ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

পরকীয়ার টানে গর্ভের সন্তান নষ্ট করে পুলিশ সদস্যর বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌতুক মামলার অভিযোগ


নিজাম উদ্দিন photo নিজাম উদ্দিন
প্রকাশিত: ৮-৯-২০২১ দুপুর ২:৫১

ডিএমপির মোহাম্মাদপুর থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্য কনস্টেবল তাজুল ইসলাম রুবেলের বিরুদ্বে বরগুনা কোর্টে  নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলার বাদী সুমি আক্তারের মা হেলেনা বেগম। 

স্ত্রী নির্যাতনের মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদস্য তাজুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে মামলাটি করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তার স্ত্রী সুমি আক্তার পরকীয়ার আসক্ত। পরকীয়ার টানে চলতি বছরের গত মাসে
না বলেই বাসা থেকে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজ স্ত্রীকে খুঁজে না পাওয়ায় মোহাম্মদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করি, যার নং ১৪৬৪। 

পুলিশ সদস্য তাজুল ইসলাম তার স্ত্রীকে নিয়ে মোহাম্মদপুরের বসিলায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।  তাদের গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের লেমুয়া গ্রামে। 

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য তাজুল  ইসলাম তার স্ত্রী সুমির বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এক কর্মকর্তার সাথে পরকীয়ায় আসক্ত। একাধিকবার বুঝিয়েও স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে পারেননি স্বামী তাজুল ইসলাম। কিন্তু পরকীয়ার বিষয়টি স্ত্রী সুমির পরিবার ভিন্ন খাতে নিতে আমার মা-বাবা এবং আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা করে বরগুনা কোর্টে। 

তাজুল ইসলাম আরো বলেন, আমার স্ত্রী সুমি আক্তার পরকীয়ার টানে গত মার্চ মাসেও তার গর্ভের প্রথম সন্তান নষ্ট করেছে। সুমি আক্তারকে অনেকবার বোঝালেও কোনো কর্ণপাত করেনি আমার কথায়। সে প্রতিনিয়ত পরকীয়ার ছেলের সাথে কথা বলেই যেত। এই আলাপের একাধিক প্রমাণ আছে বলে জানান পুলিশ সদস্য। 

তিনি ‍আরো জানান, মোহাম্মাদপুরের বসিলার বাসা থেকে নিখোঁজ হলে অনেক খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে  জানতে পারেন সে (সুমি আক্তার) তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছে। তখন তিনি স্ত্রী সুমির বাড়িতে গিয়ে অনুরোধ করেন ঢাকায় আসার জন্য। কিন্তু তার কথা- সে গ্রামেই থাকবে, ঢাকায় যাবে না। এরমধ্যে ছুটির সময় শেষ হয়ে এলে তিনি (পুলিশ সদস্য) একাই ঢাকায় চলে আসেন এবং তার কর্মস্থলে যোগ দেন। কিন্তু ঢাকায় আসার পর তিনি জানতে পারেন তার মা-বাবা এবং তার বিরুদ্ধে বরগুনা কোর্টে একটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে এবং যৌতুকের দায়ে মামলা করেছে স্ত্রী সুমি আক্তারের মা হেলেনা বেগম, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। শুধু  স্ত্রীর পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় এ মামলা- এমটাই দাবি পুলিশ সদস্য তাজুল ইসলামের। এই মামলায় শতভাগ নির্দোষ প্রমাণিত হবে বলেও তিনি জানান। 

পুলিশ সদস্য তাজুল ইসলাম আরো বলেন, আমার স্ত্রী সুমি আক্তারের মা হেলেনা বেগম তার দ্বিতীয় মেয়ে তানিয়া আক্তারকে সেনাবাহিনীর ‍এক কর্মকর্তার সাথে বিবাহ দিয়ে তার কাছ থেকে টাকা-পয়সা নিয়ে ওই কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করে এবং মেয়েকেও ডিভোর্স করান।

পুলিশ সদস্য বলেন, তার স্ত্রী সুমি আক্তারের মা হেলেনা বেগম ঠিক একই কায়দায় আমাকেও চাকরিচ্যুত করার জন্য পাঁয়তারা করছেন। সুমি আক্তারের পরকীয়ার একাধিক প্রমাণ আছে বলেও জানান পুলিশ সদস্য তাজুল ইসলাম।

এমএসএম / জামান

দলিল লেখক ও সার্ভেয়ার নাছির উদ্দিন ভূইয়া প্রকাশ্যে গণ্যমান্য লোকজনের সামনেই ঢাকায় অবস্থানরত সাংবাদিককে মেরে ফেলার হুমকী দিলেন

রাজধানীর বাড্ডায় জমি দখল ও জীবননাশের হুমকি: বিএনপি নামধারী শাহিনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা উত্তর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে কারা, চলছে নানা হিসাব-নিকাশ

হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী এলাকা পরিদর্শন করলেন বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান

তুরাগ থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার খুলনার ফুলতলা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক

উত্তরায় মাদকবিরোধী অভিযান, ৪ জনের কারাদণ্ড

একাধিক মামলা-তদন্তের নথিতে নাম : শাহজালালের ডিডি নজরুলকে নিয়ে নানা প্রশ্ন

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় মোঃ আইয়ুব আলী

অটোরিকশাচালক রাহুল হত্যার আড়াই বছর পর রহস্য উদঘাটন করল পিবিআই

আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগী রাজনীতিতে মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় শিমুল আহমেদ

শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের নবনিযুক্ত পরিচালক ডা. মীর্জা গোলাম সারওয়ারকে ‘সকালের সময়’ পরিবারের শুভেচ্ছা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ড্যাবের সায়েন্টিফিক সেমিনার ও লিফলেট বিতরণ

বিমান ভবনে সাংবাদিক প্রবেশে দুই দিনের নিষেধাজ্ঞা, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা