চুরির টাকার ভাগ সাড়ে ৪ লাখ করে, কেউ বানিয়েছেন আসবাবপত্র কেউ অটো রিকশা
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একটি বাসার গ্রিল কেটে নগদ ১৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় একটি চক্রের চার সদস্যকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরেকজন ইতোমধ্যে অন্য একটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন।
গ্রেপ্তার তিনজন হলেন সুমন, রাসেল ও সানি। কারাগারে থাকা ব্যক্তি হলেন মানিক। পুলিশের ভাষ্য, মানিকের পরিকল্পনায় সুমন, রাসেল ও সানি মিলে ওই বাসায় চুরি করেন।
চুরির পর টাকা চারজনের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হয়। প্রত্যেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা করে পান। পরে কেউ ওই টাকা দিয়ে আসবাবপত্র কেনেন, কেউ জুয়া ও মাদক সেবনে খরচ করেন। আর রাসেল চুরি করা টাকার একটি অংশ দিয়ে নতুন একটি অটো রিকশা তৈরি করেন। পুলিশ অটো রিকশাটি উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে।
মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সাধারণত চুরির মামলাগুলো ডিটেক্ট করা খুব কঠিন হয়। মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ একটি ক্লুলেস চুরির ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
তিনি জানান, গত ২৪ জুলাই রাত ১১টা থেকে পরদিন ভোর ৫টার মধ্যে মোহাম্মদপুরের চানমিয়া হাউজিংয়ের একটি বাসায় চুরি হয়। গৃহকর্তার নাম গোলাম মোস্তফা। চোররা ওই বাসার পেছনের গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে ১৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং প্রায় পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণের গয়না নিয়ে যায়। গয়নাগুলোর মধ্যে ছিল ১৪ আনা ওজনের দুটি চেইন, ছয় আনা ওজনের দুটি আংটি, চার আনার দুটি কানের দুল এবং আট আনার দুটি বালা।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এক জোড়া কালো রঙের স্যান্ডেল উদ্ধার করে। তবে চোররা বাসার পেছনের পথ দিয়ে যাতায়াত করায় প্রাথমিকভাবে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ভিডিওতে তাদের শনাক্ত করার মতো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
তদন্তে পুলিশ পরে জানতে পারে, চুরির পরদিন সকালে সানি, রাসেল ও সুমন নামে তিনজনকে প্রচুর নতুন টাকা নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। স্থানীয় দোকানেও তারা ওই টাকা খরচ করছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য, তাদের একজন দোকানদারের কাছে বন্ধক রাখা একটি মোবাইল ফোন ছাড়িয়ে নিতে ৫০০ ও ২০০ টাকার নোটে টাকা দেন। পরে দোকানদারকে বকশিশও দেওয়া হয়। এই তথ্যের ভিত্তিতে টাকার নম্বরের সূত্র ধরে ঢাকার পাশাপাশি বরিশাল ও ভোলাসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে পুলিশ।
এক পর্যায়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, আদালতে সোপর্দ করার পর সুমন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে সুমন জানান, মানিকের পরিকল্পনায় তিনি, রাসেল ও সানি মিলে ওই বাসায় চুরি করেন।
পুলিশের তথ্যমতে, মানিক বর্তমানে অন্য একটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন। তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
সুমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত রোববার রাতে কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে রাসেল ও সানিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা চুরির কথা স্বীকার করেছেন। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চুরির টাকা চারজনের মধ্যে সাড়ে চার লাখ করে ভাগ করে নেওয়া হয়।
তিনি বলেন, পরে ওই টাকা দিয়ে কেউ আসবাবপত্র কেনেন, কেউ জুয়া ও মাদক সেবনে খরচ করেন। আর রাসেল চুরি করা টাকার একটি অংশ দিয়ে নতুন একটি অটো রিকশা তৈরি করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার কোথায় বিক্রি করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা জানতে গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। একই সঙ্গে বাকি চোরাই মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।
aliul / aliul
১০ হাজার ব্যাংকারের পুনর্বহালের দাবিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ
সাইবার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ-চীন
দেশের সব টোল ব্যবস্থাকে এক নেটওয়ার্কে আনার উদ্যোগ
প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাসের সূচনা
জামায়াতের চিঠিতে এমপি নজরুলের পদ শূন্য করার সুযোগ নেই : ইসি সচিব
আইজিপিসহ পুলিশ পদক পাচ্ছেন ৯২ পুলিশ সদস্য
দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির
চুরির টাকার ভাগ সাড়ে ৪ লাখ করে, কেউ বানিয়েছেন আসবাবপত্র কেউ অটো রিকশা
‘বিশ্বমঞ্চে দেশের মানুষের কথা বলবেন তারেক রহমান’
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ইউএনএইচসিআরকে সহায়তা করবে ফ্রান্স
মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসী ‘কাইল্ল্যা ফারুক’ বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার