ভারতীয় ভিসাকেন্দ্রে দীর্ঘ সারি, ‘স্লট’ নিয়ে বড় ভোগান্তি
সকাল থেকেই রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে ভারতীয় ভিসাকেন্দ্রের (আইভ্যাক) সামনে দীর্ঘ সারি। কারও হাতে আবেদনপত্র, আবার কারও হাতে পাসপোর্ট। কিন্তু লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অনেকেই 'স্লট' নিয়ে ভোগান্তির কথা তুলে ধরেছেন। স্লট পেতে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগও করেছেন কেউ কেউ।
রোববার (৫ জুলাই) রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা সেন্টারে আবেদনকারীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
যমুনায় গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের নির্ধারিত কাজের অপেক্ষা করছেন শত শত আবেদনকারী। কেউ নতুন আবেদন জমা দিতে, কেউ পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে আবার কেউ চিকিৎসা বা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে এসেছেন। প্রতিটি সেবার জন্যই রয়েছে আলাদা লাইন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবেদনকারীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে।
তাদেরই একজন রাজধানীর বাংলামোটরের বাসিন্দা রবিন মিয়া। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে আবেদন করতে এসেছেন তিনি। তার দাবি, ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় এখন সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে স্লট। এটি আরও সহজ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি রাখেন এই যুবক।
রবিন বলেন, গত ২৩ জুন আমার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। নতুন করে পুনরায় আবেদন করা হয়। কিন্তু স্লটে পেতে সবচেয়ে বড় ঝামেলার সম্মুখীন হচ্ছি। ভিসা ফি প্রায় ১৫৩০ টাকা। অথচ ডাবল এন্ট্রি স্লট নিতে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লাগে, যা কোনোভাবেই স্বাভাবিক নয়।
ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে দাবি রেখে এই আবেদনকারী বলেন, আগে অনলাইনে আবেদন করে পরদিনই কাগজপত্র জমা দেওয়া যেতো। কিন্তু এখন স্লটের ভোগান্তির কারণে সম্ভব হচ্ছে না। প্রয়োজনে ভিসা ফি বাড়ানো হোক। এরপরও এ ঝামেলা থেকে মুক্তি চাই। অতএব আগের ব্যবস্থা আবার চালু করলে আমাদের জন্য ভালো হবে।
ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য পাসপোর্ট জমা দিতে এসেছেন ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে আসা মোহাম্মদ আরাফাত রহমান। যদিও স্লট পেতে তেমন সমস্যায় পড়েননি তিনি। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও সহজ করার দাবি তার।
আরাফাত বলেন, আমি আগেও ভারতে গিয়েছিলাম। কিন্তু এবারের মতো এত ঝামেলায় পড়তে হয়নি। কিছু সমস্যার কারণে এখন দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এজন্য আগের তুলনায় প্রক্রিয়াটা কঠিন মনে হচ্ছে।
চোখের চিকিৎসার জন্য প্রথমবার ভারতে যাবেন গোপালগঞ্জের বাসিন্দা জয়ন্তী হালদার। ছেলেকে নিয়ে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার লাইনে তাকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। সময় লাগলেও আজই প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরতে চান এই নারী।
ভিসাকেন্দ্রের নিরাপত্তা ইনচার্জ মতিউর রহমান বলেন, অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ আবেদনকারীর উপস্থিতি একটু বেশি। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভিড় থাকে। তাই বাড়তি নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি।
উল্লেখ্য, ভারতীয় ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার আগে অনলাইনে নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ের অ্যাপয়েন্টমেন্ট (স্লট) নিতে হয়। তবে ভিসাকেন্দ্রের ভেতরের সেবা নিয়ে আবেদনকারীদের বড় ধরনের অভিযোগ না থাকলেও স্লট পাওয়া এবং দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করা নিয়ে অনেকের মাঝে অসন্তোষ ছিল।
এমএসএম / এমএসএম
কারিগরি ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষায় জোর দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
প্রতিটি জেলা-উপজেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করবে সরকার
বছরজুড়ে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নজরদারি জোরদার হবে
বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস রাষ্ট্রপতির
ডিএমপির মিরপুর ও লালবাগ বিভাগে নতুন দুই উপ-পুলিশ কমিশনার
জাতীয় তিন দেশে নতুন কনস্যুলেট খুলছে সরকার
তেলের দাম বৃদ্ধি, চুক্তি দর সমন্বয় চান বন্দরের বার্থ অপারেটররা
সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
মোহাম্মদপুর-কেরানীগঞ্জের চিহ্নিত চাঁদাবাজ কাইল্ল্যা ফারুক গ্রেপ্তার
হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩০৫
গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক
পালানোর অভিযোগে চাকরি গেল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তার