ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

সাজার বিরুদ্ধে বিদিশার আপিল, জামিন নামঞ্জুর


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২-৯-২০২৬ দুপুর ২:১৪

ফ্ল্যাট বিক্রয় নিয়ে রাজধানীর গুলশান থানার প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড পাওয়া সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। একইসঙ্গে আপিলের শর্তে জামিন চাইলে আদালত তা নামঞ্জুর করেছেন।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির শুনানি শেষে জামিন আবেদন নাকচ করেন। এক্ষেত্রে তাকে আপাতত কারাগারেই থাকতে হবে বলে জানান তার আইনজীবী। 

এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. মাহমুদুল কবির জানান, আমরা সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেছি। আদালত আপিলটি গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে জামিন আবেদন করছিলাম। শুনানিতে বলেছি, বিদিশা এরশাদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান রয়েছে। তাকে মহিলা বিবেচনায় জামিন মঞ্জুর করা হোক। কিন্তু তার হাতজবাস কম থাকায় জামিন নামঞ্জুর হয়েছে। এই আদেশের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।

এর আগে, গত ২০ মে এ মামলায় তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম। সাজার পাশাপাশি তাকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন।

সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৬ আগস্ট তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়।

২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়ের করা এ মামলার সূত্রে জানা গেছে, বাদী মোশাররফ হোসেন মিরপুর-১০ এলাকায় স্যানিটারি পণ্যের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী। ২০০১ সালে বারিধারার একটি ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্যে তিনি বিদিশার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে বারিধারা এলাকার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয়। অভিযোগে বলা হয়, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা বাদীকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে নেন এবং তার মনোনীত ব্যক্তি ও বন্ধু আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। বাদী স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করেন। পরে উভয়ের মধ্যে বায়নানামা সম্পাদিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বাকি টাকা পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল। ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগে বাদীর।

মামলায় আরও বলা হয়, ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়।

বাদীর অভিযোগ, এরপর বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে টাকা কিংবা ফ্ল্যাট কোনোটিই বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। একইসঙ্গে টাকা ফেরত বা ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি করলে সন্ত্রাসী দিয়ে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। মামলায় দাবি করা হয়, বিদিশা বাদীকে জানিয়েছিলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের কাছ থেকে টাকা আদায় না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। 

এমএসএম / এমএসএম

চরফ্যাসন জজ কোর্টের এডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলীর সদস্যপদ ৬ মাসের জন্য স্থগিত

‘হাত মটকিয়ে দেব, যাতে সারা জীবন লিখতে না পারিস’

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা : এমপি গাজী নজরুলের ১ম স্ত্রীর জামিন

ভাইয়ের বাড়ি দখলে তুরিন আফরোজ: জেল থেকে নাড়ছেন কলকাঠি

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব

জিয়াউল-তারেক সাঈদের প্রতিবেদন জমার দিন পেছাল

শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ফের পেছাল

পূর্বাচল প্রবাসী পল্লীর রিট ডিসচার্জের বিরুদ্ধে আপিল

৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীকে রিমান্ডে চেয়েছে পুলিশ

এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী আদালতে

মামার প্ররোচনায় এমপির সঙ্গে বিয়ে, নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা

এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে রিমান্ডে চেয়েছে পুলিশ

বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশনের নির্বাচনে সভাপতি সুমন ও সম্পাদক ফজলুর