সিকিমে তুষারের ‘মৃত্যুফাঁদে’ আটকা পড়া ২৮ পর্যটককে উদ্ধার
ফের ‘ব্ল্যাক আইস’-এর মরণ ফাঁদ। ২৮ জানুয়ারি বুধবার হঠাৎ তুষারপাতের জেরে উত্তর সিকিমের লাচুং জেলার উঁচু এলাকায় এমনই এক মরণফাঁদে আটকে পড়া ২৮ জন পর্যটক উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী, সিকিম পুলিশ এবং লাচুং হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মীদের যৌথ দল।
উদ্ধার এই পর্যটকদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, বাকি ৮ জন নারী ও শিশু। আগের দিন, অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি, অর্থাৎ মঙ্গলবার এই পর্যটকরা আটকা পড়েছিলেন। তাদেরকে উদ্ধারে ২৪ ঘণ্টারও বেমি সময় লেগেছে।
সিকিমের আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫ হাজার ৩০০ ফুট উঁচু উত্তর সিকিমের জিরো পয়েন্টে বুধবার বিকেল থেকে বৃষ্টির সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি তুষারপাত চলছে। জিরো পয়েন্ট স্থানীয় ভাষায় ইউমেসামডং নামে পরিচিত। এখানে অক্সিজেনের মাত্রা বেশ কম হলেও তুষারপাতের মজা নিতে বুধবার প্রচুর পর্যটক সেখানে গিয়েছিলেন। তুষারপাত হয়েছে লাচুং, লাচেন, ইয়ুমথাং উপত্যকা এবং গুরুদংমার হ্রদের উঁচু এলাকাতেও। হঠাৎ তুষারপাতের ফলে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে পড়ে এবং তৈরি হয় ‘ব্ল্যাক আইস’-এর মরণফাঁদ।
কিন্তু কি সেই ব্ল্যাক আইস, যা এতটাই বিপজ্জনক? আবহাওয়া দপ্তরের কর্তারা জানান, ব্ল্যাক আইস মোটেও কালো বরফ নয়। সেটি আসলে রাস্তার উপরে জমে থাকা স্বচ্ছ্ব বরফের পাতলা আস্তরণ। খালি চোখে মনে হয় সাধারণ ভেজা রাস্তা। অত্যন্ত পিচ্ছিল এবং প্রায় অদৃশ্য হওয়ায় গাড়ি চালক ও পথচারীদের জন্য মারাত্মক বিপজ্জনক এই ব্ল্যাক আইস। সাধারণত তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নামলে এটি তৈরি হয়। বুধবার জিরো পয়েন্টের দিকে যাওয়া পর্যটকদের তিনটি গাড়ি ব্ল্যাক আইসের জন্য রাস্তায় আটকে পড়ে। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে গাড়ি চালকরা ফোন করে সেনাবাহিনীর ত্রিশক্তি কর্পসের সাহায্য চায়। খবর পেয়ে গাড়িতে থাকা ১৩ জন পর্যটককে নিরাপদে উদ্ধার করে একটি শিবমন্দিরে পৌঁছে দেয় সেনাবাহিনীর জওয়ানরা।
উদ্ধারকাজে সেনার পাশাপাশি সাহায্যে নামে বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন, সিকিম পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং লাচুং জোমসা হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। সেখান থেকে তাদের স্থানীয় আর্মি রেসকিউ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। ক্যাম্পে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পর্যটকদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। বৃহস্পতিবার তাদের আবার রাজধানী গ্যাংটকে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়। উদ্ধার পর্যটকদের স্বাস্থ্যের অবস্থা স্বাভাবিক আছে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
লাচুং জোমসা হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আবহাওয়া খারাপ থাকায় পর্যটক এবং গাড়ি চালকদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জিরো পয়েন্ট থেকে নেমে যেতে বলা হয়েছে। তাপমাত্রা শূন্যের নিচে নেমে গেলে ব্ল্যাক আইস অর্থাৎ কালো বরফ তৈরি হলেই বিপদ বাড়বে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত আটকে থাকা গাড়িগুলো উদ্ধারের কাজ চলে। বিআরও এবং প্রশাসনের দল আর্মি ট্রাক, জেসিবি ও আর্থ মুভারের সাহায্যে বরফ সরিয়ে রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ করে।
Aminur / Aminur
জ্বালানির বাড়তি কর বাতিলের দাবিতে পাকিস্তান জামায়াতের ট্রেন মার্চ
লাহোরে ইমরান খানের বোন আলিমা গ্রেপ্তার
সৌদির পক্ষে যুদ্ধ নামতে প্রস্তুত তুরস্ক
ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া
আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে নেতানিয়াহু, করলেন প্রার্থনা
অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত, হুথিদের ওপর হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের শর্ত না মানা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে
মস্কোতে ইউক্রেনের বিশাল ড্রোন হামলা
আলাদা ইসলামিক দেশ গঠনের আগ পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা থাই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সতর্কতা জারি, অবকাশ থেকে আকস্মিক ফিরে এলেন ট্রাম্প
বাব এল-মান্দেব প্রণালি পরিদর্শন করল ইরানের বিপ্লবী গার্ড
মক্কা চুক্তির আওতায় সৌদিকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের