ঢাকা শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬

‘খাগড়াছড়িতে ৫ কোটি টাকার প্রকল্প’

সিসি ক্যামেরা ও ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনে ব্যাপক অনিয়ম


আল-মামুন,খাগড়াছড়ি photo আল-মামুন,খাগড়াছড়ি
প্রকাশিত: ১৭-৭-২০২৬ দুপুর ১২:৫১

খাগড়াছড়িতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যবেক্ষনে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতায় "জেলা শহরে সিসি ক্যামেরা ও ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। 

নিম্মমানের সরঞ্জাম ব্যবহার করে নামে মাত্র কাজ করে প্রকল্প বাস্তবায়নে নেক্সাস এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্পের কাজ করছে। তবে খাগড়াছড়িতে স্থানীয় টিকাদার হিসেবে কাজ ক্রয় করেছেন রাজিব নন্দি নামের খাগড়াছড়ির এক ঠিকাদার।  

প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬০টি ক্যামেরা স্থাপনের নির্ধারন করা হয়েছে প্রকল্পটিতে। কাজে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন (এইচডি) সিসি ক্যামেরা,মনিটর,ক্যাবল,কোর ক্যাবল,মেমোরিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম দেয়ার কথা উল্লেখ করেন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী প্রকৌশলী  মো: রেজাউল করিম। তিনি জানান, এরই মধ্যে ৯০টি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।  

বিষয়টি নিয়ে দুদকের অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন খাগড়াছড়িবাসী। তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে এবং দুর্নীতি ও অনিয়মের আসল রহস্য উৎঘাটন হবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। এই প্রকল্পে মান সম্মত পাওয়ার সাপ্লাই,মনিটর,মাউন্ট সরঞ্জাম,কোর ক্যাবল,ক্যাবেল,ইন্টারনেট সংযোগ ইত্যাদি ধরা থাকলেও এতে নিম্নমানের যাবতীয় সরঞ্জাম ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে এরই মধ্যে। 

তাছাড়া কাজ শেষের আগেই দুই কোটি টাকা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এ প্রকল্পের অনিয়মের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তা-ব্যক্তিরা জড়িত থাকারও অভিযোগও করেন স্থানীয়রা।

অফিস সূত্রে জানা যায়,ওয়ার্ক অর্ডারে উল্লেখ অনুসারে, কাজের স্থলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের কথা রয়েছে। তবে স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে, নানা প্রভাবে এই ঠিকাদার অনিয়ম করে যাচ্ছেন। যেখানে নিম্ন মানের সার্ভিস তার ব্যবহারসহ কাগজেপত্রে উল্লেখিত নিয়ম মানা হচ্ছেনা। এছাড়াও কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই বিল উত্তোলন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। 

কাজের অনিয়মের বিষয়ে ঠিকাদার রাজিব নন্দি দেশের বাহিরে থাকায় তার ব্যবসায়িক পার্টনার শুভ্র বলেন, এখন পর্যন্ত ৯৫টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এ সময় তিনি দুই কোটি টাকা বিল উত্তোলন করার বিষয়টি স্বীকার করলেও নিউজ না করতে অনুরোধ জানান। 

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রেজাউল করিম জানান, ‘ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫ কােটি টাকা ব্যায়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। কাজের রানিং বিল দুই কোটি টাকা উত্তোলন করার কথা জানালেও তিনি কাজে অনিয়মের বিষয়ে  কোন মন্তব্য করেননি। 

এমএসএম / এমএসএম

শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন ঢাকার এডিসি ফারজানা

দুই দিনের সফরে আজ কক্সবাজারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বোদায় ইউএনও'র বিরুদ্ধে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ঠিকাদারী করার অভিযোগ

কাশিমপুরে পানিবন্দী ৫০০ পরিবারের মাঝে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ত্রাণ বিতরণ

সিসি ক্যামেরা ও ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনে ব্যাপক অনিয়ম

বাগেরহাটে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে

পেকুয়ায় ৮ শতাধিক পরিবার পেল যুবদলের ত্রাণ

ট্যালেন্টপুল বৃত্তিতে কৃতিত্ব দেখাল মুনতাসির আজমাঈন

দেশের একটি মন্দিরেও হামলা হয়নি গত দুই বছরে: চিফ হুইপ

পটিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে এনসিপির উপহারসামগ্রী বিতরণ

নড়াইলে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বৃত্তিপ্রাপ্তদের সনদ ও পুরস্কার বিতরণ

গোপালগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি, জনসচেতনতামূলক প্রচার জোরদার

রাজস্থলীতে সেনাবাহিনী কর্তৃক ভারীবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা প্রদান