নগরভবনে অবস্থান নিলেন ডিএসসিসির কর্মচারীরা
ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে বসানোর দাবি নিয়ে এবার নগরভবনের ভেতরে অবস্থান নিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারীরা।
বুধবার (২১ মে) বেলা ১১টার পর নগরভবনে তারা অবস্থান নিয়ে ইশরাককে মেয়র পদে বসানোর দাবি জানাচ্ছেন। সেই সঙ্গে অন্যান্য দিনের মতো আজও নগরভবনের বিভিন্ন বিভাগের অফিসে তালা ঝুলিয়ে রেখেছেন তারা। ফলে আজও বন্ধ আছে সব ধরনের সেবা কার্যক্রম।
তারা বলছেন, সিটি করপোরেশনের প্রত্যেক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত হয়ে ঢাকাবাসীর এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছেন। আমাদের দাবি মানা না হলে এরপর থেকে পরিচ্ছন্নতা সেবা, ময়লা পরিবহন সেবা এবং বিদ্যুৎ সেবাসহ সব ধরনের নাগরিক সেবা বন্ধ করে দেওয়া হবে। সংগঠনগুলো হলো স্ক্যাভেঞ্জার অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন, পরিবহন চালক ও শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন, বিদ্যুৎ কর্মচারী সমাজ কল্যাণ সমিতি ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমাজ কল্যাণ সমিতি আমরা সবাই চাই ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে দেখতে।
এদিকে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে বুধবারের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার ঘোষণা না এলে গতকাল (মঙ্গলবার) ঢাকা অচলের ঘোষণা দেন তার সমর্থকরা।
মঙ্গলবার বিকেলে ষষ্ঠ দিনের অবস্থান কর্মসূচি থেকে ঢাকাবাসীর পক্ষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন সাবেক সচিব মশিউর রহমান। তিনি বলেন, আমরা বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করবো এর মধ্যে ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত না এলে আবারো সকাল ১০টায় একত্রিত হয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি করবো। একইসঙ্গে ঢাকা অচলেরও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এমএসএম / এমএসএম
প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার ভাঙারিতে বিক্রি, গ্রেফতার ২
৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
কমতে পারে ‘লাইফলাইন’ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
ঈদুল আজহার ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন
হাজিদের ১৫০ লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ অসত্য : বিমান প্রতিমন্ত্রী
বিএসএফের ১০টি পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি
মায়ের প্রতি অবহেলায় শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম-সচিব
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম
হামে মৃত্যুর মিছিল যেন থামছেই না, দেশে মৃত্যু ছাড়াল ৬০০
রাতের মধ্যে ৯ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা
হাসপাতালের প্রতিবেদন জমা, অপেক্ষায় সরকারি তদন্ত রিপোর্ট