ছুটির দিনে বাজারে আগুন : সাধারণ ক্রেতাদের অস্বস্তি
দফায় দফায় রাজধানীর বাজারগুলোতে বাড়ছে সবজির দাম। এর সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মুরগি ও ডিম। মাছের দামও বেশ চড়া। ফলে বাজারে গেলে স্বস্তি পাচ্ছেন না সাধারণ ক্রেতারা। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগেই বেড়ে যাওয়া মুরগির দাম সপ্তাহের ব্যবধানে আরেকটু বেড়েছে। সেই সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। বাজারে এখন বেশিরভাগ সবজির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার উপরে।
সবজি ও মুরগির চড়া দামের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে সবজির সরবরাহ সাধারণত কম থাকে। এ কারণে সবজির দাম একটু বাড়তি থাকে। এর সঙ্গে এবার বন্যায় অনেক সবজির খেত ও মুরগির ফার্ম নষ্ট হয়ে গেছে। যার প্রভাবে সবজি ও মুরগির দাম বেড়ে গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৫৫ থেকে ১৬৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। আর চলতি মাসের শুরুর দিকে ছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে।
ব্রয়লার মুরগির মতো পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির দাম চলতি মাসে দফায় দফায় বেড়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে ২১০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া সোনালি মুরগির দাম কয়েক দফা বেড়ে এখন ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
মুরগির এই দাম বাড়ার বিষয়ে কাপ্তান বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, খামারিরা জানিয়েছে বন্যায় অনেক খামার ভেসে গেছে। ফলে বাজারে মুরগির সরবরাহ কমেছে। আবার লকডাউন উঠে যাওয়ায় এখন সবকিছু খুলে গেছে। হোটেল-রেস্তোরাঁয় বিক্রি বেড়েছে। এতে বাজারে মুরগির চাহিদা বেড়েছে। সবকিছু মিলে মুরগির দাম বেড়ে গেছে।
মুরগির সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম। ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা। আর মুদি দোকানে এক পিস ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১১ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে চলতি মাসের শুরুতে এক ডজন ডিম ৯০ থেকে ৯৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছিল।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা গত সপ্তাহের মতো শীতের আগাম সবজি শিমের কেজি বিক্রি করছেন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। গাজর ও টমেটোর কেজি বিক্রি করছেন ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এ দুটি সবজির দামও সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে। এই তিন সবজির সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ঝিঙে, চিচিঙ্গা, বরবটি, ঢেঁড়স, পটল, করলা। ঝিঙের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়সের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে, বরবটির কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে এ সবজিগুলোর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এছাড়া কাঁচা পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, কাঁচকলার হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লালশাকের আঁটি ১৫ থেকে ২৫ টাকা, মুলা শাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাকা, কলমি শাকের আঁটি ৫ থেকে ১০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এগুলোর দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।
সবজির দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই সময় শীতের সবজি খুব একটা পাওয়া যায় না। আবার গ্রীস্মের সবজির সরবরাহ কমে আসে। এর সঙ্গে এবার বৃষ্টি ও বন্যায় অনেক খেত নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে বাজারে সবজির সরবরাহ কম। এ কারণেই দাম বেশি।
এদিকে মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা। মৃগেল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। পাবদা মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা। পাঙাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। আগের মতো বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। বড় (এক কেজির ওপরে) ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০০ থেকে ১৩০০ টাকা। মাঝারি আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। আর ছোটগুলো ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশের অপরিবর্তিত রয়েছে।
জামান / জামান
কমেছে ডিমের দাম, মাছ-মুরগির বাজার স্থিতিশীল
অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৬ শতাংশ : বিশ্বব্যাংক
সৌদি আরব থেকে ৪০ হাজার টন ইউরিয়া সার আনবে সরকার
সব রেকর্ড ভেঙে সোনার ভরি দুই লাখ ৩২ হাজার
এলপিজি আমদানিকারকদের জন্য ঋণ সুবিধা সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক
ভারতের সঙ্গে ব্যবসায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি: বাণিজ্য উপদেষ্টা
সহনশীলতা বজায় রেখে স্থিতিশীলতার পথে বাংলাদেশের অর্থনীতি
থাইল্যান্ড থেকে কেনা হচ্ছে ১ কোটি ৩৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল
ভোক্তারা সরকারি মূল্যে এলপি গ্যাস কিনতে পারবেন, এ নিশ্চয়তা দিতে পারছি না
এলপি গ্যাসের দাম ৫৩ টাকা বেড়ে ১৩০৬
৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন
চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রিতে, শীতে ব্যাহত জনজীবন