ঢাকা শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬

যমুনা নদীর তীর থেকে ১১টি মর্টার শেল উদ্ধার


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২-৬-২০২৫ দুপুর ১:২৮

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর তীর থেকে ১১টি বিস্ফোরিত মর্টার শেল উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১১ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার পাটিতাপাড়া এলাকা থেকে মর্টার শেলগুলো উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে মর্টার শেলগুলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের। মরিচা ধরা অবস্থায় মর্টার শেলগুলো একত্রে পড়ে ছিল। কিছু শেলের গায়ে জং ধরে গেছে, আবার কিছু শেলের ভেতরের অংশ ফাঁপা হয়ে আছে। 

স্থানীয়রা জানান, মো. শাহাদত নামে এক ব্যক্তি যমুনা নদীর পাড়ে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথমে মর্টার শেলগুলোর খোঁজ পান। হঠাৎ এসব বস্তু দেখতে পেয়ে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানালে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে ভিড় জমায় এবং পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মর্টারশেলগুলো উদ্ধার করে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে আসে। 

এলাকাবাসীর দাবি, উদ্ধার হওয়া মর্টার শেলগুলো মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের স্মারক। তাদের মতে, ১৯৭১ সালে এই পাটিতাপাড়া ও মাটিকাটা যমুনা নদীর তীরে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংস হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই জাহাজ থেকেই মর্টার শেলগুলো নদীর তীরে চলে এসেছে।

স্থানীয়রা  আরো বলেন তাদের পূর্বপুরুষদের মুখে শুনেছেন এই এলাকায় একটি পাকিস্তানি যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংস হয়েছিল। সেই স্মৃতিই আজ যেন আবার ফিরে এসেছে এই মর্টার শেল উদ্ধারের মাধ্যমে।

 ৬ নং নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদের  সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে এসে আমি মর্টার শেলগুলো নিজ চোখে দেখি। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে ভূঞাপুর থানায় খবর দেই এবং এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করি, যেন শেলগুলো সঠিক প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করা যায়।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে এম রেজাউল করিম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মর্টার শেলগুলো উদ্ধার করে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে মর্টার শেলগুলো মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের। অধিকাংশেরই ভিতরে কোন বিস্ফোরক নেই।

এমএসএম / এমএসএম

ঢাকায় নোয়াখালী জার্নালিস্ট ফোরামের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

পরিবার যাচ্ছে গ্রামে, ছুটির অপেক্ষায় চাকরিজীবী

ট্রেনে প্রথমদিনের ঈদযাত্রায় নারী-শিশুই বেশি

স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের স্মরণে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা

বাংলাদেশকে ডিজেল দেওয়ার অনুরোধ বিবেচনা করছে ভারত

হাজারো শহীদের রক্তে ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে

প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ বিরোধী দলের, হট্টগোলের মধ্যে ভাষণ শুরু করলেন রাষ্ট্রপতি

স্পিকারকে চীনা গণকংগ্রেসের চেয়ারম্যানের অভিনন্দন

হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি দায়বদ্ধ সংসদ পেয়েছি

ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ

প্রথমবার স্পিকারের চেয়ার শূন্য রেখেই বসছে ত্রয়োদশ সংসদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু