ঢাকা বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের ফজিলত


ডেস্ক রিপোর্ট  photo ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১২-৩-২০২৬ দুপুর ১১:০

পবিত্র কোরআনের দ্বিতীয় সূরা হলো আল-বাকারা। এ সূরার শেষ দুটি আয়াত বিশেষ ফজিলতপূর্ণ। বিভিন্ন হাদিসে আয়াত দুটি পাঠ করার ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াতকে সূরা ফাতেহার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
হাদিসে বলা হয়েছে, সূরা ফাতেহা এবং সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত আল্লাহ তাআলার এমন নুর যা এর আগে কোনো নবীকে দেয়া হয়নি (মুসলিম ৮০৬)। এ ব্যাপারে হজরত আবু মাসউদ (রা.) থেকে আরো একটি হাদিস বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
 যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত পড়বে তার জন্য তাই যথেষ্ট হয়ে যাবে। (বুখারি ৫০০৯)
অর্থাৎ রাতের আমল হিসেবে এবং সব অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এ দুটি আয়াত পাঠ করাই যথেষ্ট হয়।
হজরত নুমান ইবনে বাশির (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা আসমান-জমিন সৃষ্টির দুই হাজার বছর আগে একটি কিতাব লিখেছেন।
সে কিতাব থেকে দুটি আয়াত নাজিল করে তিনি সূরা বাকারা সমাপ্ত করেছেন। যে ঘরে তিন রাত এ দুটি আয়াত তেলাওয়াত করা হয়; শয়তান ঐ ঘরের কাছে আসতে পারে না। (সুনানে তিরমিজি ২৮৮২)
 সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত
উচ্চারণ: আমানার রসূলু বিমা উংঝিলা ইলাইহি মির রাব্বিহি ওয়াল মু’মিনুন। কুল্লুন আমানা বিল্লাহি ওয়া মালা-ইকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহ।
লা-নুফাররিকু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহ। ওয়া ক্বালূ সামি‘না ওয়া আত্বা‘না গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসির। লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উস‘আহা লাহা মা কাসাবাত ওয়া আলাইহা মাকতাসাবাত রাব্বানা লা তুআখিজনা ইন-নাসীনা আও আখত্ব’না রাব্বানা ওয়ালা তাহমিল আলাইনা ইসরং কামা হামালতাহু আলাল্লাজীনা মিং ক্ববলিনা রব্বানা ওয়ালা তুহাম্মিলনা মা লা ত্ব-ক্বতালানা বিহ্। ওয়া’ফু আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা আংতা মাওলানা ফাংসুরনা আলাল ক্বওমিল কাফিরীন।
 অর্থ: রাসূল তার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে নাজিলকৃত বিষয়ের ওপর ইমান এনেছে, আর মুমিনগণও।
প্রত্যেকে ইমান এনেছে আল্লাহর ওপর, তার ফেরেশতাকুল, কিতাবসমূহ ও তার রাসূলগণের ওপর, আমরা তার রাসূলগণের মধ্যে তারতম্য করি না। আর তারা বলে, আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদের রব, আমরা আপনারই কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই (আমাদের) প্রত্যাবর্তনস্থল। আল্লাহ কোনো ব্যক্তিকে তার সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না। সে যা ভালো করেছে তার সওয়াব পাবে এবং মন্দ কর্মের জন্য সে নিজেই নিগ্রহ ভোগ করবে। হে আমাদের রব, আমরা যদি ভুলে যাই, অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব, আমাদের ওপর বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন। হে আমাদের রব, আপনি আমাদের এমন কিছু বহন করাবেন না, যার সামর্থ্য আমাদের নেই। আর আপনি আমাদের মার্জনা করুন এবং আমাদের ক্ষমা করুন, আর আমাদের ওপর দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক। অতএব আপনি কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।

Aminur / Aminur