শ্রেণিকক্ষ দখল করে অধ্যক্ষের বসবাস, পাঠদানে বিঘ্নের অভিযোগ
নেত্রকোণার খালিয়াজুরী উপজেলার কৃষ্ণপুর হাজী আলী আকবর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি বাড়িভাড়া সুবিধা গ্রহণের পরও কলেজের একটি শ্রেণিকক্ষ দখল করে বসবাসের অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অধ্যক্ষের নিয়মিত কলেজে উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, মো. আমিনুল ইসলাম ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল কলেজটির অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। অভিযোগ রয়েছে, যোগদানের পর থেকেই কলেজ ভবনের তৃতীয় তলার একটি শ্রেণিকক্ষ তিনি ব্যক্তিগত আবাস হিসেবে ব্যবহার করছেন। ওই কক্ষে বিছানাপত্রসহ তার ব্যক্তিগত বিভিন্ন সামগ্রী রাখা হয়েছে।
শ্রেণিকক্ষটি শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য নির্ধারিত হলেও অধ্যক্ষ সেখানে বসবাস করায় ওই কক্ষে নিয়মিত ক্লাস করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ছাত্রী বলেন, “অধ্যক্ষ স্যার তৃতীয় তলায় থাকায় সেখানে যাতায়াত ও ক্লাস করতে আমাদের অস্বস্তি হয়। অনেক সময় ওই তলায় ক্লাস করা সম্ভব হয় না। এতে আমাদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অধ্যক্ষ মাসের বড় একটি সময় কলেজের বাইরে থাকেন। ফলে কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। তবে তিনি কতদিন কলেজে অনুপস্থিত থাকেন, তা উপস্থিতির রেজিস্টার ও ছুটির নথি যাচাই করলেই প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে দাবি তাদের।
অভিযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, অধ্যক্ষ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বাড়িভাড়া সুবিধা গ্রহণ করছেন। কলেজসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, তিনি যোগদানের পর এক বছরের বেশি সময় পার হলেও তার মাসিক বেতন থেকে বাড়িভাড়া বাবদ কোনো অর্থ কর্তন করা হয়নি। সরকারি কোষাগার থেকে বাড়িভাড়া সুবিধা নেওয়ার পরও কেন একটি সরকারি কলেজের শ্রেণিকক্ষকে ব্যক্তিগত আবাস হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আমি নীতির মধ্য দিয়েই কলেজ পরিচালনা করে আসছি। কলেজে আগে অনেক অনিয়ম ও অসঙ্গতি ছিল, যা আমি সংশোধন করে পরিবর্তন এনেছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সঠিক নয়।”
মাসে ২০ দিন কলেজে উপস্থিত না থাকার অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ বলেন, “আমি অনলাইনে ডিজি মহোদয়ের অনুমতি নিয়েই ছুটিতে থাকি। আমার বাৎসরিক ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি পাওনা রয়েছে।” অন্য শিক্ষকরা একইভাবে ছুটি নেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি করেন।
তবে শ্রেণিকক্ষে বসবাসের বিষয়টি স্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ। তিনি বলেন, “এলাকায় থাকার মতো ভালো বাসা না পাওয়ায় এবং সবার সম্মতিতেই তৃতীয় তলার একটি কক্ষ বসবাসের জন্য ব্যবহার করছি।”
বাড়িভাড়া সুবিধা গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি প্রতিবছর হিসাব করে বাড়িভাড়ার টাকা কেটে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে দেব।”
এমএসএম / এমএসএম
শান্তিগঞ্জে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা
তিন বন্ধুর হাত ধরে স্বপ্নের দিগন্তে ‘অ্যাবসাইন ফ্যাশন’
মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিদায় উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়
মনোহরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে পাঁচ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
কালিয়ায় নদীর তীরে ১০টি অবৈধ কয়লার চুল্লি, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা
উখিয়া সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ৬ লাখ ৭২ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ
শ্রেণিকক্ষ দখল করে অধ্যক্ষের বসবাস, পাঠদানে বিঘ্নের অভিযোগ
জয়পুরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত প্রচারণা
উলিপুরে দায়সারা ভাবে জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালনের অভিযোগ
২৭ আগস্ট গণঅধিকার পরিষদের নড়াইল জেলা সম্মেলন
ছাত্রীদের সঙ্গে যৌন হয়রানির অভিযোগে -শিক্ষকে অব্যাহতি
ঠাকুরগাঁওয়ে নিরাপদ সড়ক চাই’র পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী