ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

পুরোনো দিনেই ফিরে যাচ্ছে ঢাকার হাওয়া


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫-১০-২০২১ দুপুর ৪:৮

গত কয়েক বছরে সবচেয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় প্রথম বা দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ঢাকা অনেকটা ঘুরে দাঁড়ায় চলতি বছরে। এ বছরের জুলাইয়ে নির্মল বায়ুর শহরে নাম লিখিয়েছিল রাজধানী শহর ঢাকা। ওই মাসে ঢাকায় বায়ুর মানের সূচক ৫০ এর নিচেও নামে; বেশিরভাগ সময়ে যা ২০০ এর বেশি থাকে। 

করোনার প্রভাবে সারা দেশে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ থাকায় নির্মল বায়ু পাওয়া সম্ভব হয়েছিল সে সময়। কিন্তু কয়েক মাস যেতে না যেতেই আবার পুরোনো ধারায় ফিরতে শুরু করেছে ঢাকার বায়ুর মান। এগিয়ে যাচ্ছে দূষিত বায়ুর শহরের তালিকার দিকে। গত কয়েক দিনের পর্যবেক্ষণে এমনটাই দেখা গেছে।

জুলাই মাসে যেখানে ঢাকা দূষিত নগরীর তালিকায় ২৩তম স্থানে ছিল, বর্তমানে উঠে এসেছে অষ্টমে। ১৪ অক্টোবর এই চিত্র দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বের বায়ুর মান যাচাই বিষয়ক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘আইকিউএয়ার’-এ। অর্থাৎ এ দিনের হিসেব অনুযায়ী, ঢাকার চেয়ে বেশি দূষিত বাতাস রয়েছে বিশ্বের মাত্র সাতটি শহরে।  

আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবর মাসের ৫ তারিখ থেকে ১৪ তারিখ এই ১০ দিনে ঢাকা শহরে গড়ে বায়ুর মানমাত্রা ছিল ১৬২.৮ মাইক্রো গ্রাম; যা মানমাত্রার নির্দেশনা মতে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, বায়ুর মান সূচকে শূন্য থেকে ৫০ পর্যন্ত ‘ভালো’। ৫১ থেকে ১০০ হলো ‘পরিমিত’, ১০১ থেকে ১৫০ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, ১৫১ থেকে ২০০ ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০০ থেকে ৩০০ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ ছাড়িয়ে গেলে সেটা ‘বিপজ্জনক’ বলে গণ্য করা হয়।

বায়ুদূষণ বাড়ার জন্য যে কারণগুলোকে বিশেষজ্ঞরা চিহ্নিত করছেন তার মধ্যে রয়েছে— প্রাকৃতিক কিছু বিষয় (আবহাওয়া ও জলবায়ু), নগর পরিকল্পনার ঘাটতি, আইনের দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতা, আইন প্রয়োগে সীমাবদ্ধতা, ভৌগোলিক কারণ এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব। আর বায়ুদূষণের উৎসব হিসেবে তারা চিহ্নিত করছেন— সমন্বয়হীন রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, রাস্তায় চলাচলরত গাড়ির কালো ধোঁয়া, ব্ল্যাক কার্বন, কার্বন মনোক্সাইড, ইটের ভাটা ও শিল্প কারখানা, উন্মুক্তভাবে আবর্জনা পোড়ানো, বস্তি এলাকার বর্জ্য পোড়ানো এবং আন্তঃদেশীয় বায়ুদূষণ।

এ দফায় ঢাকার বায়ুর মান কমার বিষয়ে জানতে চাইলে বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, সাধারণত কিছু ইভেন্টের আগে বায়ুদূষণ বেড়ে যায়। যেমন ঈদ-পূজা। এছাড়া অন্যান্য উৎসবের সময় মানুষের চলাচল বেড়ে যায়। এছাড়া বর্তমানে খুবই গরম পড়েছে। প্রচণ্ড রোদের কারণে সবকিছু শুকিয়ে গেছে। যার ফলে বাতাসের ধুলোবালি বেশি উড়ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। যার ফলে মানুষের চলাচল বেড়েছে। অন্যদিকে ঢাকামুখী মানুষের যে চাপ আগে ছিল, সেটা আবারও ফিরে এসেছে। এজন্য বায়ুর মান খারাপ হতে পারে। 

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কনস্ট্রাকশনের কাজ পুরোদমে চলছে। বর্ষাকালে সময়ে যে কাজগুলো মোটামুটি বন্ধ থাকে, তার সবই এখন শুরু হয়েছে। এখান থেকে ধূলো বাতাসে ওড়ে। এছাড়া অক্টোবর থেকেই ইট উৎপাদন শুরু হয়। সেখানে প্রচুর ধোঁয়ার তৈরি হয়। এটিও বায়ূদূষণের অন্যতম কারণ। 

এমএসএম / এমএসএম

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করবে

ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

গাজীপুরে ইবনে সিনা ওষুধ কারখানার আগুন ‍নিয়ন্ত্রণে

সিলেট-তামাবিল সড়কে ৫ মিনিটের ব্যবধানে দুই দুর্ঘটনা, শিশুসহ নিহত ৩

সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের কারণ জানতে চেয়ে প্রবাসী‌ কল‌্যাণে চি‌ঠি

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট না থাকলে দেশ আজও পাকিস্তান থাকতো : স্পিকার

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত দুদিনে ডিএমপির ৪২৬০ মামলা

যুব উন্নয়নের প্রশ্নপত্র ফাঁস: এনবিআরের দুই কর্মী বরখাস্ত

কর্ণফুলী টানেলের লোকসান তদন্তে সংসদীয় কমিটি, শূন্য পদে নিয়োগের নির্দেশ

তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন নাহরিন ইসলাম খান

​ডেঙ্গু প্রতিরোধে ‘ক্লিনিং ডে’ উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

হাসপাতাল থেকে সরকারি কোয়ার্টার, ১৩ স্পটে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

দুর্গাপূজায় অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা-উচ্চ শব্দে মাইক নিষিদ্ধ করতে নির্দেশনা