ঢাকা বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের ৯০তম বৈঠক আজ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক  photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১-৫-২০২৬ দুপুর ১২:১৫

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) গুরুত্বপূর্ণ ৯০তম বৈঠক। বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকে শুরু হয়ে তিন দিনব্যাপী এই বৈঠকের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম আগামী শনিবার (২৩ মে) পর্যন্ত চলবে।

বৈঠকে অংশ নিতে গত বুধবার (২০ মে) বাংলাদেশের একটি ছয় সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কলকাতায় পৌঁছেছেন। 

 

বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কাদীরের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে আরও রয়েছেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাইড্রোলজি বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের পরিচালক মো. আবু সৈয়দ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামসুজ্জামান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইংয়ের পরিচালক মোহাম্মদ বাকি বিল্লাহ এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রুমানুজ্জামান। 

এ ছাড়া প্রতিনিধিদলে যোগ দেবেন দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এবং কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপদূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দ।

ভারতের পক্ষ থেকে বৈঠকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের এক প্রধান প্রকৌশলীর।

এবারের বৈঠকের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ ইস্যু। 

১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এটিই দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের শেষ বৈঠক।

বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল মুর্শিদাবাদে যাবেন

সেখানে বৈঠকের ফাঁকে ফারাক্কা ব্যারাজ এলাকায় গঙ্গা নদীর পানির প্রবাহ পরিমাপ করবেন তারা। পরে প্রতিনিধিদল কলকাতায় ফিরে একটি অভিজাত হোটেলে মূল বৈঠকে অংশ নেবে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ৩০ বছর মেয়াদি ওই চুক্তি অনুযায়ী জানুয়ারি থেকে মে, এই শুষ্ক মৌসুমে দুই দেশের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি বণ্টনের বিধান রয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, গঙ্গায় পানির প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং অবশিষ্ট পানি পাবে বাংলাদেশ।

পানির প্রবাহ ৭০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার কিউসেকের মধ্যে থাকলে বাংলাদেশ পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং বাকি অংশ পাবে ভারত। আর পানির প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম হলে দুই দেশ সমানভাবে পানি ভাগ করে নেবে।

এমএসএম / এমএসএম

১০ হাজার টনের যুদ্ধজাহাজ তৈরির ঘোষণা কিমের

ফ্রান্সে তীব্র গরম-তাপপ্রবাহে ২ দিনে ১৮ জনের মৃত্যু

ফ্রান্সে তীব্র গরম-তাপপ্রবাহে ২ দিনে ১৮ জনের মৃত্যু

মমতাকে তৃণমূল থেকে ‘অপসারণ’ করলেন বিদ্রোহীরা

কে হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী

সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ

কাতারে গ্যাস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ : আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮

কাতারে গ্যাস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ : আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮

শেষ হলো যুক্তরাষ্ট্র-ইরান প্রথম ধাপের আলোচনা, গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী সোমবার পদত্যাগ করতে পারেন

মমতার তৃণমূলের পর এবার ভাঙনের মুখে উদ্ধবের শিবসেনা

চুক্তি না হলে হরমুজ প্রণালীতে টোল আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করলো ইরান