নেত্রকোণায় ৩০ বছর পর হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার
নেত্রকোণা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের বল্লী গ্রামে দুই বস্তা ধান ও কাপড় চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত একটি হত্যা মামলার প্রধান আসামী আবু হানিফাকে থানার উপ-পরিদর্শক সুদেব চন্দ্র সাহা ও সঙ্গীয় ফোর্স নেত্রকোণা জেলা শহর থেকে গ্রেপ্তার করেছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খালিয়াজুরী থানার ওসি মোঃ নাসির উদ্দিন।
গ্রেফতারকৃত আসামী অত্র উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের আব্দুল তালুকদারের ছেলে আবু হানিফ (৬৫) মামলার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালের ১১ মে দুই বস্তা ধান ও কাপড় চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে ওই বছরের ১৪ মে বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে আবু হানিফা নিজের বন্দুকের গুলিতে নিহত হন মামলার বাদী আফতাবউদ্দিনের চাচাত ভাই ও খুর্শেদ উদ্দিন তালুকদারের ছেলে সাকাতুর রহমান।
এ ঘটনায় আফতাবউদ্দিন খালিয়াজুরী থানায় ৩৫ জনকে আসামী করে ১৯৯৭ সালের ১৫ মে হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন পর মামলার তদন্ত ও অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় গত ১৭ জুন বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে নেত্রকোণা থেকে মামলার প্রধান আসামি আবু হানিফাকে গ্রেপ্তার করে খালিয়াজুরী থানা পুলিশ।
মামলার বাদী আফতাবউদ্দিন বলেন, থানায় মামলা করার পর যখন পুলিশ ধর পাকর শুরু করে তখন হানিফ মিয়া স্ত্রী আসামী পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয় তখন তৎকালীন সিআইডি ইন্সপেক্টর চিত্তরঞ্জন পালের যোগসাজশে মামলা থেকে চারজনকে চার্জশীট থেকে বাদ দেওয়া হয়। তখন এই চার্জশীটেে বিরুদ্ধে নারাজী দেওয়া হলে নিম্ন আদালত এটা প্রত্যাহার করে। নিম্ন আদালতে নারাজী দেওয়ায় আমি জজ কোর্টে মিস কেইস করি এবং জজ কোর্ট আমার আবেদন আমলে নিয়ে দায়রা জজ পুনঃ তদন্তের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন বাদ আসামীদের চার্জসীটে সংযুক্ত করার কিন্তু জজ কোর্ট নির্দেশ দিলেও সিআইডির সাথে যোগসাজশ করে আবারও তাদেরকে( চার জন) আসামীকে বাদ দেওয়া হয়। পুনরায় দায়রা জজ আদালতে আবেদন করিলে দায়রা জজ আদালত নির্দেশ প্রদান করেন যে, দিন দুপুরে গুলি করে প্রকাশ্য হত্যার কোন আসামীকেই বাদ দেওয়া যাবে না, এই মর্মে নিম্ন আদালতকে নির্দেশ প্রদান করেন কিন্তু এতকিছুর পরও আসামী পক্ষ তিনবার স্থগিতাদেশ নিয়ে মামলাটির বিচার প্রক্রিয়া কালক্ষেপন করেন। সর্বোপরি আমি ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পরে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করায় আদালত আসামীপক্ষকে আদালতে আত্মসমর্পন মূলক দৈনিক জাতীয় পত্রিকায় শমন আদেশ প্রদানসহ আসামীদের ওয়ারেন্ট তামিল করেন। এরই প্রেক্ষিতে প্রধান আসামী ১৭ জুন ( বুধবার) নেত্রকোণা জেলা শহর থেকে গ্রেফতার করেন।
মামলার বাদী আরও বলেন, আমার চাচাতো ভাই সাকাতুর রহমানের হত্যা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আসামীপক্ষ ১৯৯৭ সালের ৬ জুন মিথ্যা অপহরণ মামলা দিয়ে আমাকে আসামী করে হয়রানি করেছে এবং সেই মামলার রায়ও আমার অনুকূলে রয়েছে বলে জানান।
মামলার বাদী আফতাবউদ্দিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দীর্ঘসময় আইনি লড়াই ও বিভিন্ন চড়াই উতরাইয়ের পর প্রধান আসামী আবু হানিফাকে গ্রেফতারে স্বস্থি প্রকাশ করেন। তিনি আরও জানান, আশা করি মহামান্য আদালত আমার চাচাতো ভাইয়ের প্রকৃত খুনিদের সঠিক বিচার করবেন।
এমএসএম / এমএসএম
শ্রেণিকক্ষ দখল করে অধ্যক্ষের বসবাস, পাঠদানে বিঘ্নের অভিযোগ
জয়পুরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত প্রচারণা
উলিপুরে দায়সারা ভাবে জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালনের অভিযোগ
২৭ আগস্ট গণঅধিকার পরিষদের নড়াইল জেলা সম্মেলন
ছাত্রীদের সঙ্গে যৌন হয়রানির অভিযোগে -শিক্ষকে অব্যাহতি
ঠাকুরগাঁওয়ে নিরাপদ সড়ক চাই’র পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী
ঠাকুরগাঁওয়ে সাড়ে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২
বগুড়ার শেরপুরে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে পিতার মৃত্যুদন্ড
আদমদীঘিতে বগুড়া জেলা প্রশাসকের গাইড গাইডারদের মাঝে সনদ বিতরণ
শেরপুরে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত: দরিদ্র চালককে ভ্যানগাড়ি প্রদান
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কুমিল্লায় মোবাইল কোর্ট, একাধিক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
ঘোড়াঘাটে তাসফিয়া হত্যার রহস্য উন্মোচন