ঢাকা শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬

২৯ বছরে ফুটবলকে বিদায় বললেন জিদান পুত্র


স্পোর্টস ডেস্ক  photo স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৪-৯-২০২৪ রাত ৮:১

কিংবদন্তি ফুটবলার ও কোচ জিনেদিন জিদানের চার ছেলে। চারজনই ফুটবলার। এর মধ্যে বড় এনজো জিদান মাত্র ২৯ বছর বয়সে ফুটবলকে বিদায় বলেছেন।

ফুটবল ছেড়ে ব্যবসা মনোযোগ দিতে চান তিনি। সঙ্গে তিন সন্তানের জনক এনজো পরিবারকে দিতে চান কিছুটা বেশি সময়। আগে থেকেই ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি। এখান সেখানে বিনিয়োগ বাড়াতে চান।

এনজো জিদান ছিলেন মিডফিল্ডার। রিয়াল মাদ্রিদ একাডেমিতে খেলেছেন তিনি। বাবার কোচিংয়ে রিয়ালের মূল দলেও জায়গা পান। কোপা দেল রে’তে একটা ম্যাচ খেলে গোলও পান। কিন্তু রিয়ালে তাকে তার বাবারও খেলার সুযোগ দিতে পারেননি। চলে যান লা লিগা খেলা আলাভেসে। সেখানেও সুবিধা করত না পেরে ডিভিশনের বিভিন্ন ক্লাবে ১১১ ম্যাচ খেলে অবসর নিলেন তিনি। 

জিদানের চার ছেলের মধ্যে দ্বিতীয় লুকা জিদান। তিনি গোলরক্ষক। বয়স ২৬। রিয়াল মাদ্রিদ একাডেমিতে ছিলেন। দুই মৌসুম রিয়ালের ব্যাকআপ গোলরক্ষক ছিলেন। দুটি ম্যাচও খেলেছেন। এরপর চলে যান রায়ো ভায়োকানোয়। এখন ডিভিশনে খেলা ক্লাব এইবারে আছেন তিনি। 

জিদানের তৃতীয় ছেলে থিও জিদান। ২২ বছরের এই ৬ ফিট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার মিডফিল্ডার রিয়াল একাডেমিতে তিন মৌসুম খেলে কর্দোবায় যোগ দিয়েছেন। ছোটজন ১৮ বছর বয়সী এলয়াজ জিদান। উচ্চতা ৬ ফিট ৫ ইঞ্চি। খেলেন সেন্ট্রাল ডিফেন্সে রিয়াল বেটিস একাডেমিতে। চার ছেলের কেউই এখন পর্যন্ত বাবার মতো বড় ফুটবলার হওয়ার আশা দিতে পারেননি।

T.A.S / T.A.S

বিশ্বকাপের আগে প্রথমবার এমন অভিজ্ঞতার মুখে আর্জেন্টিনা

পাকিস্তানকে হুমকি দিয়ে ভারতকে আফগান তারকার বার্তা

চীনকে হারিয়ে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

ইরানে ফিরেছেন অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চাওয়া ৫ ফুটবলার

ইতিহাসের দীর্ঘতম নো বল— আমিরকে ছাড়িয়ে গেলেন আরেক পাকিস্তানি!

এবারও ব্রাজিল দলে ডাক পেলেন না নেইমার

নিউজিল্যান্ড সিরিজের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার দলেও চোটের ধাক্কা

ফিনালিসিমা বাতিল : বিকল্প দুই প্রস্তাব পেলেও রাজি হয়নি আর্জেন্টিনা

‘ভালোবাসি বলে, ভালোবাসা দেখিয়ে বাংলাদেশ আমার হারিয়ে দিল'

নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ সফরের সূচি চূড়ান্ত, দুই ভেন্যুতে খেলা

কার নেতৃত্বে ভারত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছে, ভুলেই গেল বিসিসিআই!

ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের একাদশে ৩ পরিবর্তন

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচেও বৃষ্টির শঙ্কা