্ত মহানগর আদালতের দায়রা জজ জাহিদুল কবিরের আদালতে খালাস পাওয়া ছাত্রলীগের ওই নেতাকর্মীরা বর্তমানে সরকারি চাকরিসহ নানা পেশায় যুক্ত।
আবু বকরের বড় ভাই আব্বাস আলী ও ছোট ভাই ওমর ফারুক জানান, রায়ের ৭ মাস পর ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে খবরটি পেয়ে হতাশ হই। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আপিল করার সুযোগ গ্রহণ তো করেননি, এমনকি আমাদের আপিল করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছেন। ফলে আমাদের আড়াল করে মামলার দেয়ায় এ রায় ত্রুটিপূর্ণ। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে তাই বিচার বিভাগের বিশেষ তদন্তসাপেক্ষে এই আলোচিত মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরু করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
এমএসএম / জামান
বাগেরহাটে আইনজীবী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
নাগেশ্বরীতে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও এসআইএর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-মানববন্ধন
রাণীনগরে ইউএনও রাকিবুল হাসানের বদলি বাতিলের দাবিতে নেটিজেনরা
বেনাপোল বন্দরে গেটপাশ জটিলতা: দুই দিন পর আমদানি শুরু
অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে পিরোজপুরে র্যাব-৮ এর টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
নোয়াখালীতে লাকড়ির ঘরে মিলল এলজি-কার্তুজ
খাঁনপুর জে.পি উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি আবু সাঈদ চাঁদকে সংবর্ধনা
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ, নিম্নমানের চারা বিতরণে ক্ষোভ
সাতক্ষীরায় মাদক-চোরাচালানে জিরো টলারেন্স ঘোষণা খুলনা রেঞ্জের ডি আইজি
খাঁনপুর জে.পি উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি আবু সাঈদ চাঁদকে সংবর্ধনা
নেত্রকোণার দুর্গাপুরে সচেতনতামূলক মাদকবিরোধী সমাবেশে-জেলা পুলিশ সুপার